× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ জাতীয় রাজনীতি সারা দেশ আন্তর্জাতিক অর্থনীতি খেলা বিনোদন মতামত চাকরি-ক্যারিয়ার শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

মূল ভিত্তি হবে জুলাই সনদ ও নির্বাচনি ইশতেহার

আসাদুজ্জামান সম্রাট

প্রকাশ : ৭ ঘণ্টা আগে

বিরোধী দল ছাড়াই জাতীয় সংসদে সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটি গঠন করতে হলো সরকারকে। গ্রাফিক্স: প্রতিদিনের বাংলাদেশ

বিরোধী দল ছাড়াই জাতীয় সংসদে সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটি গঠন করতে হলো সরকারকে। গ্রাফিক্স: প্রতিদিনের বাংলাদেশ

শেষ পর্যন্ত বিরোধী দল ছাড়াই জাতীয় সংসদে সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটি গঠন করতে হলো সরকারকে।

তবে বিরোধী জোট এই কমিটিতে তাদের সদস্য প্রতিনিধি না দিলেও ২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের উদ্দীপনায় প্রণীত জুলাই জাতীয় সনদের আলোকেই সংবিধান সংশোধন করা হবে বলে জানিয়েছে সরকারি দল।

এতে বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহারে প্রতিশ্রুত ৩৫টি সাংবিধানিক সংস্কারের বিষয়ও যুক্ত হবে।

কিন্তু জুলাই সনদ ও বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারের মধ্যে সাংঘর্ষিক ইস্যুতে দলের ইশতেহারকেই প্রাধান্য দেওয়া হতে পারে বলে জানিয়েছে সরকারের নীতিনির্ধারক সূত্র।

অবশ্য রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, জুলাই সনদ ও বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহারের মধ্যে পার্থক্য খুব অল্প।

২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের পর রাজনৈতিক দলসমূহের সংলাপের মাধ্যমে রাষ্ট্র সংস্কারের জন্য সর্বসম্মতভাবে ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ ঘোষণা করা হয়।

নবগঠিত এনসিপি প্রথমে এই সনদে স্বাক্ষর না করলেও পরে করে। গত ১২ ফেব্রুয়ারির সংসদ নির্বাচনে বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোট জয়লাভ করে।

গণভোটে ৬৮.২৬% ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়ে। নির্বাচনের পর বিজয়ী সংসদ সদস্যদের জন্য দুটি শপথ গ্রহণের ব্যবস্থা রাখা হয়।

একটি সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ এবং অন্যটি গণভোটের ফলাফলের আলোকে সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ।

কিন্তু জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন জোটের সদস্যরা দুটি শপথ গ্রহণ করলেও বিএনপি সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেয়নি।

বিদ্যমান সংবিধানে ‘সংবিধান সংশোধন পরিষদে’র অস্তিত্ব না থাকায় বিএনপি শপথ নিতে অস্বীকার জানায়। পরে জাতীয় ‘গণভোট’ সম্পর্কিত অধ্যাদেশও বাতিল হয়ে যায় বিল আকারে এনে সংসদে পাস না করায়।

তবে বিরোধী দল জামায়াত-এনসিপি জোট শুরু থেকেই ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’ গঠনের দাবি জানিয়ে আসছিল।

আর এ কারণে তারা সংসদের প্রথম অধিবেশনে সরকারি দলের প্রস্তাবিত ‘সংবিধান সংশোধন কমিটি’তে পাঁচজনের নাম দেয়নি।

জাতীয় সংসদে চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি সোমবার বিরোধী দলের অসহযোগিতার কথা উল্লেখ করে ১২ সদস্যের বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করলে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়। এর প্রতিবাদে বিরোধী জোট সংসদ থেকে ওয়াকআউট করে।

তার আগে বিরোধী দলের নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “আমরা সংবিধান সংশোধন কমিটিতে সদস্যদের নাম দেবÑ এ কথা কখনও বলিনি। আমরা চাই সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠিত হোক। সেখানেই সংবিধান সংশোধন করা হোক।”

কমিটিকে সহায়তার জন্য সাচিবিক দল

সংসদ সচিবালয় সূত্র জানিয়েছে, সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটি গঠন করার প্রেক্ষিতে এর প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করা হয়েছে এবং শিগগিরই এই কমিটিকে সহায়তার জন্য সাচিবিক দল গঠন করা হবে। সংসদীয় কমিটির কাজের সুবিধার্থে আলাদা অফিস দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

সংবিধানের অষ্টাদশ সংশোধনী জাতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ এবং সংসদীয় শাসন ব্যবস্থায় নতুন মাইলফলক যুক্ত হবে বলে জানিয়েছেন চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি।

তিনি বলেন, “জুলাই জাতীয় সনদ ও বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহারে ভারসাম্য রক্ষা করেই সংবিধান সংশোধন করা হবে।”

সংবিধান সংশোধনে গঠিত বিশেষ কমিটিতে বিরোধী দলের সদস্যদের অংশগ্রহণের বিষয়ে চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি বলেন, “এই কমিটিতে বিরোধী দলের অংশগ্রহণের জন্য দরজা খোলা রয়েছে। তারা যেকোনো সময়ে সদস্যদের নাম দিলে তাদের অন্তর্ভুক্ত করা হবে।”

দেশের সংসদীয় শাসন ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনের এই কাজে বিরোধী দল অংশ নেবে বলে তিনি আশা করেন।

তিনি বলেন, “জুলাই জাতীয় সনদ ও নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়ন করতে গেলে আমাদের আর অপেক্ষার সুযোগ নেই।”

কী আছে বিএনপির ইশতেহারে

বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহারে রাষ্ট্রব্যবস্থায় ভারসাম্য, জবাবদিহিতা ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী করার লক্ষ্যে ৩৫টি সাংবিধানিক সংস্কারের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

এসব প্রস্তাবের মধ্যে রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনের মেয়াদ সর্বোচ্চ দুইবারে সীমিত করা, রাষ্ট্রপতির সাংবিধানিক ক্ষমতা ও ভূমিকা বৃদ্ধি, দ্বিকক্ষবিশিষ্ট জাতীয় সংসদ প্রতিষ্ঠা এবং সংসদীয় স্থায়ী কমিটিগুলোকে আরও কার্যকর ও ক্ষমতাসম্পন্ন করা।

একই সঙ্গে সংসদ সদস্যদের স্বাধীনভাবে মতপ্রকাশের সুযোগ বাড়াতে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ সংস্কারের প্রস্তাবও রয়েছে।

ইশতেহারে নির্বাচন কমিশনের পূর্ণ স্বাধীনতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করা, কমিশনার নিয়োগে স্বচ্ছ ও অংশগ্রহণমূলক ব্যবস্থা চালু করা, বিচার বিভাগের পূর্ণ স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠা, বিচারক নিয়োগে পৃথক জুডিসিয়াল কমিশন গঠন এবং সুপ্রিম কোর্টের প্রশাসনিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করার অঙ্গীকার করা হয়েছে।

এ ছাড়া ইশতেহারে দুর্নীতি দমন কমিশন, সরকারি কর্ম কমিশন, মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়সহ বিভিন্ন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের স্বাধীনতা ও কার্যকারিতা বাড়ানো, ন্যায়পাল নিয়োগ, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন ও তথ্য কমিশনকে আরও শক্তিশালী করার প্রস্তাব রয়েছে।

এতে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানকে অধিক ক্ষমতাসম্পন্ন করা, প্রশাসনিক ও আর্থিক বিকেন্দ্রীকরণ নিশ্চিত করা, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোর জবাবদিহিতা বৃদ্ধি, জরুরি অবস্থা ঘোষণার ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ এবং মৌলিক অধিকার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ও মানবাধিকার সুরক্ষার বিষয়েও সংস্কারের কথা বলা হয়েছে।

