× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

ঈদের আগেই মসলার বাজার অস্থির

প্রবা প্রতিবেদক

প্রকাশ : ২৭ জুন ২০২৩ ১১:৩৪ এএম

রাজধানীর কারওয়ান বাজারে বিভিন্ন পদের মসলার পসরা সাজিয়েছেন দোকানিরা। প্রবা ফটো

রাজধানীর কারওয়ান বাজারে বিভিন্ন পদের মসলার পসরা সাজিয়েছেন দোকানিরা। প্রবা ফটো

কয়েক দিন পরেই ঈদুল আজহা। আর এই উৎসবকে কেন্দ্র করে আলোচনার তুঙ্গে থাকে গবাদিপশুর দামের পাশাপাশি মসলার বাজার। প্রতিবছরের মতো এবারও উত্তাপ ছড়াচ্ছে মসলার বাজার। 

পরিসংখ্যান বলছে, মাংস রান্নার অন্যতম অনুষঙ্গ মসলার দাম গত এক বছরের ব্যবধানে মানভেদে বেড়েছে ৫০ থেকে ২৫০ শতাংশের বেশি। একইভাবে বেসামাল রয়েছে চিনির বাজারও। এক বছরের ব্যবধানে এ পণ্যটির দাম বেড়েছে ৬৭ শতাংশ পর্যন্ত।

গতকাল সোমবার রাজধানীর কারওয়ান বাজার, মোহাম্মদপুর টাউন হল কাঁচাবাজার, শ্যামলী কাঁচাবাজার ও যাত্রাবাড়ীর শনির আখড়া কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা যায়, ঈদকে কেন্দ্র করে কয়েক দিনের ব্যবধানে বাড়ছে মসলার দাম। সবচেয়ে বেশি চড়া হচ্ছে জিরার বাজার। পণ্যটির দাম গত দুই দিনের ব্যবধানে কেজিতে বেড়েছে ১০০ থেকে ১৫০ টাকা পর্যন্ত। দুই দিন আগেও প্রতি কেজি জিরা ৮০০ থেকে ৮৫০ টাকা দরে বিক্রি হলেও এখন তা বিক্রি হচ্ছে ৯০০ থেকে ১ হাজার টাকা পর্যন্ত। যা স্পষ্ট ফুটে উঠেছে সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ-টিসিবির তথ্যেও। 

টিসিবির নিয়মিত বাজার হালনাগাদ তথ্য বলছে, জিরার দাম মাসের ব্যবধানে বেড়েছে সাড়ে ১৯ শতাংশ, যা এক বছরের ব্যবধানে বেড়েছে ১৩৫ শতাংশ। অর্থাৎ এক বছর আগে প্রতি কেজি জিরার সর্বোচ্চ দাম ছিল ৪৫০ টাকা। বর্তমানে যার দাম উঠেছে ১ হাজার টাকায়।

একইভাবে দারুচিনির দাম এক মাসের ব্যবধানে বেড়েছে ১ শতাংশের ওপরে। যা এক বছরের ব্যবধানে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪ শতাংশে। এ ছাড়া লবঙ্গের দাম এক বছর আগেও ১ হাজার ৫০ টাকা থেকে বেড়ে ১ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হলেও বর্তমানে তা বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৫০০ টাকা থেকে ১ হাজার ৬০০ টাকায়। 

একই সঙ্গে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৬৫ থেকে ৭০ টাকা দরে। যা এক বছর আগেও বিক্রি হয়েছে ৪৫ থেকে ৫০ টাকায়। আর আমদানিকৃত আদার দাম এক বছরের ব্যবধানে বেড়েছে ২৮১ শতাংশ। বর্তমানে পণ্যটি বিক্রি হচ্ছে ৩০০ টাকার বেশি দরে।

বিক্রেতাদের দাবি মসলার আমদানি কিছুটা কম থাকায় দামের এই ঊর্ধ্বমুখিতা। সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলেই কমবে দাম। এ বিষয়ে রাজধানীর শ্যামলী কাঁচাবাজারের বিক্রেতা কাওসার মিয়া বলেন, ‘ডলার সংকটে মসলা আমদানি কম হচ্ছে। এতে সরবরাহ কমের কারণে বাড়ছে মসলার দাম। সবচেয়ে বেশি হারে বাড়ছে জিরার দাম।’

মসলার চড়া দাম নিয়ে বেশ ক্ষুব্ধ ক্রেতারাও। এ বিষয়ে কারওয়ান বাজারের ক্রেতা রাব্বি হোসেন বলেন, ‘সব জিনিসের দাম বাড়ছে। দাম কমার বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ থাকা উচিত। এখন কোরবানি উপলক্ষে বাড়ছে মসলার দামও। যা কোনোভাবেই কাম্য নয়।’

এদিকে ঈদ ঘনিয়ে আসায় অস্থির হয়ে ওঠে চিনির বাজার। খোলা চিনি বিক্রি হচ্ছে নির্ধারিত দামের চেয়ে ২০ টাকা বেশি দরে। প্রতি কেজি চিনি বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকা দরে। খুচরা দোকানগুলোতে পাওয়াই যাচ্ছে না প্যাকেটজাত চিনি। তবে দুয়েকটি দোকানে পাওয়া গেলেও তা বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকায়। 

চিনির চড়া দাম নিয়ে মোহাম্মদপুর টাউন হল কাঁচাবাজারের বিক্রেতা আলমগীর হোসেন বলেন, ‘বাজারে চিনি কম। তাই কেনা পড়ছে বেশি দামে। বিক্রিও হচ্ছেও বেশি দামে। কম দামে চিনি পেলে আমাদেরই সুবিধা, বেচাকেনা ভালো হয়।’

এদিকে ঝাল বেড়েছে কাঁচামরিচের। বৃষ্টিপাতের অজুহাতে সরবরাহ কম থাকায় পণ্যটি বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ২২০ টাকা দরে। যার দাম গত সপ্তাহে ছিল ১০০ থেকে ১৫০ টাকার মধ্যে। 

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা