প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০৬ জুন ২০২৪ ১৬:৩৩ পিএম
আপডেট : ০৬ জুন ২০২৪ ১৮:৩৫ পিএম
অভিষেক হওয়ার পর ২৭ বছরের এল মাহেন্দ্রক্ষণ। দীর্ঘ অপেক্ষা শেষে বিশ্বকাপে খেললেন ৪৩ বছরের ফ্রাঙ্ক এনসুবুগা। বিশ্বকাপে নিজেদের অভিষেক ম্যাচেই গড়লেন রেকর্ড। ৪ ওভারে ৪ রান খরচ করে ২ উইকেট শিকার করলেন এ স্পিনার। সঙ্গে পেয়েছেন দুটি মেডেন। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ইতিহাসে সবচেয়ে কিপ্টেমি বোলিংয়ের রেকর্ড এটি।
সবচেয়ে কিপ্টেমি বোলিংয়ের আগের রেকর্ড ছিল আনরিখ নর্কিয়ার। এবারের বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৪ ওভারে ৭ রান খরচ করে ৪ উইকেট শিকার করে ছিলেন তারকা এ প্রোটিয়া বোলার। ২০১৪ বিশ্বকাপে বাংলাদেশের তারকা অলরাউন্ডার মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ৪ ওভারে আফগানিস্তানের বিপক্ষে দিয়েছিলেন ৮ রান।
টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে সবচেয়ে বেশি মেডেন ওভারের রেকর্ড আগে থেকেই নিজের দখলে রেখেছিলেন এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সবচেয়ে বয়স্ক খেলোয়াড় এনসুবুগা। এ ম্যাচে মেডেন পেয়েছেন আরও দুটি। ৪ ওভারেই ডট বল করেছেন ২০টি। নিজের কীর্তিকে অন্যদের নাগালের বাইরে নিয়ে গেলেন আরও। স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে ৪৩ বছর ২৮২ দিন বয়সী এনসুবুগার সব মিলিয়ে মেডেন ১৭টি। তালিকার দ্বিতীয় স্থানে আছেন কেনিয়ার শেম ওবাদো এনগোচে। তার মেডেন ১২টি।
প্রথম ম্যাচে আফগানিস্তানের অভিজ্ঞতার কাছে পেরে উঠেনি। সম্ভব হয়নি অঘটনের জন্ম দেওয়ার। তবে দ্বিতীয় ম্যাচে এসেই দারুণ কিছু উপহার দিল উগান্ডা। বোলারদের দাপটে পর ব্যাটিংয়ে দৃঢ়তা দেখালেন রিয়াজাত আলী শাহ। ঐতিহাসিক জয়ের দেখা পেল আফ্রিকার উদীয়মান দলটি। এনসুবুগার রেকর্ড দিনে পাপুয়া নিউগিনিকে ৩ উইকেটে হারিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এই প্রথম জয় ছিনিয়ে নিল উগান্ডা। অভিষেক আসরে দেশটির ক্রিকেট ইতিহাসের অবিস্মরণীয় জয় এলো ১০ বল হাতে রেখে।
শুরুতে ব্যাটিংয়ে নেমে সুবিধা করতে পারেনি পাপুয়া নিউগিনি। উগান্ডার আগুন ঝরা বোলিংয়ে অল্পতেই আটকে যায় তারা। খেলতে পারেনি পুরো ২০ ওভারও। ১৯.১ ওভারেই ৭৭ রানে বিধ্বস্ত হয় প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপ দেশটি। মিডল অর্ডারে হিরি হিরি ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ১৫ রান করেন। তার সঙ্গে লেগা সিয়াকা ও কিপলিন ডোরিগা সমান ১২ রান করে যোগ করেন দলীয় স্কোরে। বাকি ব্যাটাররা ব্যাটিং ব্যর্থতার গল্প লিখে ফেরেন সিঙ্গেল ডিজিট নিয়ে।
লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দলের প্রয়োজনে মিডল অর্ডারে ৩৩ রানের কার্যকর এক ইনিংস খেলেন রিয়াজাত আলী শাহ। ধৈর্য্যের পরীক্ষা দিয়ে ৫৬ বলে ১ বাউন্ডারিতে এনে দেন দরকারি ইনিংসটি। জুমা মিয়াজি ১৩ রানের যোগান দিলে জয়ের ভিত পায় উগান্ডা। জয়ের বন্দরে পৌঁছে দিয়ে মাঠ ছাড়েন কেনেথ ওয়াইসওয়া (৭*) ও ব্রায়ান মাসাবা (০*)। ১৮.২ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ৭৮ রান তুলে উৎসবে মাতে উগান্ডা।