টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ
প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ২৮ জুন ২০২৪ ১১:১৮ এএম
আপডেট : ২৮ জুন ২০২৪ ১৪:৩৫ পিএম
ম্যাচের
আগেই হার—কথাটির যথার্থ প্রমাণ মিলেছে গতকাল বৃহস্পতিবার। সেমিফাইনালের মতো গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে জস বাটলারের টস জিতে
ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত অনেকখানিই হারের জন্য দায়ী। টসের আগে ইংল্যান্ড অধিনায়ক বলেছিলেন, কন্ডিশন বিবেচনায় আগে বোলিং করতে চান তিনি। যদিও ভারত অধিনায়কের লক্ষ্য ছিল আগে ব্যাটিং। টস জয়ের
পর এমনটাই বলেছিলেন রোহিত শর্মা। ব্লুজদের অধিনায়ক যেভাবে চিন্তা করেছিলেন ম্যাচে হয়েছেও তাই। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পিচ কচ্ছপগতির হয়ে পড়ে। তাতেই নাকাল দশা হয় ডিফেন্ডিং
চ্যাম্পিয়নদের। ম্যাচ শেষে অবশ্য ভুল স্বীকার
করেছেন বাটলার। নিজের সিদ্ধান্তে যে গলদ ছিল তা জানাতে কার্পণ্য করেননি তিনি।
এদিন প্রোভিডেন্স পার্কে বৃষ্টিবিঘ্নিত দিনে ইংলিশদের আমন্ত্রণে আগে ব্যাটিংয়ে নেমে ৭ উইকেটে ১৭১ রান তোলে ভারত। জবাবে ১০৩ রানে থামে ইংল্যান্ড। ইংলিশদের হয়ে সর্বোচ্চ সংগ্রহ ছিল হ্যারি ব্রুকের। ২৫ রান করতে পারেন তিনি। কন্ডিশন কাজে লাগিয়ে ইংল্যান্ডের ৬ উইকেট তোলেন ভারতের দুই স্পিনার অক্ষর প্যাটেল ও কুলদীপ যাদব। অথচ ইংলিশ শিবিরে মইন আলির মতো অভিজ্ঞ স্পিনার থাকলেও তা কাজে লাগাননি বাটলার।
ম্যাচ শেষে বাটলার বলেছেন, ‘টস পার্থক্য গড়ে দিয়েছে। ওদের দলে চমৎকার সব স্পিনার ছিল। আমাদের দুজনও (রশিদ ও লিভিংস্টোন) খুব ভালো বোলিং করেছে। আমার বোধোদয় হচ্ছে, পিচে স্পিন যেভাবে ধরে, তাতে মইনকেও বোলিং করানো উচিত ছিল। ওরা সংগ্রহটা বেশ বড় করে নিয়েছে, এরপর দুর্দান্ত বোলিং আক্রমণের বিপক্ষে তাড়া করাটা সব সময়ই কঠিন।’
ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতে কীভাবে আরও ভালো করা যায় সেদিকে নজর বটলারের, ‘আমরা সবকিছুই পর্যালোচনা করব এবং পরিকল্পনা গ্রহণ করব। দল হিসেবে কীভাবে ভালো করা যায়, যারা জড়িত আছে, তাদের নিয়ে এবং খেলার স্টাইল নিয়েও আলোচনা করা দরকার। এ ধরনের একটি হারের পর শুধু একটা ম্যাচ, সর্বশেষ কয়েকটা ম্যাচের খেলাই পর্যালোচনা করার মতো সুযোগ তৈরি হয়।’