× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

চোকার্স অপবাদ ভুলিয়ে দিচ্ছে প্রোটিয়ারা

রুবেল রেহান

প্রকাশ : ২৫ জুন ২০২৪ ১৬:০১ পিএম

আপডেট : ২৫ জুন ২০২৪ ১৭:০৫ পিএম

চোকার্স অপবাদ ভুলিয়ে দিচ্ছে প্রোটিয়ারা

চলতি বিশ্বকাপে একটু অন্যভাবেই নিজেদের চেনাচ্ছেন দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটাররা। শেষ ওভারের জয়টাকে নৈমিত্তিক করে তুলেছেন তারা। টানা সাত ম্যাচ জিতে সেমিফাইনালে উঠেছে এইডেন মার্করামের দল। তার চেয়ে দেখার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে- এই আসরে বেশিরভাগ ম্যাচেই চাপের মুহূর্তে জয় ছিনিয়ে নিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। এ ধরনের পরিস্থিতিতে আগের বৈশ্বিক আসরগুলোতে তাদের হারার রেকর্ডই বেশি। তবে এবার চোকার্স দুর্নাম মুছে ফেলতে যেন মরিয়া প্রোটিয়ারা।

এখন পর্যন্ত জেতা সাতটি ম্যাচের মধ্যে কেবল অনায়াসে জয় বলা যায় শ্রীলঙ্কার ‍বিপক্ষে নিজেদের প্রথম ম্যাচে। নেদারল্যান্ডসের মতো দলও তাদের পরীক্ষায় ফেলেছিল। দলীয় ১২ রানে দক্ষিণ আফ্রিকার ৪ উইকেট তুলে নিয়ে চোখ রাঙানি দিচ্ছিলেন ডাচ বোলাররা। কিন্তু ডেভিড মিলারের বীরত্বে কোনো অঘটন ঘটেনি। আর চাপের মুহূর্তে কিংবা নকআউটে পরিণত হওয়া ম্যাচে প্রোটিয়ারা ভেঙে পড়ে, অন্তত আগে এমনটাই বলা হতো। কিন্তু এবার চাপ যত বেশি প্রোটিয়ারাও যেন তত বেশি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। সোমবার সর্বশেষ ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ভীষণ চাপের মধ্যে দলকে জিতিয়ে মাঠ ছেড়েছেন অলরাউন্ডার মার্কো জানসেন।

চলতি আসরে সাত ম্যাচের মধ্যে পাঁচটিতেই শেষ ওভারে জিতেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। এর মধ্যে শেষ বলে জিতেছে বাংলাদেশ এবং নেপালের বিপক্ষে। গ্রুপ পর্বের ওই দুটি খেলাতেই দ্বিতীয় ইনিংসে বোলিংয়ে ছিল প্রোটিয়ারা। কিন্তু নেপালের বিপক্ষে হারতে হারতে বেঁচে যায় তারা। দুর্দান্ত লড়াইয়ে ম্যাচটি ১ রানে জেতে মার্করামের দল। বাংলাদেশের বিপক্ষে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদকে শেষ বলে ছক্কার সমীকরণ মেলাতে দেননি প্রোটিয়া স্পিনার কেশব মহারাজ। 

সুপার এইটে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে স্নায়ুক্ষয়ী ম্যাচে জিতেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। শেষ তিন ওভারে জিততে মোটে ২৫ রান দরকার ছিল ইংলিশদের। হাতে ছয় উইকেট। হ্যারি ব্রুক, লিয়াম লিভিংস্টোনের মতো দুই ছক্কাবাজ তখন ক্রিজে। এমন পরিস্থিতিতে দক্ষিণ আফ্রিকার বোলিংয়ের পক্ষে বাজি ধরার জন্য কাউকে পাওয়া যেত কি না সেই সন্দেহ জাগেই। তবে ওই ম্যাচেও ইংলিশদের ৭ রান দূরে থাকতে আটকে ফেলেন কেশব মহারাজ, কাগিসো রাবাদা, এনরিখ নরকিয়ারা।

চোকার্স অপবাদ দক্ষিণ আফ্রিকার সঙ্গে স্থায়ী হয়ে গেছে ১৯৯০ দশকেই। ‍৫০ ওভারের ১৯৯২, ১৯৯৬ ও ১৯৯৯ বিশ্বকাপে কোনো না কোনো ট্র্যাজেডির শিকার হয়েছিল দলটি। ২০০৩ বিশ্বকাপে ঘরের মাঠে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে হেরে সুপার সিক্সের আগেই বিদায় নেয় দক্ষিণ আফ্রিকা। বিশ্বকাপ এলেই একদিকে ফেভারিট আলোচনায় আসে বড় দলগুলোর নাম। অন্যদিকে দক্ষিণ আফ্রিকার কপালে জোটে চোকার্স দুর্নাম। সেই অপবাদ ঘোচানোর মিশনে বারবারই ব্যর্থ হয় প্রোটিয়ারা। র‌্যাঙ্কিংয়ে একাধিকবার নাম্বার ওয়ান হিসেবে অংশ নিয়েও সেমিফাইনাল কিংবা ফাইনালের আগেই ঝরে পড়াটা যেন তাদের নিয়তি নির্ধারিত। 

তবে এবারে তারা যেভাবে খেলেছে তাতে করে অপ্রিয় ‘চোকার্স’ শব্দটা দলটির সঙ্গে খুব একটা মানানসই নয়। প্রায় প্রতিটা ম্যাচেই প্রচণ্ড চাপের মধ্য থেকে জয় তুলে নিচ্ছে তারা। সেমির মঞ্চে পা রেখেছে অপরাজিত থেকেই। 

বিশ্বকাপ জিততে আর দুটি ম্যাচ জিততে হবে প্রোটিয়াদের। সেটি হয়ে গেলে বোধকরি চোকার্স শব্দটি থেকে চিরতরে মুক্তি মিলবে দক্ষিণ আফ্রিকার। 

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা