আলাউদ্দিন আরিফ
প্রকাশ : ১৮ জুলাই ২০২৩ ১৪:১৮ পিএম
চলতি বছর নির্বাচনের বছর। এরই মধ্যে বিএনপিসহ তাদের মিত্ররা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে এক দফার যুগপৎ আন্দোলন এবং যুগপৎ না হলেও আলাদা কর্মসূচি নিয়ে সরকারবিরোধী আন্দোলনে মাঠে থাকবে জামায়াত। আবার আওয়ামী লীগও ‘শেখ হাসিনার অধীনে ছাড়া নির্বাচন নয়’ বলে এক দফার আন্দোলনের ঘোষণা দিয়েছে।
সব মিলিয়ে রাজনীতির মাঠ ক্রমেই সরগরম হয়ে উঠছে। যেকোনো দলেরই আন্দোলন-সংগ্রামের বড় শক্তি তাদের ছাত্র সংগঠন। বসে নেই ছাত্র সংগঠনগুলোও। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও বড় বড় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সরকারবিরোধী ও সরকার সমর্থক ছাত্র সংগঠনগুলো কর্মসূচি নিয়ে সংক্রিয় হয়ে উঠছে। এ ছাড়া বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্রদের উসকানি দিয়ে সরকারবিরোধী আন্দোলনে নামানোর চেষ্টা চলছে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে।
এ অবস্থায় সরকারবিরোধী আন্দোলন, উসকানি দিয়ে ছাত্র সংগঠনগুলোকে মাঠে নামানো এবং ছাত্রলীগসহ সমমনা সংগঠনগুলোর সরকারের পক্ষে শান্তি সমাবেশ, মিছিলসহ বিভিন্ন কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে নির্বাচনের আগে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তৈরির আশঙ্কা করছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। আন্দোলনের বিষয়ে আগাম গোয়েন্দা তথ্য না থাকলে যেকোনো সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে। তাই ছাত্র আন্দোলনকে কেন্দ্র করে পরিস্থিতি যাতে নিয়ন্ত্রণের বাইরে না যায়, তাই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্যাম্পাস ও আবাসিক হলগুলোতে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর। পুলিশের সকল রেঞ্জ ডিআইজি, মেট্রোপলিটন কমিশনার, উপকমিশনার ও পুলিশ সুপারদের এই নির্দেশনা দেওয়া হয়। পুলিশ সদর দপ্তরের সাম্প্রাতিক আইনশৃঙ্খলা-বিষয়ক এক সভা থেকে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে গোয়েন্দা কার্যক্রমের পাশাপাশি অনলাইন প্যাট্রোলিং ও সাইবার প্যাট্রোলিং জোরদার করতে বলা হয়েছে।
পুলিশের এমন নির্দেশনাকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে ছাত্রলীগ। তারা বলছে, সংবিধান ও নির্বাচিত জনপ্রতিধির মাধ্যমে পরিচালিত সরকারকে চ্যালেঞ্জ করে কিছু রাজনৈতিক দল এবং ছাত্র সংগঠন সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য সৃষ্টি করছে। অপশক্তির সমর্থিত ছাত্র সংগঠনগুলো হত্যার রাজনীতি শুরু করতে চাইছে। আগাম তথ্যের মাধ্যমে পুলিশের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টার বিষয়টি ইতিবাচক।
আর ছাত্রদল বলছে, ছাত্রদের যৌক্তিক আন্দোলনকে বন্ধ করার লক্ষ্যে বারবার পুলিশসহ আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে ব্যবহার করছে সরকার, বিষয়টি কোনোভাবেই ইতিবাচক নয়। ছাত্র ইউনিয়ন বলছে, স্বাধীনতার পর যারাই ক্ষমতায় গেছে, তারাই পুলিশসহ আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে ব্যবহার করে ছাত্রদের যৌক্তিক আন্দোলনকে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করেছে। বিষয়টি কোনোভাবেই সমর্থনযোগ্য নয়। পরিবারকেন্দ্রিক রাজনৈতিক ক্ষমতা ধরে রাখার একটি অপচেষ্টা হিসেবে পুলিশ এ ধরনের নির্দেশনা দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছে ছাত্র ইউনিয়ন।
এদিকে পুলিশের অতিরিক্ত আইজি (ক্রাইম ম্যানেজমেন্ট) মো. আতিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত নির্দেশনায় বলা হয়, ‘সকল বিশ্ববিদ্যালয়সহ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আন্দোলন বন্ধের লক্ষ্যে আবাসিক হলগুলোতে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করতে হবে। সংশ্লিষ্ট রেঞ্জ ডিআইজি, মেট্রোপলিটন কমিশনার, উপকমিশনার ও পুলিশ সুপাররা বিষয়টি মনিটরিং করবেন।’
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পুলিশের একজন ডিআইজি জানান, সামনে নির্বাচন; বিএনপিসহ তাদের মিত্রদের পক্ষ থেকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে এক দফার যুগপৎ আন্দোলনের ডাক দেওয়া হয়েছে। যুগপৎ না হলেও আলাদা কর্মসূচি নিয়ে সরকারবিরোধী আন্দোলনে মাঠে থাকবে জামায়াতও। আবার আওয়ামী লীগও ‘শেখ হাসিনার অধীনে ছাড়া নির্বাচন নয়’ বলে এক দফার আন্দোলনের ঘোষণা দিয়েছে। এ অবস্থায় দুটি রাজনৈতিক পক্ষের মধ্যে বিবদমান পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ছাত্রলীগ, ছাত্রদল, ছাত্রশিবির, ছাত্র ইউনিয়নসহ সবকটি ছাত্র সংগঠনের নেতাকর্মীরা বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সক্রিয় রয়েছে। তারা নিজ নিজ পক্ষের রাজনৈতিক দলের হয়ে নানা কর্মসূচির ঘোষণা দিচ্ছে এবং সক্রিয়ভাবে তা পালন করছে। এ অবস্থায় পরস্পরের মধ্যে সংঘর্ষ, হামলা ও পাল্টা হামলার মতো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। আগাম গোয়েন্দা তথ্য পাওয়া গেলে পুলিশ পরিস্থিতি মোকাবিলায় পূর্বপ্রস্তুতি নিতে পারবে। এতে সংঘর্ষ ও প্রাণহানি বন্ধ করা সম্ভব হবে।
পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি), চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি), রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি), কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের সকল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়, কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় কলেজগুলোতে বিপুল সংখ্যক আবাসিক ছাত্রাবাস রয়েছে। ওইসব বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগ, ছাত্রদল, ছাত্রশিবিরসহ ছাত্র সংগঠনগুলো সক্রিয় এবং তাদের কমিটিও রয়েছে। ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরসহ সরকারবিরোধী পক্ষের সংগঠনগুলো বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছে।
বিভিন্ন মহল থেকে তাদরকে উসকানি দিয়ে রাস্তায় নামানোর চেষ্টা চলছে। আবার ছাত্রলীগসহ সমমনা সংগঠনগুলো সরকারের পক্ষে শান্তি সমাবেশ, মিছিলসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছে। আগাম গোয়েন্দা তথ্য না থাকলে যেকোনো সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলোতে ছদ্মবেশে গোয়েন্দা নজরদারিসহ ব্যাপকহারে গোয়েন্দা তৎপরতা বাড়াতে বলা হয়েছে। বিশেষ করে রাবি, চবি, জাবি ও কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়সহ যেসব এলাকায় বড় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে, ওই এলাকার জেলা পুলিশ সুপার এবং উপকমিশনারদের সামগ্রিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রাখতে বলা হয়েছে।
পুলিশ কর্মকর্তারা আরও জানান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আবাসিক হলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক, টুইটার ও ইউটিউব ব্যবহার করে গুজব ছড়িয়ে পরিস্থিতি ঘোলাটে করার চেষ্টা করতে পারে বিভিন্ন মহল। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উসকানিমূলক পোস্ট দিয়ে তারা শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে নামাতে পারে। তাই সামাজিক মাধ্যমগুলোকে নজরদারির জন্য অনলাইন প্যাট্রোলিং ও সাইবার প্যাট্রোলিং করতে বলা হয়েছে।
পুলিশ সদর দপ্তরের একজন কর্মকর্তা জানান, জেলা পুলিশ সুপার বা মেট্রোপলিটন উপকমিশনাররা তাদের আওতাধীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আবাসিক হলগুলোতে প্রয়োজনে ব্লক রেইড অভিযান ও তল্লাশি পরিচালনা করবেন।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) ছাত্র আন্দোলনের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। সেখানকার গোয়েন্দা কার্যক্রম সম্পর্কে জানতে চাইলে রাজশাহী মহানগর পুলিশ (আরএমপি) কমিশনার মো. আনিসুর রহমান বলেন, শুধু আন্দোলনের বিষয়টিই নয়; বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোতে যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে সিটি এসবির পক্ষ থেকে সব সময় গোয়েন্দা নজরদারি থাকে। আমাদের কর্মকর্তারা খোঁজখবর রাখেন এবং আমাদের ওয়াচারসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা আগাম তথ্য নেওয়ার জন্য কাজ করছেন।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলোতে নজরদারির বিষয়ে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের একজন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বলেন, আমাদের সিটি এসবির গোয়েন্দারা বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলো সব সময় নজরদারিতে রাখেন। প্রতিটি হলে আমাদের নিজস্ব ওয়াচার রয়েছে।
