টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ
প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০৩ জুন ২০২৪ ২২:০০ পিএম
আফগানিস্তানের বিপক্ষে বিশ্বকাপে অভিষেক ম্যাচ খেলতে নামার আগে সংবাদ সম্মেলনে উগান্ডার অধিনায়ক ব্রায়ান মাসাবা; ছবি: সংগৃহীত
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ইতিহাস গড়ে প্রথমবার খেলার সুযোগ পেয়েছে উগান্ডা। আফ্রিকা অঞ্চলের বাছাইয়ে জিম্বাবুয়ে, কেনিয়ার মতো দলকে হারিয়ে তারা এখন বিশ্ব মঞ্চে। হেরেছিল কেবল বাছাইয়ে প্রথম হওয়া নামিবিয়ার বিপক্ষে। দলটির এমন সাফল্যে গর্বিত পুরো দেশ। বিশ্বমঞ্চে তাদের খেলা দেখতে উন্মুখ দেশটির সবাই। প্রথম ম্যাচে নামার আগে উগান্ডার অধিনায়ক ব্রায়ান মাসাবা বলছেন, পুরো দেশের আশা কাঁধে নিয়ে টুর্নামেন্টে পথচলা শুরু করবেন তারা।
সোমবার (৩ জুন) ম্যাচপূর্ব সংবাদ সম্মেলনে মাসাবা বললেন, আমাদের জন্য সত্যিই বিশাল ম্যাচ, ‘বিশ্বকাপে আমাদের প্রথম ম্যাচ, ইতিহাসে উগান্ডার হয়ে প্রথম, তাই আমরা মাঠে নামতে খুব রোমাঞ্চিত। অবশ্যই কিছুটা স্নায়ুচাপ কাজ করছে। কিন্তু আমাদের খেলায় মনোযোগ দিতে হবে এবং প্রয়োজনীয় ফলাফল পাওয়ার চেষ্টা করতে হবে। কারণ ভালো ফলাফল নিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করতে হবে।’
সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটের এই বিশ্বকাপে‘সি’ গ্রুপে আছে উগান্ডা। যেখানে তাদের মুখোমুখি হতে হবে আফগানিস্তান, নিউজিল্যান্ড, পাপুয়া নিউগিনি ও দুইবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ওয়েস্ট ইন্ডিজের। আগামীকাল মঙ্গলবার ভোর ৬টা ৩০ মিনিটে গায়ানার প্রোভিডেন্স স্টেডিয়ামে আফগানিস্তানের বিপক্ষে বিশ্বকাপে অভিষেক ম্যাচ খেলবে তারা। রশিদ খান, মোহাম্মদ নবিদের বিপক্ষে মাঠের লড়াইয়ে নামতে মুখিয়ে আছে আফ্রিকার দেশটি।
দেশের মানুষের কথা বলেছেন উগান্ডা অধিনায়ক,
যারা তাদের সমর্থন দেওয়ার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে, ‘দেশের মানুষের মধ্যেও অনেক
রোমাঞ্চ-উত্তেজনা কাজ করছে। ক্রিকেটে এটা শুধু আমাদের জন্য প্রথমই নয়, আমার মনে হয়,
আমরা দেশের যেকোনো ক্রীড়া বিভাগে তৃতীয় দল, যারা বৈশ্বিক আসরের জন্য যোগ্যতা অর্জন
করেছি। তাই এটা ছোট কোনো অর্জন নয়।’
যোগ করেন, ‘শুধু ক্রিকেট সম্প্রদায়
নয়, অন্যান্য খেলার মানুষরাও আমাদের সমর্থন করছে, সঙ্গে দেশের সরকারও আছে। এই দলটি
যেটা অর্জন করেছে তার জন্য পুরো দেশ অত্যন্ত গর্বিত। আমাদেরকে বৈশ্বিক আসরে খেলতে এবং
গর্বের সাথে দেশের প্রতিনিধিত্ব করতে দেখার জন্য উন্মুখ হয়ে আছে তারা। এটা আমাদের
জন্য অনেক বড় দায়িত্ব, এটা এখন আর শুধু ক্রিকেটের বিষয় নয়, আমরা পুরো দেশের আশা
আমাদের পিঠে বহন করছি।’