× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ জাতীয় রাজনীতি সারা দেশ আন্তর্জাতিক অর্থনীতি খেলা বিনোদন মতামত চাকরি-ক্যারিয়ার শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

ঢাকার ট্রাফিক শৃঙ্খলায় ফিরছে এআই স্পর্শে

তোফাজ্জল হোসেন কামাল

প্রকাশ : ৪ ঘণ্টা আগে

আপডেট : ৪ ঘণ্টা আগে

গ্রাফিক্স: প্রতিদিনের বাংলাদেশ

গ্রাফিক্স: প্রতিদিনের বাংলাদেশ

বেশি দিন হয়নি। মাত্র তিন মাস আগে, চলতি বছরের ৭ মে প্রথম ঢাকার সড়কে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) চালিত স্বয়ংক্রিয় সিগন্যাল ও ক্যামেরা পদ্ধতি চালিত ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় চলাচলের অভিজ্ঞতা হয় নগরবাসীর।

ঢাকার শাহবাগ, কারওয়ানবাজার, বিজয় সরণি ও জাহাঙ্গীর গেটের মতো কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ইন্টারসেকশনে সেদিন প্রাথমিকভাবে শুরু হয় এই ট্রাফিক কার্যক্রম। তারপর থেকেই ঢাকা হয়ে উঠতে থাকে অন্যরকম। যানজট ও বিশৃঙ্খলা এবং যাত্রা বিড়ম্বনায় কর্মঘণ্টা নষ্ট হওয়ার ঘটনায় নাভিশ্বাস ওঠা মহানগরবাসী ফেলতে থাকেন স্বস্তির নিঃশ্বাস।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে আধুনিক প্রযুক্তির এই ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা চালুর বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগ। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানাচ্ছেন, সড়কে শৃঙ্খলা আর জনমনে স্বস্তি ফেরাতে ‘যাদুর কাঠি’ নিয়ে মাঠে নেমেছেন তারা। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) ক্যামেরা দিয়ে নিবিড় নজরদারির মাধ্যমে সড়কে আইনভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কার্যকর ও সহজ পরিবেশ তৈরি হয়েছে। ফলে যানবাহন চলাচলে ফিরছে শৃঙ্খলা। প্রাথমিক অভিজ্ঞতার আলোকে এখন ঢাকা মহানগরের আরও ১২০ পয়েন্টে ১০০০টি ক্যামেরা বসানো হচ্ছে। আগামী ৬ মাসের মধ্যেই এই কাজ শেষ করার ব্যাপারে আশাবাদী ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ।

যান চলাচলের ক্ষেত্রে চরম বিশৃঙ্খল ঢাকার সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে অতীতে নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে সেসবের কোনোটিই কাজে লাগেনি। এবার চালকদের নিয়মের মধ্যে আনতে প্রযুক্তির দ্বারস্থ হয়েছে পুলিশ। এআই ক্যামেরা দিয়ে নজরদারির প্রথম থেকেই বেশিরভাগ সড়কে ফিরেছে শৃঙ্খলা।

জানতে চাইলে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ট্রাফিক) মো. আনিসুর রহমান প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, “বর্তমানে ১৬টি পয়েন্টে (ইন্টারসেকশন) ৩৭টি এআই ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। ক্যামেরা স্থাপনের পর থেকে সড়কে শৃঙ্খলা ফিরতে শুরু করেছে। চালকদের মধ্যেও সচেতনতা এসেছে, পাশাপাশি আইন ভাঙার প্রবণতা কমেছে।” 

তিনি জানান, আগামী ২ থেকে ৩ মাসের মধ্যে ঢাকার ৬০টি পয়েন্টে এআই ক্যামেরা স্থাপনের কাজ শেষ হলেই রাজধানীর বৃহৎ স্পর্শকাতর অংশ নজরদারির মধ্যে আসবে। আগামী ৬ মাসের মধ্যে আরও ৬০টি পয়েন্টে এআই ক্যামেরা স্থাপনের মাধ্যমে মোট ১২০ পয়েন্টে নজরদারি করা সম্ভব হবে। তিনি উল্লেখ করেন, ঢাকার সড়কে ১০০০টি ক্যামেরা স্থাপনের কাজ আগামী ৬ মাস বা ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ করা সম্ভব হবে। এ ছাড়া নগরীর বিভিন্ন পয়েন্টে ৮০টি পয়েন্টে প্যান-টিল্ট-জুম (পিটিজেড) প্রযুক্তির উন্নত নিরাপত্তা ক্যামেরাও স্থাপন করা হয়েছে।

বাংলাদেশে এখনও মূলত ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ হয় এবং মামলা দেওয়া হয়। হাতে লেখা স্লিপ দিয়ে মামলা শুরু হয়েছিল আশির দশকে, এরপর পজ মেশিন ব্যবহার শুরু হয়। দুটি ক্ষেত্রেই ট্রাফিক পুলিশকে সরাসরি উপস্থিত থেকে ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে মামলা দিতে হতো। এখন এআই বেইজড ই-প্রসিকিউশন সিস্টেম চালু হয়েছে। ডিএমপি সূত্রে জানা গেছে, ঢাকার সড়কে প্রতিদিন অন্তত ২০ লাখ যানবাহন চলাচল করে। গাড়ির চুরি রোধেও কাজ করবে এআই ক্যামেরা।

যেভাবে কাজ করছে ক্যামেরা

এআইভিত্তিক ক্যামেরায় সংযোজন করা হয়েছে সড়ক পরিবহন আইন লঙ্ঘন শনাক্ত করার সফটওয়্যার। সফটওয়্যারের নির্দেশনা অনুযায়ী, কোনো গাড়ি আইন লঙ্ঘন করলে সেটিকে শনাক্ত করছে ক্যামেরা। তখন ডিজিটালি মামলা দেওয়া হচ্ছে সংশ্লিষ্ট গাড়িটির মালিকের নামে।

ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন করা গাড়ির নম্বর শনাক্ত করতে এআইভিত্তিক ‘পিটিজেড ক্যামেরা’ ব্যবহার করছে পুলিশ। এটি ‘প্যান-টিল্ট-জুম’ প্রযুক্তির উন্নত নিরাপত্তা ক্যামেরা। এটি ৩৬০ ডিগ্রি ঘুরে ঘুরে ভিডিও ও ছবি ধারণ করতে পারে। এ ক্যামেরা সহজেই কম্পিউটার বা মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। ‘অপটিক্যাল জুমের’ মাধ্যমে অনেক দূর থেকে স্পষ্ট ছবি বা গাড়ির নম্বর প্লেট শনাক্ত করতে পারে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এ ধরনের একেকটি ক্যামেরার দাম ৬০ হাজার টাকার বেশি।

ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, প্রাথমিকভাবে সফটওয়্যারটিতে যে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, তাতে এটি ছয় ধরনের আইন অমান্যের ক্ষেত্র শনাক্ত করতে পারে। নির্দেশনা অনুযায়ী, এসব আইন অমান্য করা যানবাহন শনাক্ত করে নম্বরপ্লেটসহ ছবি তুলে রাখে পিটিজেড এ ক্যামেরা। সেসব ছবি-ভিডিও ডিএমপি সদর দপ্তরের ট্রাফিক টেকনিক্যাল ইউনিটের (টিটিইউ) সার্ভারে জমা হয়।

সফটওয়্যারের সঙ্গে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) সার্ভার যুক্ত করা হয়েছে। ফলে সহজেই আইন লঙ্ঘনকারী যানবাহনের নম্বর দিয়েই মালিকের বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। সার্ভারে জমা হওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে মালিকের নামে মামলা দেওয়া হচ্ছে।

ডিএমপি সদর দপ্তরে গত ২৯ এপ্রিল এ সফটওয়্যার উদ্বোধন করা হয়। এরপর ৩ মে গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে চালক ও গাড়ির মালিকদের ‘ভিডিও ফুটেজের মাধ্যমে ট্রাফিক মামলার’ বিষয়ে সতর্ক করা হয়। ৭ মে থেকে নির্ধারিত মোড়গুলোতে স্বয়ংক্রিয় মামলা কার্যক্রম শুরু করে পুলিশ।

উল্লেখ্য,  ঢাকার গুলশান-১, গুলশান-২, উত্তরা, বিমানবন্দর সড়ক, রামপুরা ট্রাফিক বক্স, মহাখালী, শাহবাগ, হাইকোর্ট ক্রসিং, সচিবালয় সিগন্যাল, কদম ফোয়ারা, মৎস্য ভবন, কাকরাইল মসজিদ ক্রসিং, পুলিশ ভবন, পুরাতন রমনা থানা ক্রসিং, বাংলামোটর, বিজয় সরণি, কারওয়ান বাজার, ফার্মগেট, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণি, লেকরোড, জাহাঙ্গীর গেট, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনের ক্রসিং, সুগন্ধাসহ গুরুত্বপূর্ণ সব পয়েন্টে বসেছে এআই ক্যামেরা।

১০০০ ক্যামেরা বসানোর পরিকল্পনা

ট্রাফিক বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, পুলিশ শুরুতে ঢাকার ১৬টি মোড়ে ৩৭টি এআই ক্যামেরা স্থাপন করে। তবে আগেও ৮০টি ক্যামেরা ছিল, যেগুলো এআই প্রযুক্তিতে নিয়ে আসা হয়েছে। সব মিলিয়ে মোট ১১৭টি ক্যামেরা থেকে ভিডিও চিত্র সংগ্রহ করে এআই দিয়ে বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। ট্রাফিক বিভাগ জানিয়েছে, পর্যায়ক্রমে ঢাকার সব সিগন্যাল বাতির খুঁটিতে এ ধরনের ক্যামেরা বসানো হবে। সংখ্যা দাঁড়াবে মোট এক হাজার।

এআই নজরদারিতে চলছে মামলা-জরিমানা

গত ৭ মে থেকে ঢাকার নির্ধারিত পয়েন্টগুলোতে ভিডিও ফুটেজের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয় ট্রাফিক মামলা কার্যক্রম শুরু করে পুলিশ। এআই ক্যামেরা চালুর পর থেকে গত ৩০ জুন পর্যন্ত প্রায় দুই মাসে দেড় হাজার মামলা করা হয়েছে। ডিএমপি ট্রাফিক বিভাগের দেওয়া এই ‘ডিজিটাল মামলার’ কপি ডাকযোগে পাঠানো হচ্ছে। এর আগে গত ৪ জুন ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ জানান, মে মাসে সড়ক পরিবহন আইন লঙ্ঘনের ঘটনায় মোট ৩৮ হাজার ২৮৪টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্য এআই প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারির মাধ্যমে মে মাসে মোট মামলা হয়েছে ৬৭২টি।

ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) আনিসুর রহমান বলেন, “তদবির নাই। কারণ এখন তো ফোন করতে হলে ক্যামেরাকে করতে হবে। ক্যামেরা তো আপনার ফোনের উত্তর দেবে না। আগে একটা জায়গায় গাড়িটা ধরার সঙ্গে সঙ্গে একটা ফোন চলে আসত”।

তিনি বলেন, “এখন ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় এক অভূতপূর্ব ও দৃশ্যমান উন্নতি সাধিত হয়েছে”।

মোবাইল ফোনে যাচ্ছে মামলার তথ্য

ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন করার ঘটনায় জরিমানা বা মামলার তথ্য এখন মোবাইল ফোনে গাড়ির মালিকের কাছে পাঠানো হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার মো. আনিসুর রহমান। তিনি বলেন, “স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে চালকের আইন ভঙ্গের কয়েক সেকেন্ডের ভিডিও লিংকও পাঠানোর পরিকল্পনাও করা হচ্ছে।”