পুলিশি সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি সাদ্দাম হোসেন প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, বিএনপি ও জামায়াতসহ অপশক্তি জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে দেশে সন্ত্রাসের একটি প্রেক্ষাপট তৈরি করছে। তারা দেশের মানুষের ভোটাধিকার, নির্বাচিত জনপ্রতিধির মাধ্যমে পরিচালিত সরকার এবং সাংবিধানিক পন্থায় নির্বাচন পরিচালনা করার বিষয়টিকে সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য সৃষ্টির মাধ্যমে চ্যালেঞ্জ করতে চাচ্ছে। সে কারণে স্বাভাবিকভাবেই গণমানুষের মধ্যে এক ধরনের ভীতি বা আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে। অপশক্তির সমর্থিত ছাত্র সংগঠনগুলো রাজনীতির লাইসেন্স নিয়ে কিংবা আন্দোলন ও প্রতিবাদের কথা বলে মানুষ হত্যার রাজনীতি শুরু করতে চাইছে। এ সময় গণমানুষের পক্ষে সকল শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হওয়া প্রয়োজন। আমরা সকল ছাত্র সংগঠন শিক্ষাঙ্গনকে অস্থিতিশীল এবং মানুষের জানমালকে জিম্মি করে সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েমের বিরুদ্ধে তৎপর আছি। আশা করব, আইন প্রয়োগকারী সংস্থাও আগাম তথ্য নেওয়ার মাধ্যমে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি ও সন্ত্রাসের রাজত্ব প্রতিষ্ঠার অপচেষ্টাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে।
জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক আহ্বায়ক মো. রাকিবুল ইসলাম রাকিব বলেন, ‘আমরা দেখেছি আওয়ামী লীগ সরকার ক্যাম্পাসে ছাত্রদের যৌক্তিক আন্দোলনকে বন্ধ করার লক্ষ্যে বারবার পুলিশসহ আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে ব্যবহার করেছে। পুলিশ বিভিন্ন সময় আমাদের শান্তিপূর্ণ মিছিলসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালনে বাধা দিচ্ছে। আমাদের সংগঠনের নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার করছে; ধরে নিয়ে গুম করছে। মিথ্যা মামলা, গায়েবি মামলা দিয়ে হয়রানি করছে। অথচ গণতান্ত্রিক একটি দেশে সেটা হওয়ার কথা নয়। আমরা চাই ছাত্রদের যেকোনো যৌক্তিক আন্দোলন মেনে নেওয়া হোক। কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচির পাশাপাশি জাতীয়বাদী ছাত্রদল গণমানুষের ভোটাধিকার প্রয়োগের ক্ষমতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্যাম্পাসে কর্মসূচি পালন করবে এবং করছে। আমরা সন্ত্রাসমুক্ত ক্যাম্পাস চাই। ক্যাম্পাসে বা বিশ্ববিদ্যালয়ে আবাসিক হলে পুলিশি অপতৎপতা বা গোয়েন্দা নজরদারির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। আমরা চাই পুলিশ প্রশাসন নিরপেক্ষ থেকে তাদের দায়িত্ব পালন করুক।’
ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি দীপক শীল প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, ‘অতীতে আমরা দেখেছি, স্বাধীনতার পর যারাই ক্ষমতায় এসেছে, তারাই পুলিশ প্রশাসনকে ব্যবহার করে ছাত্র আন্দোলন বন্ধ করার চেষ্টা করেছে। আওয়ামী লীগ, বিএনপি বা স্বৈরাচার এরশাদ- যখন যারা ক্ষমতায় থেকেছে, তারাই পুলিশসহ আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে ব্যবহার করে ছাত্রদের যৌক্তিক আন্দোলন বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করেছে। ডাকসুসহ প্রায় সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্র সংসদের নির্বাচন বন্ধ। এখন বাংলাদেশের রাজনীতিতেও পরিবারতন্ত্র চলছে। একদিকে শেখ পরিবার, অন্যদিকে জিয়া পরিবার। পরিবারকেন্দ্রিক রাজনৈতিক ক্ষমতা ধরে রাখার একটি অপচেষ্টা হিসেবে পুলিশ এ ধরনের নির্দেশনা দিয়েছে। সামনে যেহেতু নির্বাচন, আমরা বারবার বলেছি- আমরা ক্যাম্পাসে সন্ত্রাসের রাজনীতি বন্ধ চাই, অস্ত্রের ঝনঝনানি বন্ধ চাই। আমরা হল দখল ও সিটবাণিজ্য বন্ধ চাই। কিন্তু এগুলো করা হচ্ছে না। উল্টো সুস্থ রাজনৈতিক পরিবেশ যাতে বজায় না থাকে, সেজন্য ক্ষমতাসীন দল তাদের ছাত্র সংগঠনের পাশাপাশি পুলিশকেও ব্যবহার করছে। আমরা পুলিশ প্রশাসন ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে অনুরোধ জানাব, ক্যাম্পাসে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বন্ধ হোক, ছাত্ররাজনীতি উন্মুক্ত হোক, ক্যাম্পাসে গণতান্ত্রিক পরিবেশ বজায় থাকুক।’