টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ
প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ২২ জুন ২০২৪ ২০:৪৭ পিএম
আপডেট : ২২ জুন ২০২৪ ২২:১৪ পিএম
হালাল খাবার পাচ্ছেন না, তাই রশিদ-গুরবাজরা নিজেই খুন্তি হাতে তুলে নিয়েছেন— সংগৃহীত ছবি
যে রাঁধে সে চুলও বাঁধে— ক্যারিবিয়ান মুলুকে প্রবাদটির বাস্তব রূপ দেখাচ্ছে রশিদ খানের দল। এই রাঁধা আর সমানতালে চুল বাঁধা তথা ক্রিকেটে খেলার পাশাপাশি হেঁশেল সামলানোর কাজটা সাধ করে করছেন না আফগান ক্রিকেটাররা। তারা মূলত হালাল খাবারের বিড়ম্বনায় পড়েছেন। বার্বাডোজের ব্রিজটাউনে যে হোটেলে উঠেছে আফগানিস্তান দল, সেখানের খাবার হালাল কি না, বুঝে উঠতে পারছেন না রশিদরা। কিন্তু হালাল ছাড়া খেতেও চাইছেন না। কী আর করার! বাজার জোগাড় করে নিজেরাই রান্না করে নিচ্ছেন। সমস্যার সহজ সমাধান!
ক্যারিবিয়ান মুলুকের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ঘোরা আফগানিস্তান দল মূলত হালাল মাংস পাওয়ার সংকটে। ভিন্ন উপায় তাই খুঁজে পেয়েছেন দলের কর্মকর্তারা। খাবার সংগ্রহ করতে টিমকে সাহায্য করছেন সেখানকার একজন, যিনি আফগানিস্তান ক্রিকেট দলের ঘনিষ্ঠজন। রশিদ-নবী-ফারুকিরা নিজেরাই বনে গেছেন পাচক। সেই খাবারেই উদরপূর্তি।
আফগানিস্তানের এক ক্রিকেটার সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে বলেছেন, ‘আমাদের হোটেলে হালাল মাংস পাওয়া যাচ্ছে না। মাঝেমধ্যে তাই নিজেরা রান্না করে নিচ্ছি। মাঝেমধ্যে বাইরে গিয়ে খাচ্ছি। এখানে হালাল মাংস না পাওয়া একটা সমস্যা তো বটেই।’
আঁটসাঁট সূচি আর এক মুলুক থেকে আরেক মুলুকে ছুটে চলাকেই কারণ হিসেবে দেখছেন ওই ক্রিকেটার। সংবাদ সংস্থাকে দলের পক্ষে ওই ক্রিকেটার বলেছেন, ‘সেন্ট লুসিয়াতে হালাল মাংস পেয়েছিলাম। তবে সেটা সব জায়গায় পাওয়া যাচ্ছে না। আমাদের এক বন্ধু মাংস জোগাড় করে দিচ্ছে। আমরা নিজেরা রান্না করে নিচ্ছি।’
ইসলাম ধর্ম মতে, ইবাদত কবুলের পূর্বশর্ত হালাল খাবার। এমন গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে কোনো ফাঁকফোকর রাখতে চাননি আফগান ক্রিকেটাররা। আগামীকাল ভোরে আফগানিস্তান মুখোমুখি হবে অস্ট্রেলিয়ার। গ্রুপ পর্বে দাপট দেখিয়ে আসা রশিদ খানের দল শেষ দুটি ম্যাচই হেরেছে। শেষ আটের প্রথম ম্যাচে ভারতের বিপক্ষে হারার কারণে কালকের ম্যাচটি তাদের জন্য বাঁচা-মরার। সেন্ট লুসিয়ায় ফল তাদের পক্ষে না আসলে বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাচটি কার্যত নিয়মরক্ষার হয়ে পড়বে আফগানদের।