টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ
প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১১ জুন ২০২৪ ০৯:৪৩ এএম
আপডেট : ১১ জুন ২০২৪ ১১:৫৪ এএম
শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে জয়ে আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠেছিল বাংলাদেশ দল। তবে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে শ্বাসরুদ্ধকর পরাজয়ে ব্যাকফুটে টাইগাররা। ব্যাট হাতে সুবিধা করতে পারছেন না টপ অর্ডার ব্যাটসম্যানেরা। এ ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম কেবলই তরুণ ব্যাটার তাওহিদ হৃদয়। ফর্মের তুঙ্গে থাকা ডান হাতি এ ব্যাটারের বিশ্বাস, সামনের ম্যাচগুলোয় ঘুরে দাঁড়াবে দল।
সোমবার (১০ জুন) নিউইয়র্কের নাসাউ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে প্রোটিয়াদের কাছে ৪ রানে হারের পর সংবাদ সম্মেলনে হৃদয় বলেন, ‘ব্যাটাররা রান করছে না, প্রত্যেক ম্যাচেই সব দলের সবাই রান করে না, এক-দুজন খেলে। সংক্ষিপ্ত ফরম্যাট, এখানে ১১ জন খেলে না। যে দু-তিন জন খেলবে সেদিন যেন খেলাটা শেষ করে। এটা আমার ব্যক্তিগত মত। ব্যাটাররা রান করছে না, ইনশা আল্লাহ সামনের ম্যাচগুলোয় করবে। আশা করি তাড়াতাড়ি ঘুরে দাঁড়াব।’
লঙ্কানদের বিপক্ষে শ্বাসরুদ্ধকর জয়ে সুপার এইটে খেলার স্বপ্ন ডালপালা মেলতে শুরু করেছিল। কিন্তু প্রোটিয়াদের কাছে হারে অনেকে সন্দিহান টাইগারদের পরের পর্বে খেলা নিয়ে। তবে হৃদয়ের বিশ্বাস, শুধু সুপার এইট নয়, সেমিফাইনাল বা ফাইনাল খেলারও সামর্থ্য আছে বাংলাদেশের, ‘আমার কাছে মনে হয় শুধু সুপার এইট না, আমরা সেমিফাইনাল-ফাইনাল খেলার মতো দল। এটা আমার বিশ্বাস। আমার এ বিশ্বাস আছে।’
ইনিংসের ১৭তম ওভারের দ্বিতীয় বলে ওটনিল বার্টমানের বল মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের প্যাডে লেগে বাউন্ডারি ছাড়িয়ে যায়। তবে এলবিডব্লিউর আবেদন হলে আম্পায়ার স্যাম নগাজস্কি তর্জনী উঁচিয়ে ধরেন। রিয়াদ রিভিউ নিলে দেখা যায় নটআউট। তবে আম্পায়ার আগে আউট দিয়ে দেওয়ায় আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী যোগ হয়নি বাউন্ডারির ৪ রান। এ ছাড়া হৃদয়ের আউটের সিদ্ধান্ত নিয়েও আছে বিতর্ক। এ ভুলকে দলের হারের প্রভাবক হিসেবে স্বীকার করে আম্পায়ারিং উন্নতির আহ্বান হৃদয়ের।
আম্পায়ারের সিদ্ধান্তে আক্ষেপ নিয়ে হৃদয় বলেন, ‘সত্যি বলতে এটা গুড কল ছিল না। ম্যাচটা টাইট ছিল। আম্পায়ার আউট দিয়ে দিলেন। আমাদের জন্য এটা মেনে নেওয়া কঠিন। ওই ৪ রান ম্যাচের দৃশ্য বদলে দিত। আমার আর কিছু বলা ঠিক হবে না।’
যোগ করেন, ‘নিয়ম তো… আইসিসি কী করেছে এটা তো আমার হাতে নেই। কিন্তু ওই ৪টা রান আমাদের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ ছিল। আম্পায়ারও মানুষ, ভুল হতেই পারে। কিন্তু আরও ২-১টি ওয়াইড দেননি। এমন ভেন্যুতে খেলা যেখানে রান হচ্ছে না, লো স্কোরিং ম্যাচ। সে জায়গায় ১-২ রান অনেক বড় ফ্যাক্ট। ওই ৪ রান বা ২ ওয়াইড ক্লোজ কল ছিল। আমার আউটও আম্পায়ার্স কল ছিল। এ জায়গাগুলোয় উন্নতির বিষয় আছে। আইসিসির নিয়মে আমাদের হাত নেই।’