আনিসুর রহমান বলেন, “আমরা ফুটেজ কালেক্ট করছি। সেটাকে আমরা আবার ম্যানুয়ালি বিশ্লেষণ করছি। বিশ্লেষণের প্রধান কারণ হচ্ছে, আমরা কাজ করতে গিয়ে দেখছি, আমাদের বাস্তব কিছু সমস্যা রয়েছে। যেমনÑ আমাদের নম্বর প্লেটগুলো সঠিক অবস্থায় নাই। কিছু কিছু ভাঙা, কিছু অস্পষ্ট। সরাসরি ভায়োলেশন থেকে মোবাইলে মেসেজ বা নোটিস পাঠালে অনেক ক্ষেত্রে ভুল হতে পারে বা সুষ্ঠু বিচার নাও হতে পারে। তাই এই কাজটা আমাকে ক্যামেরা করে দিলেও ম্যানুয়ালি চেক করা হচ্ছে, যাতে আমাদের কোনো এরর না থাকে। তারপরে প্রসেস করে মামলা দিচ্ছি।”

ডিএমপির এই কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, “যে মামলাগুলো নিশ্চিত করা হচ্ছে সেই গাড়ির বিআরটিএর নিবন্ধিত সেলফোনে বার্তা পাঠানো হচ্ছে এবং একটি অভিযোগের নোটিস তার ঠিকানায় পাঠানো হচ্ছে। অভিযুক্তকে সশরীরে ডিএমপির ট্রাফিক দপ্তরে হাজির হয়ে মামলা নিষ্পত্তি করতে ২০ দিন সময় দেওয়া হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে আপিল করার সুযোগ রয়েছে। ২৫ সেকেন্ডের একটা ভিডিও প্রমাণ হিসেবে রাখা হচ্ছে”।

বাসের বিরুদ্ধে বেশি মামলা

বেশি মামলা বাসের বিরুদ্ধে হচ্ছে জানিয়ে ট্রাফিক বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, এআই ক্যামেরার মাধ্যমে এখন পর্যন্ত হওয়া মামলার প্রায় ৭০ শতাংশই হয়েছে সড়কে বাস থামিয়ে প্রতিবন্ধকতা বা যানজট সৃষ্টি করার অভিযোগে। ২০ শতাংশ মামলা হয়েছে বাম দিকের লেন দখল করে রাখার কারণে। আর বাকি ১০ শতাংশ মামলা হয়েছে উল্টো পথে গাড়ি চালানো, সিগন্যাল অমান্যসহ অন্যান্য অপরাধে। এআই ক্যামেরার মাধ্যমে সবচেয়ে বেশি মামলা হয়েছে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়ে। এরপর রয়েছে জাহাঙ্গীরগেট, বিজয় সরণি ও বাংলামোটর মোড়।

এআই মামলার নামে প্রতারণার ফাঁদ

এআই ক্যামেরায় মামলা শুরুর পর নতুন একধরনের প্রতারণার অভিযোগও সামনে এসেছে। জরিমানার নোটিসের নামে মোবাইল ফোনে ভুয়া মেসেজ পাঠিয়ে টাকা আদায়ের চেষ্টা করছে একটি প্রতারক চক্র। ‘জরিমানা পরিশোধ-সংক্রান্ত চূড়ান্ত বিজ্ঞপ্তি’ শিরোনামের এই ভুয়া মেসেজে জরিমানা নম্বর, তারিখ, অপরাধের ধরন, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জরিমানা পরিশোধ না করলে শাস্তির কথা উল্লেখ করা হচ্ছে। এ ছাড়া জরিমানা পরিশোধের সময়সীমা জানিয়ে একটি লিংকও পাঠানো হচ্ছে। লিংকে প্রবেশ করলে জরিমানার পরিমাণ দেখা যাচ্ছে।

তবে এমন কোনো বার্তা ডিএমপির পক্ষ থেকে পাঠানো হচ্ছে না জানিয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন ট্রাফিক বিভাগের কর্মকর্তারা। গত ২৫ মে এ সংক্রান্ত একটি সতর্কবার্তা জারি করে ডিএমপি। সতর্কবার্তায় ডিএমপি জানিয়েছে, ট্রাফিক আইন অমান্যকারী যানবাহনে মামলা দেওয়া হলে মালিক বা চালকের ঠিকানায় শুধু দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার স্বাক্ষর করা একটি পত্র পাঠানো হচ্ছে।

শেয়ার করুন-

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা