× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

চ্যাম্পিয়ন্স লিগ

রিয়ালের ১৫ না ডর্টমুন্ডের দ্বিতীয়

প্রবা প্রতিবেদন

প্রকাশ : ০১ জুন ২০২৪ ১১:৩৮ এএম

আপডেট : ০১ জুন ২০২৪ ১১:৪১ এএম

রিয়ালের ১৫ না ডর্টমুন্ডের দ্বিতীয়

রিয়ালের ১৫ না ডর্টমুন্ডের দ্বিতীয়

আরও একটি চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনাল। প্রস্তুত ওয়েম্বলি স্টেডিয়াম। প্রস্তুত দুই ফাইনালিস্ট- রিয়াল মাদ্রিদ ও বরুশিয়া ডর্টমুন্ড।

ফুটবলে এই কথাটা কি খুব বেশি প্রচলিত নয় যে, রিয়াল কেবল চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনাল খেলে না, জেতে। ফুটবল বোদ্ধারা এটা জানেন, মানেন। চোখ বন্ধ করেই বলে দেওয়া যায় এই ফাইনালে পরিষ্কার ফেভারিট লস ব্ল্যাঙ্কোসরা। এটা যে রিয়ালের প্রতিযোগিতা। অনেকে এমনটাও বলে থাকেন- রিয়ালের জন্মই চ্যাম্পিয়নস লিগের জন্য। ১৮টি ফাইনাল আর ১৪টি ইউসিএল শিরোপা সেই গল্পের সাক্ষীই দেয়। ইউরোপ সেরার আরও একটি ফাইনালে স্প্যানিশ রাজারা। শিরোপা সংখ্যা ১৫ করতে এক পা দূরে কার্লো আনচেলত্তির দল। তাদের আটকে দিয়ে ওয়েম্বলির আকাশে হলুদ উৎসব করতে পারবে কি ডর্টমুন্ড। নাকি চ্যাম্পিয়নস লিগে হবে প্রথাগত রিয়াল উৎসব? ফাইনাল শুরু হবে বাংলাদেশ সময় রাত ১টায়।

চ্যাম্পিয়নস লিগের ইতিহাসে কেবল তিনটি ফাইনাল হেরেছে রিয়াল। সেই বেনফিকা, ইন্টার মিলান, এরপর ১৯৮১ সালে লিভারপুলের বিপক্ষে সবশেষ প্রতিযোগিতার কোনো ফাইনালে হেরেছিল রিয়াল। এরপর ১৯৮৩ সালে উয়েফা কাপ উইনার্স কাপে স্যার অ্যালেক্স ফার্গুসনের অ্যাবারডিনের কাছে ২-১ গোলে হার। ওই পরাজয়ের পর আর কখনই ইউরোপীয় কোনো প্রতিযোগিতার ফাইনালে হারেনি রিয়াল। ১৯৯২ সাল থেকে চ্যাম্পিয়নস লিগের যুগের আটটি ফাইনালে উঠে প্রতিবারই শিরোপা উল্লাস করেছিল রিয়াল। এত এত সফলতার পরও অবশ্য পা মাটিতেই রাখছেন আনচেলত্তি। চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনাল পূর্ববর্তী সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, ‘আমাদের ডর্টমুন্ডের বিপরীতে লড়াই করতে হবে। এই ফাইনাল জেতা মোটেও সহজ হবে না আমাদের জন্য। তবে এটা মাদ্রিদিস্তাদের (ভক্ত) বিশেষ রাত। সবাই জানে এই প্রতিযোগিতার জন্য আমাদের বিশেষ মনোযোগ থাকে।’ চ্যাম্পিয়নস লিগের এবারের ফাইনাল জিতলে সেটি কোচ আনচেলত্তির জন্যও বিশেষ। এখন পর্যন্ত চারটি চ্যাম্পিয়নস লিগ শিরোপা জিতেছেন তিনি।

সফলতায় গা ভাসাতে না চাইলেও ডর্টমুন্ডের বিপক্ষে ইতিহাস কথা বলছে রিয়ালের পক্ষে। আজকের ম্যাচের আগে ১৪ বার মুখোমুখি হয়েছে দুই দল। সব ম্যাচই দুই দল খেলেছে চ্যাম্পিয়নস লিগে। সেখানে ডর্টমুন্ড জিতেছে কেবল তিন ম্যাচে, ড্র পাঁচটিতে এবং হার ছয় ম্যাচে। রিয়ালের বিপক্ষে জার্মান ক্লাবটি সবশেষ জয় পেয়েছে ২০১৩ সালে। সেবার রাবার্ট লেভানডফস্কি হ্যাটট্রিকসহ করেছিলেন ৪ গোল। জয়টাও এসেছিল ৪-১ ব্যবধানে। এদিকে ডর্টমুন্ড বাদে এই প্রতিযোগিতায় কেবল দুটি দলের বিপক্ষে এর চেয়ে বেশি ম্যাচ খেলেছে রিয়াল। বায়ার্নের বিপক্ষে সর্বোচ্চ ২২ ম্যাচ এবং জুভেন্টাসের বিপক্ষে লস ব্ল্যাঙ্কোসরা মুখোমুখি হয়েছে ১৬ বার।

একটু পেছনে ফেরা যাক, ২৭ মে ২০২৩। বায়ার্নের একচ্ছত্র আধিপত্য থামিয়ে সেদিন বুন্দেসলিগার শিরোপা জেতার সুযোগ ছিল বরুশিয়া ডর্টমুন্ডের। ঘরের মাঠ সিগনাল ইদুনা পার্কে জিতলেই শিরোপা জিতত ডর্টমুন্ড। কিন্তু অবিশ্বাস্যভাবে সেই ম্যাচে মেইঞ্জের বিপক্ষে ২-২ গোলে ড্র করে বসে টারজিকের দল। ম্যাচ হারার পরও সেদিন সমর্থকরা স্টেডিয়াম ছাড়েনি। অশ্রুশিক্ত চোখে দাঁড়িয়ে থাকা টারজিককে সান্ত্বনা দিতেই স্টেডিয়ামে একসাথে তারা গেয়েছিলেন ‘ওয়ার সিন্ড অ্যালে ডর্টমুন্ডার জাঙ্গস’, যার অর্থ এমন- ‘আমরা সবাই ডর্টমুন্ডের ছেলে।’ সত্যি অর্থে এই দলটির শক্তি এটিই। তাদের বলা হয় ইয়োলো ওয়াল। ইদুনা পার্কের সেই দুঃখ সামলে ১২ মাস পর এবার তারা চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে। ফাইনালের আগে একটি সংবাদমাধ্যমকে টারজিক বলেছেন, ‘আপনি যদি কাউকে জিজ্ঞেস করেন যে নর্থ রাইন ওয়েস্টফেলিয়ার রং কী? তারা এক বাক্যে বলবে, হলুদ আর কালো। এটি এক ধরনের পারস্পরিক সম্পর্কের বিষয় তুলে ধরে। ক্লাবটি শহরকে প্রতিনিধিত্ব করে, আর শহর প্রতিনিধিত্ব করে ক্লাবের। এটিই উভয়কে বিশেষ করে তুলেছে। আমরা এখানে (ইংল্যান্ড) এসেছি এবার সেই শহরের মুখে হাসি ফোটাতে। আমরা এটি (চ্যাম্পিয়নস লিগ শিরোপা) জিততে চাই।’

দলগত পারফরম্যান্সের ওপর ভিত্তি করেই ফাইনালে উঠেছে ডর্টমুন্ড। তবে আলাদা নজর কেড়েছেন দলটির স্ট্রাইকার নিকলাস ফুলক্রগ। মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে মৌসুমে ১২ গোলের সঙ্গে অ্যাসিস্ট আছে ৮ গোলে। সেমিফাইনালে পিএসজির বিপক্ষে প্রথম লেগের খেলায় তার গোলেই জিতেছিল ডর্টমুন্ড। এর আগে কোয়ার্টার ফাইনালে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের বিপক্ষে এক গোলের সঙ্গে অ্যাসিস্ট করেছিলেন ৩১ বছর বয়সি এই স্ট্রাইকার। ফাইনালে রিয়ালের ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের সঙ্গে তার দৈরথ দেখার অপেক্ষায় সমর্থকরা। ব্রাজিলিয়ান এই তারকাও দুর্দান্ত ফর্মে আছেন, মৌসুমে ১৫ গোলের সঙ্গে অ্যাসিস্ট আছে ৫টি গোলে। এ ছাড়া রদ্রিগো, জুড বেলিংহামরাও আছে ছন্দে।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা