প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০১ জুন ২০২৪ ২২:৩০ পিএম
আপডেট : ০১ জুন ২০২৪ ২৩:১১ পিএম
ডেভিড ওয়ার্নার
লাল বলের ক্রিকেটকে কবেই বিদায় বলে দিয়েছেন ডেভিড ওয়ার্নার। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ জেতা তারকা এ ওপেনার ক্যারিয়ারের শেষ টেস্ট খেলে ফেলেছেন চলতি বছরের শুরুতে। ক্রিকেটের এলিট সংস্করণের পর এক দিনের ক্রিকেটকেও গুডবাই জানিয়েছেন। ভারতের মাটিতেই ওয়ানডে বিশ্বকাপ জিতে আর দেরি করেননি।
ক্রিকেটের দুই সংস্করণ থেকে অবসর নিয়ে ফেলেছেন এ বাঁ-হাতি এ তারকা ব্যাটার।বাকি রইল কেবল টি-টোয়েন্টি। কুড়ি ওভারের এবারের বিশ্বকাপ দিয়ে বাকি কাজটুকু সারতে চান এ মারকুটে ব্যাটার। মানে তার বর্ণিল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ক্যারিয়ারে রাগিণী সুর বেজে উঠেছে। এবার অপেক্ষা শুধু টি-টোয়েন্টির বিশ্বমঞ্চে পর্দা নামার।
ক্যারিয়ারের শেষ আন্তর্জাতিক আসরটি রাঙাতে চান ওয়ার্নার। আর সেটা করতে চান কুড়ি ওভারের মহাযজ্ঞে ভয়ডরহীন স্টাইলের ক্রিকেট খেলে। অস্ট্রেলিয়ান সংবাদমাধ্যম সিডনি মর্নিং হেরাল্ডকে এ নিয়ে ওয়ার্নার বলেন, ‘আমরা সব সময় ভয়হীন–সাহসী ক্রিকেট খেলেছি, আমার মনে হয় সে কারণে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আমরা বেশ সাফল্য পেয়েছি। দলে আমাদের জায়গা নিয়ে আমরা অতটা ভাবি না, শুধু কীভাবে নিজেদের সেরাটা দেওয়া যায় সেই চিন্তা থাকে। আমরা এমন পারফরম্যান্সই করতে চাই, যা দলকে ম্যাচ জেতাতে ভূমিকা রাখবে।’
আগামী বছর আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফির আসর বসার কথা পাকিস্তানের মাটিতে। যদিও আইসিসির এ ফ্লাগশিপ টুর্নামেন্টটি ওয়ানডে না টি-টোয়েন্টি সংস্করণে হবে, তা এখনও ঠিক হয়নি। তবে ৫০ ওভার বা ২০ ওভার যা-ই হোক, সেই টুর্নামেন্টে ওয়ার্নারের খেলার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। ওয়ার্নার নিজেই দিলেন সেই খবর, ‘সেখানে (চ্যাম্পিয়নস ট্রফি) আমাকে তাদের প্রয়োজন নেই (হাসি)।
নিজেদের ব্যাটিং-বোলিং পরিকল্পনা নিয়ে অজি ওপেনার বলেন, ‘সৌভাগ্যবশত, আমাদের দলে অনেক ভালো খেলোয়াড় রয়েছে। একদিন হয়তো অন্য কেউ এগিয়ে এসে পারফর্ম করবে, পরদিন আবার পারফর্ম করবে নতুন কেউ। তাই আমরা শুধু জানি যে, টপ অর্ডারের ছয়ে থাকা একজন ব্যাটার যদি ভালো স্ট্রাইক রেটে ৬০ থেকে ৮০ রান করতে পারে, আমরা জানি আমরা সব সময় ভালো স্কোর গড়ব। একইভাবে নতুন বলের ক্ষেত্রেও একই বিষয়, যদি স্টার্কি (মিচেল স্টার্ক) বল সুইং করাতে পারে, আমরা দ্রুত উইকেট পাব এবং তারপর ম্যাচটি স্পিনার ও বাকিরা টেনে নিয়ে যাবে।’
গত ওয়ানডে বিশ্বকাপে ফাইনালের আগেও চ্যাম্পিয়ন হওয়ার লড়াইয়ে ছিল না অস্ট্রেলিয়া। শেষ চারে উড়ন্ত দক্ষিণ আফ্রিকাকে ধরাশায়ী করে অজিরা মোমেন্টাম পেয়ে যায়। তাই কোনো অবস্থাতেই অস্ট্রেলিয়াকে হিসাবের বাইরে রাখা ঠিক নয় বলে মনে করেন ওয়ার্নার, ‘যদি আপনি আমাদের পারফরম্যান্স দেখেন, প্রথম ম্যাচগুলোতে (ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকা) খুব বাজেভাবে হেরেছি। তবুও আমাদের কখনই গণনার বাইরে রাখতে পারবেন না।’