× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ জাতীয় রাজনীতি সারা দেশ আন্তর্জাতিক অর্থনীতি খেলা বিনোদন মতামত চাকরি-ক্যারিয়ার শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

মৈত্রী বাড়ল বাংলা-চীনের

প্রবা প্রতিবেদক

প্রকাশ : ১ ঘণ্টা আগে

আপডেট : ১ ঘণ্টা আগে

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের রাষ্ট্রীয় পরিষদের প্রধানমন্ত্রী (প্রিমিয়ার) লি চিয়াংয়ের মধ্যে অনুষ্ঠিত এক দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শেষে সমঝোতা স্মারকগুলো সই হয়। ছবি: পিএমও

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের রাষ্ট্রীয় পরিষদের প্রধানমন্ত্রী (প্রিমিয়ার) লি চিয়াংয়ের মধ্যে অনুষ্ঠিত এক দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শেষে সমঝোতা স্মারকগুলো সই হয়। ছবি: পিএমও

বাংলাদেশ ও গণচীনের মধ্যে মৈত্রী বাড়ল। আরও জোরালো হলো সহযোগিতার বন্ধন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরে দুই দেশের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়াসহ বহুমাত্রিক সহযোগিতা নিয়ে দেশটির শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এছাড়া বৃহস্পতিবার দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে ১৩টি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়ে বাংলাদেশের সহযোগিতার আহ্বানের বিষয়ে দেশটির পক্ষ থেকে ইতিবাচক আশ্বাস পাওয়া গেছে। একই সঙ্গে রাজনৈতিক সম্পর্ক বৃদ্ধির লক্ষ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও চীনের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে।

এদিকে চীন সফরের শেষ দিন আজ শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশটির প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করবেন। বহুল আলোচিত এ বৈঠককে প্রধানমন্ত্রীর চার দিনের চীন সফরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পর্ব হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই বৈঠক দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতাকে আরও এগিয়ে নেবে বলে আশা করা হচ্ছে। বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক ছাড়াও আঞ্চলিক ও ভূরাজনৈতিক বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে আলোচনা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। স্থানীয় সময় শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টা (বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ৮টা) বেইজিংয়ের ‘গ্রেট হল অব পিপল’ এ বৈঠক হবে। এই বৈঠকের পরই রাষ্ট্রীয় সফর শেষ করে দেশে ফিরে আসবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানে।

১৩টি সমঝোতা স্মারক সাক্ষরিত

বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার কৌশলগত এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে বেইজিংয়ে দুই দেশের মধ্যে ১৩টি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। গতকাল স্থানীয় সময় বিকেলে বেইজিংয়ের ঐতিহাসিক গ্রেট হল অব দ্য পিপলে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের রাষ্ট্রীয় পরিষদের প্রধানমন্ত্রী (প্রিমিয়ার) লি চিয়াংয়ের মধ্যে অনুষ্ঠিত এক দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শেষে এই সমঝোতা স্মারকগুলো সই হয়। সমঝোতা স্মারকে সই করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান, তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনসহ বহুপক্ষীয় অর্থনৈতিক বিষয় অনুবিভাগের মহাপরিচালক এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা।

সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, সমঝোতা স্মারকগুলো মূলত বিনিয়োগ সহযোগিতা, সবুজ উন্নয়ন (গ্রিন ডেভেলপমেন্ট) ও অন্যান্য ক্ষেত্রে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সই করা হয়েছে। এছাড়া বৈঠকে একটি যৌথ কর্মপরিকল্পনা (জয়েন্ট অ্যাকশন প্ল্যান) নিয়েও আলোচনা হয়েছে।

মাহদী আমিন বলেন, আমাদের গ্লোবাল ডেভেলপেন্ট ইনিশিয়েটিভ অর্থাৎ যার অধীনে স্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং দক্ষতা উন্নয়ন সম্পর্কিত বিষয়গুলো রয়েছে, সেগুলো নিয়ে এমওইউ হয়েছে। একই সাথে মানবসম্পদ উন্নয়নে এক পৃথক কো-অপারেশন প্ল্যান সই হয়েছে। বাংলাদেশ থেকে আমাদের জাতীয় ফল কাঁঠালের রপ্তানি বিষয়েও একটা এমওইউ হয়েছে।

তিনি বলেন, টেকনিক্যাল ও ভোকেশনাল এডুকেশনে সহযোগিতায় দুটো পৃথক এমওইউ হয়েছে। গণমাধ্যম খাতে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদার, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং তথ্য আদান-প্রদান বৃদ্ধির লক্ষ্যে চারটি গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির বলেন, দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে চীন সরকার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি তাদের সম্পূর্ণ সমর্থনের কথা জানিয়েছেন। ট্রেড, এডুকেশন, কালচার, বাণিজ্যসহ সকল বিষয়ে চীন বাংলাদেশের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করতে চায়।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গা সমস্যা নিয়েও কথা বলেছেন। এ বিষয়ে চীন বাংলাদেশের পাশে থাকবে বলে আশ্বস্ত করেছে।

চীন বিএনপি সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে জানিয়ে হুমায়ুন কবির বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই সফর শুধু একটি গল্প নয়, বাংলাদেশ ও চীনের সম্পর্কের নতুন শুভ সূচনা।

সংবাদ সম্মেলনের শুরুতে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন বলেন, চীনের মতো একটি বৃহত্তম দেশ প্রধানমন্ত্রীকে যেভাবে সম্মানিত করেছেন, তাতে আমরা মুগ্ধ, সম্মানিত এবং আনন্দিত। আমরা মনে করি, প্রধানমন্ত্রীর সম্মানের সঙ্গে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি আরো উজ্জ্বল হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি উপস্থিত ছিলেন।

তারেক রহমানকে বেইজিংয়ের গ্রেট হলে উষ্ণ অভ্যর্থনা

এর আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বেইজিংয়ের গ্রেট হলে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানিয়েছেন চীনের প্রধানমন্ত্রী লি চিয়াং। গতকাল বিকেলে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন ‘দিয়াওইউতাই’ থেকে মোটর শোভাযাত্রা সহকারে গ্রেট হলে এসে পৌঁছালে চীনের প্রধানমন্ত্রী তাকে স্বাগত জানান। শুভেচ্ছা বিনিময় ও দুদেশের প্রতিনিধিদের সঙ্গে পরিচয় পর্বের পরে প্রধানমন্ত্রীকে লালগালিচা দিয়ে অভিবাদন মঞ্চে নিয়ে যান লি চিয়াং। অভিবাদন মঞ্চে তারেক রহমান ও লি চিয়াংকে সশস্ত্র সালাম দেয় চীনের সশস্ত্র বাহিনীর সুসজ্জিত একটি চৌকস দল। এ সময় দুদেশের জাতীয় সংগীত বাজানো হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিবাদন জানিয়ে তোপধ্বনি দেওয়া হয়। পরে দুই প্রধানমন্ত্রী সশস্ত্র বাহিনীর প্যারেড পরিদর্শন করেন।

বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে আশা চীনা প্রধানমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকে চীনের প্রধানমন্ত্রী লি চিয়াং বলেছেন, বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে কৌশলগত পারস্পরিক আস্থা আরও সুদৃঢ় করতে, বাস্তবভিত্তিক সহযোগিতা সম্প্রসারণ করতে এবং দুই দেশের জনগণের জন্য আরও বেশি কল্যাণ নিশ্চিত করতে চীন প্রস্তুত রয়েছে। তিনি বলেন, চীন ও বাংলাদেশ ঐতিহ্যগত বন্ধুত্বে আবদ্ধ ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী। বাংলাদেশের জাতীয় বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ উন্নয়নপথ অনুসরণ এবং নতুন সরকারের শাসন কার্যক্রমে চীন দৃঢ় সমর্থন অব্যাহত রাখবে। তিনি আরও বলেন, পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও বন্ধুত্বের ভিত্তিতে দুই দেশ কৌশলগত আস্থা আরও গভীর করবে এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা সম্প্রসারণে একযোগে কাজ করবে। এর মাধ্যমে চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ক নতুন ও বৃহত্তর উচ্চতায় পৌঁছাবে এবং উভয় দেশের জনগণ উপকৃত হবে।

তিস্তা ও নদী ব্যবস্থাপনায় চীনের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী

এর আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেন চীনের পানি সম্পদমন্ত্রী লি গুয়িং। বৈঠকে তিস্তাসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন নদীর ব্যবস্থাপনায় দুই দেশের সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে ঐকমত্য হয়। স্থানীয় সময় দুপুর ১২টায় (বাংলাদেশ সময় সকাল ১০টায়) বেইজিংয়ের রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন দিয়াওইউতাই-এ অনুষ্ঠিত বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বন্যার ঝুঁকি মোকাবিলা, পরিবেশ সুরক্ষা এবং পানিসম্পদের যথাযথ ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে বাংলাদেশে চলমান নদী খনন কর্মসূচির কথা উল্লেখ করেন। বাংলাদেশের পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনায় চীন সরকারের কারিগরি ও কৌশলগত সহযোগিতা কামনা করেন তিনি। বিশেষ করে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের আলোচিত ‘তিস্তা ব্যবস্থাপনা প্রকল্প’ বাস্তবায়নে চীনের কারিগরি সহায়তা প্রত্যাশা করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। জবাবে চীনের পানিসম্পদমন্ত্রী লি গুয়িং ইতিবাচক সাড়া দেন এবং পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ সরকারের উদ্যোগে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

বিনিয়োগ কার্যালয় খোলার ঘোষণা

চীনা বিনিয়োগকারীদের জন্য সেবা সহজ করতে শিগগির দেশটিতে (চীন) বাংলাদেশের প্রথম ‘বিনিয়োগ কার্যালয়’ চালু করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বাংলাদেশের বিনিয়োগ সম্ভাবনার বার্তা নিয়ে চীনের বেইজিংয়ে আয়োজিত ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তারেক রহমান এই ঘোষণা দেন। গতকাল স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ১০টায় (বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ৮টা) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন দিয়াওইউতাই-এ বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) আয়োজিত এই সম্মেলনে চীনের ১২৫ জন ব্যবসায়ী অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের বিনিয়োগ সম্ভাবনা ও সুযোগ-সুবিধা তুলে ধরে প্রেজেন্টেশন দেন বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশ ব্যবসার জন্য উন্মুক্ত, ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত। চীনের সঙ্গে আরও গভীর শিল্প ও অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব গড়ে তুলতে আগ্রহী বাংলাদেশ। তিনি চীনা কোম্পানিগুলোকে বাংলাদেশে তাদের বিনিয়োগ ও ভ্যালু চেইন সম্প্রসারণের আহ্বান জানান।

শি জিনপিংয়ের সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক আজ

বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপলে আজ শুক্রবার চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বহুল আলোচিত এ বৈঠককে প্রধানমন্ত্রীর চার দিনের চীন সফরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পর্ব হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই বৈঠক দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতাকে আরও এগিয়ে নেবে বলে আশা করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন গতকাল বেইজিংয়ের সংবাদ সম্মেলনে জানান, স্থানীয় সময় শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টায় (বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ৮টা) এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।

মাহদী আমিন বলেন, সফরের শেষ দিবসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঐতিহাসিক গ্রেট হল অব দ্য পিপলে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করবেন। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী চীনের প্রেসিডেন্টের কাছে বাংলাদেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরবেন। তিনি বলেন, আশা করছি, এসব আলোচনা ইতিবাচক ফল বয়ে আনবে, যা বাংলাদেশের জনগণের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রাকে আরও সুসংহত করবে।

আজ দেশে ফিরবেন প্রধানমন্ত্রী

চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক ছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর আরও কিছু কর্মসূচি রয়েছে শেষ দিনে। এর মধ্যে রয়েছেÑ সকালে গ্রেট হলে ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেসের ন্যাশনাল স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান ঝাও লেজির সঙ্গে সাক্ষাৎ এবং চীনের জাদুঘর পরিদর্শন। এরপর স্থানীয় সময় বিকেল ৫টায় বেইজিং থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা করবেন প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীরা।

সরকার প্রধানের ২৪ জন সফরসঙ্গীর মধ্যে রয়েছেনÑ পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, বেসামরিক বিমান চলাচল প্রতিমন্ত্রী রশিদুজ্জামান মিল্লাত, প্রধানমন্ত্রী উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, এ কে এম শামসুল ইসলাম, রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, মাহ্দী আমিন প্রমুখ।

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে বিএনপি সরকার গঠনের পর তারেক রহমান প্রথম বিদেশ সফর হিসেবে গত ২১ জুন মালয়েশিয়া যান। ওই সফরের আনুষ্ঠানিকতা সেরে সোমবার তিনি পৌঁছান চীনের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় শহর দালিয়ানে। সেখানে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের সম্মেলনে অংশগ্রহণ শেষে বুধবার বিকালে তারেক রহমানের বেইজিংয়ে পৌঁছানোর মধ্য দিয়ে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফর শুরু হয়।

শেয়ার করুন-

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা