প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৩ জুন ২০২৪ ২২:২৮ পিএম
আপডেট : ১৪ জুন ২০২৪ ০০:২৩ এএম
আগের দুই ম্যাচে ব্যর্থ ছিলেন বাংলাদেশের টপ অর্ডার। নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষেও ভাগ্য বদল করতে পারেননি নাজমুল হোসেন শান্ত-লিটন দাসরা। ফলে ২৩ রান তুলতেই টপ অর্ডারের দুই উইকেট হারায় বাংলাদেশ। সেখান থেকে দলকে টেনে তোলেন সাকিব আল হাসান ও তানজিদ হাসান তামিম। কিন্তু সেই শক্ত ভিতে দাঁড়িয়েও ভালো ব্যাটিং করতে পারেননি মিডল অর্ডার ব্যাটাররা। তবে এদিন যেন রুদ্রমূর্তি ধারণ করেছিলেন সাকিব। শেষ পর্যন্ত তার অপরাজিত ফিফটিতে চ্যালেঞ্জিং সংগ্রহ পায় বাংলাদেশ।
বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) সেন্ট ভিনসেন্টের কিংসটন ওভালে টস হেরে আগে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৫৯ রান করেছে বাংলাদেশ। ব্যাট হাতে সাকিব আল হাসান ৪৬ বলে ৬৪ এবং ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম ২৬ বলে ৩৫ রানের ইনিংস খেলেন।
বাংলাদেশ–নেদারল্যান্ডস ম্যাচটি দুদলের জন্য ‘ডি’ গ্রুপের এই এক অলিখিত নক আউট। কেননা এই গ্রুপ থেকে এরই মধ্যে সুপার এইটে পৌছে গেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। বাকি একটি স্থানের জন্য জোর লড়াই করছে বাংলাদেশ ও নেদারল্যান্ডস। কিংসটাউনের আর্নস ভ্যালে স্টেডিয়ামে এমন তাপ ছড়ানো ম্যাচে টস জিতে বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানান ডাচ অধিনায়ক স্কট এডওয়ার্ডস। একটু ভিন্ন ধাঁচে আক্রমন শানান ডাচ অধিনায়ক। নতুন বলে এক প্রান্তে পেস ও অন্য প্রান্ত থেকে অফ স্পিনার ব্যবহার করেন। এর সুফলও পায় ডাচ শিবিরি। উইকেটে থিতু হওয়ার আগেই বিদায় নেন অফফর্মে থাকা অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ও লিটন দাস। দুজনকেই শিকাপরে পরিণত করেন ডাচ অফ স্পিনার অ্যারিয়েন দত্ত। ব্যাক্তিগত ১ রানে বিদায় নেন শান্ত। লিটনও সাজঘরমুখো হন ১ রানে। মাত্র ২৩ রানে ২ উইকেট হারায় বাংলাদেশে।
টাইগারদের সেরা জুটি গড়ে ওঠে ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম ও চার নম্বরে খেলতে নামা সাকিবের মধ্যে। ুএই দুজনে পাল্লা দিয়ে বলকে সীমানাছাড়া করতে থাকেন। ইনংসের ষস্ট ওভারে লগান ভ্যান ভিককে এক ওভারে চার চ৭ারটি বাউযন্ডারি মারেন সাকিব। ওই ওভার থেকে যোগ হয় ১৯ রান। এই দুজনের মারমুখী ব্যািটংয়ে ৮ ওভার শেষে বাংলাদেশের স্কোরবোর্ডে ওঠে ৭০ রান। তানিজদের আউটে ভাঙে এই জুটি। ২৬ বলের ইনিংসে ৩৫ রান করেন এই বাঁহাতী ওপেনার। ৩২ বলের জুটিতে ৪৮ রান যোগ করেন দুজনে। তানজিদের বিদায়ে কিছুটা শ্লথ হয় রানের গতি। আগের ম্যাচগুলোতে দুর্দান্ত খেলা তাওহিদ হৃদয় খুব একটা সুবিধা করতে পারেননি। ১৫ বলে ইনিংসে আউট হন ৯ রান করে। তবে প্রান্ত আগলে রেখে লড়াই চালিয়ে যান সাকিব। তাকে সুযোগ্য সঙ্গ দেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। ৩২ বলে গড়া পঞ্চম উইকেটে জুটিতে দুজনে যোগ করেন ৪২ রান। ২১ বল খেলে ২৫ রান করে সাজঘরমুখো হন মাহমুদউল্লাহ। ইনিংসের শেষ ১৫ বলে জাকের আলীকে নিয়ে রানউৎসব করেন সাকিব। ৭ বলের হার না মানা ইনিংসে ১৪ রান করেন জাকের। ৪৬ বল খেলে ৬৪ রানে অপরাজিত থাকেন সাকিব। ইনিংসটি সাজান নয় বাউন্ডারির সাহায্যে।