এ ছাড়া সংবিধান সংশোধনের ক্ষেত্রে অধিকতর গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া নিশ্চিত করা, সাংবিধানিক পদে নিয়োগে নিরপেক্ষ সার্চ কমিটি বা কমিশন গঠন, প্রশাসনকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জবাবদিহিতা বৃদ্ধি, বিচারবহির্ভূত কর্মকাণ্ড প্রতিরোধ, সংসদের কার্যকারিতা বাড়ানো, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে সুশাসন ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং রাষ্ট্রের বিভিন্ন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে কার্যকর ক্ষমতার ভারসাম্য প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকারও রয়েছে ইশতেহারে।

জুলাই জাতীয় সনদের সঙ্গে পার্থক্য

বিএনপির নির্বাচনি প্রতিশ্রুতির সঙ্গে জুলাই জাতীয় সনদের বেশ কিছু পার্থক্য রয়েছে।

জুলাই জাতীয় সনদে ৪৮টি সংস্কার প্রস্তাব করা হয়েছিল। বিএনপির প্রস্তাব মূলত সংসদীয় শাসনব্যবস্থার বিদ্যমান কাঠামো অক্ষুণ্ন রেখে প্রধানমন্ত্রীর কিছু ক্ষমতা সীমিত করা এবং সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বাধীনতা জোরদারের ওপর গুরুত্ব দিয়েছে।

অন্যদিকে জুলাই জাতীয় সনদ রাষ্ট্রের ক্ষমতা বণ্টনের কাঠামোতেই পরিবর্তনের প্রস্তাব করেছে।

এতে নির্বাহী, আইনসভা ও বিচার বিভাগের মধ্যে আরও কার্যকর ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বাধীনতা এবং স্থানীয় সরকারকে অধিকতর ক্ষমতায়নের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

সবচেয়ে বড় পার্থক্য রয়েছে রাষ্ট্রপতির সাংবিধানিক ভূমিকার ক্ষেত্রে।

বিএনপির ইশতেহারে রাষ্ট্রপতির কিছু ক্ষমতা বাড়ানোর কথা বলা হলেও সংসদীয় সরকার ব্যবস্থার মৌলিক চরিত্র অপরিবর্তিত রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

কিন্তু জুলাই জাতীয় সনদে রাষ্ট্রপতিকে শুধু আনুষ্ঠানিক রাষ্ট্রপ্রধান নয়, বরং রাষ্ট্রের বিভিন্ন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষায় আরও কার্যকর ভূমিকা পালনকারী করে তোলার সুপারিশ করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা সীমিত করার বিষয়ে উভয় প্রস্তাবে মিল থাকলেও এর পরিধিতে পার্থক্য রয়েছে।

বিএনপি প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা কমানোর কথা বলেছে এবং একই ব্যক্তি সর্বোচ্চ দুই মেয়াদের বেশি প্রধানমন্ত্রী হতে পারবেন নাÑ এমন প্রস্তাব দিয়েছে।

জুলাই জাতীয় সনদেও একই মেয়াদসীমার কথা রয়েছে। পাশাপাশি তার নির্বাহী ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষেত্রে আরও শক্তিশালী নিয়ন্ত্রণ ও প্রাতিষ্ঠানিক ভারসাম্যের ব্যবস্থা প্রস্তাব করা হয়েছে।

দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ প্রতিষ্ঠার বিষয়ে উভয় পক্ষ একমত হলেও উচ্চকক্ষের ভূমিকা নিয়ে দৃষ্টিভঙ্গিতে পার্থক্য রয়েছে।

বিএনপির প্রস্তাবে উচ্চকক্ষ গঠনের অঙ্গীকার থাকলেও এর ক্ষমতা ও কার্যপরিধি সম্পর্কে বিস্তারিত ব্যাখ্যা নেই।

জুলাই জাতীয় সনদে উচ্চকক্ষকে আইন প্রণয়ন, সাংবিধানিক নিয়োগ এবং রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত পর্যালোচনার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে কল্পনা করা হয়েছে।

