টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ
প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১১ জুন ২০২৪ ০২:৪৪ এএম
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দারুণ জয়ে শুরু করেছিল বাংলাদেশ। তবে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে পরের ম্যাচে এসেই হার মানল টাইগাররা। প্রোটিয়াদের মাত্র ১১৩ রানে আটকে ফেলার পরও শেষ হাসি হাসতে পারেনি নাজমুল হোসেন শান্ত ব্রিগেড। ম্যাচের শেষ দিকে তালগোল পাকিয়ে মাঠ ছেড়েছে ৪ রানের হার নিয়ে। সুযোগ থাকা সত্তেও দলকে জয় এনে দিতে না পারায় নিজেকেই দায়ী করেছেন টাইগার তরুণ ব্যাটার তাওহিদ হৃদয়।
সোমবার (১০ জুন) নিউইয়র্কের নাসাউ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপের ‘ডি’ গ্রুপের ম্যাচে টস জিতে আগে ব্যাট করতে নামে দক্ষিণ আফ্রিকা। হেনরিখ ক্লাসেনের ৪৬ ও ডেভিড মিলারের ২৯ রানে ভর করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১১৩ রান করেছিল প্রোটিয়ারা। জবাব দিতে নেমে তাওহিদ হৃদয়ের ৩৭ ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ২০ রানের পরেও শেষ পর্যন্ত ৭ উইকেট হারিয়ে ১০৯ রানে থেমে যায় টাইগারদের ইনিংস।
ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রতিনিধি হয়ে উপস্থিত হন তাওহিদ হৃদয়। এসময় সাকিব আল হাসান ও নাজমুল হোসেন শান্তর উইকেট বিলিয়ে আসার কারণকে কাঠগড়ায় রেখে প্রশ্ন করা হলে হারের সব দায় নিজের কাঁধে নেন ডানহাতি এই ব্যাটার, ‘আমার মনে হয় ভালো শট ছিল। নরকিয়া বেশিরভাগ বল ব্যাক অব লেংথে করে। রান করতে গেলে তো পুল শট খেলতে হবে বা গতিটাকে ব্যবহার করতেই হবে। হয়তো এক্সিকিউশন ভালো হয়নি। আজ যেটা আউট হয়েছে পরেরবার এটা ছয় বা চার হবে।’
হৃদয় আরও জানান, ‘ম্যাচ হেরে গেছি আমার আউটে। খেলা ফিনিশ করলে হারতাম না। তারা (টপ অর্ডার) তো আউট হয়ে গেছে অনেক আগে। আমি তো শেষ পর্যন্ত ছিলাম। যদি আমি জেতাতে পারতাম… আমিই আউট হয়ে গেছি, পারিনি। আমার কাছে কখনও মনে হয়নি এই ম্যাচ হারতে পারি। যদি খেলা শেষ করতাম ভিন্ন দৃশ্য হতো। এখান থেকেও অনেক কিছু শেখার আছে।’
রান তাড়ায় ৩৭ রানে তৃতীয় উইকেট হারানোর পর ক্রিজে আসেন হৃদয়। বিপর্যয়ের মুখে বাংলাদেশকে ম্যাচে রেখেছিলেন এই মিডল অর্ডার ব্যাটার। অভিজ্ঞ মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের সাথে গড়েন ৪৪ রানের জুটি। নিজে ৩৪ বলে সমান ২টি করে চার-ছক্কায় খেলেন ৩৭ রানের লড়াকু এক ইনিংস। কিন্তু শেষ পর্যন্ত দলকে জয় এনে দিতে পারেননি। ১৮তম ওভারের প্রথম বলে আম্পায়ারের বিতর্কিত এক সিদ্ধান্তে এলবিডব্লিউ হয়ে আউট হয়ে যান।
ম্যাচটি ফিনিশিং করতে না পারায় আফসোস হৃদয়ের, ‘আমি যখন ব্যাট করি, টার্গেটই থাকে ইটেন্ট নিয়ে ব্যাট করব। এটা রানের খেলা, মাথায় থাকে কীভাবে রান করতে পারি, পরিস্থিতি যেমনই হোক না কেন। কখনও হয়তো কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হব। ম্যাচের চাহিদা অনুযায়ী খেলার চেষ্টা করি। এ উইকেটে অনেক বড় ব্যাটাররাও রান করতে পারছে না, এখানে স্ট্রাইকরেট কারও বেশি নয়। এখানে যেভাবে আমরা ব্যাট করেছি, শুরুটা ঠিকঠাক ছিল, মাঝখানেও ভালো ছিল। ফিনিশিং ভালো করতে পারিনি। আমি খেলতাম বা যদি ফিনিশ করতাম, হয়তো দৃশ্যপট এমন হতো না।’