প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১১ জুন ২০২৪ ১৭:২০ পিএম
ওয়াসিম আকরাম
লক্ষ্য ছিল মামুলি- ১২০। সহজ এই টার্গেট পেরিয়ে যেতে বেগ পাওয়ার কথা ছিল না। কিন্তু বাস্তবে ঘটেছে উল্টো ঘটনা। বাবর আজমদের ব্যাটিংয়ে ছিল আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি। এমন দৃষ্টিকটু হারে ক্ষুব্ধ সাবেক অধিনায়ক ওয়াসিম আকরাম বলেন, ‘তারা দশ বছর ধরে ক্রিকেট খেলছে এবং কিন্তু শেখাতে পারলাম না। রিজওয়ানের ম্যাচের পরিস্থিতি সম্পর্কে কোনো সতর্কতা নেই। বুমরাহ উইকেট তুলে নেওয়ার জন্যই বল করছিল এবং রিজওয়ানের উচিত ছিল দেখেশুনে খেলা। কিন্তু সে বড় শট খেলতে গিয়ে উইকেট বিলিয়ে দিয়ে এলো।’
ওয়াকার ইউনিস পাকিস্তানের হারের জন্য দায়ী করেছেন ডট বলকে। রবিবার ৫৫টা ডট বল খেলে বাবররা। ওয়াকার বলেন, ‘আমরা বোলিং ভালো করেছি। ব্যাটিংয়ের সময় নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট হারিয়েছি এবং অতিরিক্ত ডট বল খেলেছি। নিজেদের সেরা খেলাটা খেলতে পারিনি।’
পাকিস্তানের এমন হারে হতাশ সমর্থকরা। তির্যক মন্তব্য করছেন সাবেক ক্রিকেটাররাও। শোয়েব আখতার সমাজমাধ্যমে বলেছেন, ‘ম্যাচ দেখে হতাশ ও দুঃখিত। সারা দেশ মর্মাহত। দেশের জার্সি পরে নামা মানে দেশকে গর্বিত করার সুযোগ পাওয়া। এই সুযোগ হেলায় হারাল পাকিস্তান। জয়ের জন্য নিজের সেরাটা উজাড় করে দিতে হয়। আমার মনে হয়, পাকিস্তান জেতার যোগ্য দলই নয়।’
পাকিস্তানের ব্যাটারদের রীতিমতো ধুয়ে দিয়েছেন ভারতের সাবেক পেসার ইরফান পাঠান, ‘পাকিস্তানের সব ক্রিকেট সমর্থককে বলছি, তোমাদের দল ম্যাচের বিভিন্ন বিভাগে ভালো করেছে। কিন্তু শেষটা ভালো করতে পারেনি। যে পিচে কিছু থাকবে, সেখানে এই ব্যাটিং লাইনআপ নিয়ে সব সময়ই সমস্যায় পড়তে হবে।’
পাকিস্তানের সময়টা মোটেই ভালো যাচ্ছিল না। সেটা বিশ্বকাপ শুরুর আগে থেকেই। কোনো প্রস্তুতি ম্যাচ না খেলে বিশ্বকাপে পা রেখেই আয়োজক যুক্তরাষ্ট্রের কাছে সুপার ওভারে হার মানেন বাবর-আফ্রিদিরা। তার আগে ইংল্যান্ডের মাটিতে হাতছাড়া করে টি-টোয়েন্টি সিরিজ। আর আয়ারল্যান্ডের মাটিতে সিরিজ জিতলেও প্রথম ম্যাচে হার মেনেছিল পাকিস্তান। সেই রেশেই আত্মবিশ্বাস হারিয়ে হারের বৃত্তে আটকে গেছে তারা।