টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ
প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ২৩ জুন ২০২৪ ২০:৫৪ পিএম
একশ কোটি পাকিস্তানি রূপির মানহানির মামলা করেছে পাকিস্তানের অধিনায়ক— সংগৃহীত ছবি
সতর্ক করেছিল পাকিস্তানের ক্রিকেট বোর্ড, ফিক্সিং ইস্যুতে তথ্য প্রমাণ জড়ো করতেও বলেছিল। কিন্তু সেটি আর হয়ে ওঠেনি। বাবর আজমের বিরুদ্ধে পরোক্ষভাবে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের অভিযোগ করেছিলেন পাকিস্তানের জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক মুবাশের লোকমান। সে অভিযোগে ক্ষিপ্ত হয়ে নিজের আইনজীবীদের পরামর্শে মানহানির মামলা করেছেন বাবর। মামলায় ক্ষতিপূরণ হিসেবে পাকিস্তানের অধিনায়ক ১০০ কোটি পাকিস্তানি রুপি দাবী করেছেন।
মামলায় বাবরের আইনজীবীরা উল্লেখ করেছেন, বাবরের বিরুদ্ধে আনা ম্যাচ ফিক্সিংয়ের অভিযোগ ভিত্তিহীন। এসবের ফলে তাদের মক্কেলের মর্যাদাহানি হচ্ছে। পাকিস্তানের গণমাধ্যমটি আরও জানিয়েছে, আইনি নোটিশে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের অভিযোগ প্রমাণের জন্য মুবাশেরকে চ্যালেঞ্জ জানানো হয়েছে। সেটা করতে না পারলে মোটা অঙ্কের ক্ষতিপূরণ দিতে হতে পারে তার।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে বাবর আজমের বিরুদ্ধে বেশকিছু গুরুতর অভিযোগ আনেন মুবাশের। বাবরের ভাই তাকে অডি ই-ট্রন গাড়ি উপহার দিয়েছেন উল্লেখ করে সে গাড়ি কেনার অর্থের জোগান নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। এছাড়া নিউজিল্যান্ড এবং অস্ট্রেলিয়ায় বাবরের এপার্টমেন্ট রয়েছে জানিয়ে সেগুলোর অর্থায়নও সন্দেহজনক বলে মন্তব্য করেছিলেন এই সাংবাদিক।
ভাইরাল হওয়া সেই ভিডিওতে লোকমানকে বলতে শোনা যায়, ‘বাবর আজম নতুন ই-ট্রন পেয়েছেন। তিনি বলেছেন তার ভাই এটি উপহার দিয়েছিলেন। আমি ভাবছিলাম তার ভাই কী করে, যে সে ৭-৮ কোটি টাকার গাড়ি উপহার দিচ্ছে। আমি জানতে পেরেছি যে, সে কিছুই করে না। তখন কেউ একজন আমাকে বলেছিল আপনি যদি ছোট দলের কাছে হেরে যান, প্লট, গাড়ি আপনি পাবেন না, তাহলে কে পাবে? আমি ওই ব্যক্তিকে বলেছিলাম যে, এগুলো গুরুতর অভিযোগ। তিনি আমাকে বলেছিলেন সবাই জানে কে কী করছে।’
বিশ্বকাপ চলাকালীন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পাকিস্তানের একাধিক সাবেক ক্রিকেটার বাবরের দিকে নানান অভিযোগ তোলেন। তার কারণে ড্রেসিংরুমের পরিবেশ নষ্ট হয়েছে। ড্রেসিং রুমে ক্রিকেটাররা গ্রুপিংয়ে জড়িয়েছে। কেউ কারো সঙ্গে কথা বলে না। যা পরবর্তীতে বাবর ও অন্যান্য ক্রিকেটারদের মাঠের পারফরম্যান্সেও প্রভাব ফেলেছে। এসব আলোচনা-সমালোচনার মাঝে বাবরের সামনে নতুন ঝামেলা ম্যাচ ফিক্সিংয়ের অভিযোগ!