সংবিধান সংশোধনের ক্ষেত্রেও দুই প্রস্তাবের মধ্যে পার্থক্য স্পষ্ট।

বিএনপি অতীতে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতার মাধ্যমে সংবিধানে ব্যাপক পরিবর্তনের পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে সংস্কারের কথা বলেছে।

অন্যদিকে জুলাই জাতীয় সনদে মৌলিক সাংবিধানিক বিষয় পরিবর্তনের ক্ষেত্রে আরও কঠোর প্রক্রিয়া অনুসরণের ধারণা তুলে ধরা হয়েছে; যাতে ভবিষ্যতে কোনো একক রাজনৈতিক শক্তি সহজে সংবিধানের মৌলিক কাঠামো পরিবর্তন করতে না পারে।

নির্বাচন কমিশন, দুর্নীতি দমন কমিশন, সরকারি কর্ম কমিশন ও অন্যান্য সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার প্রশ্নে দুই প্রস্তাবেই মিল রয়েছে।

তবে জুলাই জাতীয় সনদ এসব প্রতিষ্ঠানের নিয়োগ, অপসারণ, আর্থিক স্বাধীনতা এবং কার্যক্রম পরিচালনার জন্য আরও সুস্পষ্ট সাংবিধানিক সুরক্ষা ও কাঠামো প্রস্তাব করেছে।

বিএনপির ইশতেহারে এসব প্রতিষ্ঠানের স্বাধীনতার নীতিগত প্রতিশ্রুতি থাকলেও বাস্তবায়নের সাংবিধানিক পদ্ধতি তুলনামূলকভাবে সংক্ষিপ্ত।

স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার ক্ষেত্রেও পার্থক্য রয়েছে। বিএনপি স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালী করার কথা বলেছে। কিন্তু জুলাই জাতীয় সনদে স্থানীয় সরকারকে কার্যত রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার একটি স্বতন্ত্র স্তম্ভে পরিণত করার লক্ষ্যে প্রশাসনিক, আর্থিক ও নীতিনির্ধারণী ক্ষমতা বিকেন্দ্রীকরণের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

জরুরি অবস্থা ঘোষণার ক্ষমতার ক্ষেত্রেও জুলাই জাতীয় সনদ তুলনামূলক কঠোর অবস্থান নিয়েছে।

এতে নির্বাহী বিভাগের একক সিদ্ধান্তের পরিবর্তে সংসদীয় ও সাংবিধানিক নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা শক্তিশালী করার সুপারিশ রয়েছে।

বিএনপির প্রস্তাবে জরুরি অবস্থার অপব্যবহার রোধের কথা বলা হলেও তা তুলনামূলকভাবে নীতিগত পর্যায়ে সীমাবদ্ধ।

কীভাবে সংশোধন হবে

নির্বাচনে বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোট দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করায় সংবিধানের অষ্টাদশ সংশোধনী পাস করতে দলটিকে কোনো সমস্যার মুখোমুখি হতে হবে না।

কারণ বিদ্যমান সংবিধানে সংবিধান সংশোধন করতে হলে দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের ভোট প্রয়োজন; যা বিএনপি জোটের রয়েছে।

এ কারণে বিরোধী জোট সংসদে না এলে কিংবা সংবিধান সংশোধনের বিপক্ষে ভোট দিলেও তা কোনো কাজে আসবে না।

সংবিধান সংশোধনে গঠিত বিশেষ কমিটি যেসব বিষয়ে সুপারিশ করবে তার আলোকে সংসদে বিল আনা হবে এবং কণ্ঠভোটে তা পাস হবে।

অন্যান্য বিলের ক্ষেত্রে কণ্ঠভোট যথেষ্ট হলেও সংবিধান সংশোধনীর ভোটাভুটিতে বিভক্তি ভোট ও স্বাক্ষর করা বাধ্যতামূলক।

শেয়ার করুন-

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা