× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ জাতীয় রাজনীতি সারা দেশ আন্তর্জাতিক অর্থনীতি খেলা বিনোদন মতামত চাকরি-ক্যারিয়ার শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

হামের প্রকোপে চোখ রাঙাচ্ছে ডেঙ্গুও

হাসনাত শাহীন

প্রকাশ : ০৯ জুন ২০২৬ ১০:২৪ এএম

আপডেট : ০৯ জুন ২০২৬ ১০:২৫ এএম

গ্রাফিক্স: প্রতিদিনের বাংলাদেশ

গ্রাফিক্স: প্রতিদিনের বাংলাদেশ

কোপ্রায় প্রতিদিনই বাড়ছে হামে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা। গত ১৫ মার্চ থেকে গতকাল সকাল ৮টা পর্যন্ত সরকারি হিসাবেই হামে মারা গেছে ৬২৮ শিশু। এরই মধ্যে ধীরে হলেও বাড়ছে এডিস মশাবাহিত রোগ ডেঙ্গু। দেশের ৬৪ জেলার মধ্যে ৫৭ জেলাতে এখন ডেঙ্গু রোগী। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এ বছরের প্রথম পাঁচ মাসে (জানুয়ারির ১ থেকে গতকাল ৮ জুন সকাল ৮টা পর্যন্ত) ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে ৩ হাজার ৭৭৬ জন। আর মারা গেছেন ৬ জন। চলতি বছরের মাসভিত্তিক সংক্রমণের চিত্র বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে- জানুয়ারিতে ১ হাজার ৮১ জন রোগী শনাক্ত হওয়ার পর ফেব্রুয়ারি (৪০৯ জন)-মার্চে (৩৫৩ জন) আক্রান্তের হার কিছুটা কমেছিল। কিন্তু এপ্রিল (৬৪০ জন) ও মে (৭১৪ জন) মাস থেকে তা ফের ঊর্ধ্বমুখী। জুন মাসের প্রথম সাত দিনেই ৫৭৯ জন আক্রান্ত হওয়া ডেঙ্গুর এই ঊর্ধ্বমুখী পরিস্থিতির ভয়াবহতার ইঙ্গিত বহন করছে।

বর্ষা মৌসুম শুরুর আগেই ডেঙ্গুর এ পরিস্থিতি নিয়ে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশে বর্ষা মৌসুমে অর্থাৎ জুন থেকে অক্টোবর পর্যন্ত ডেঙ্গুর প্রকোপ সবচেয়ে বেশি থাকে। কারণ এই সময়ে গরম ও বৃষ্টির কারণে জমে থাকা পানিতে এডিস মশার বংশ দ্রুত বাড়ে। তবে জলবায়ু পরিবর্তনসহ নানা কারণে এবার বর্ষা শুরুর অনেক আগেই থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে, যা এডিস মশার বংশবৃদ্ধির জন্য সহায়ক। 

জনস্বাস্থ্য ও কীটতত্ত্ববিদরা বলছেন, কয়েক বছর ধরে ডেঙ্গুর প্রকৃতি আর নির্দিষ্ট কোনো মৌসুমে সীমাবদ্ধ নেই। বছরের যেকোনো সময় ডেঙ্গু আক্রান্ত হওয়ার শঙ্কা রয়েছে। যদিও স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন ডেঙ্গুর সম্ভাব্য পরিস্থিতি নিয়ে সরকার সজাগ রয়েছে এবং ডেঙ্গু মোকাবিলায় ইতোমধ্যে আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করেছে।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ও কীটতত্ত্ববিদ ড. কবিরুল বাশারের মতে, বৃষ্টির পানি বিভিন্ন জায়গায় জমে এডিস মশার প্রজননের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করে, এটি ঠিক। তবে বৃষ্টি না হলেও ঢাকা শহরে এডিস মশা থাকবে। কারণ হিসেবে তিনি বলেন, বহুতল ভবন। সেখানে পার্কিংয়ের জায়গায় গাড়ি ধোয়া হয়। এই পানি নিষ্কাশন হয় না ঠিকভাবে। কোথাও না কোথাও জমা হয়। এসব জায়গায় এখন প্রচুর এডিস মশা পাওয়া যায়। এছাড়া মানুষ কিন্তু মগ-বালতিতেও জমিয়ে রাখে পানি। এ ছাড়া অপরিকল্পিত নগরায়ণ ও জলবাযু পরিবর্তনের সঙ্গে এডিস মশাও তার অভিযোজন শক্তি বাড়াচ্ছে বলে প্রতিদিনের বাংলাদেশকে জানান ড. কবিরুল বাশার।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গু বিষয়ক প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে দেখা গেছেÑ গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৬৫ জন। এ বছর জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে ঢাকা বিভাগে, ১ হাজার ৩৩৮ জন। এর মধ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে (ডিএসসিসি) ৫২৯ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে (ডিএনসিসি) ৩০৪ জন ও ঢাকার অন্যান্য জেলাতে ডেঙ্গু আক্রান্ত ৫০৫ জন। ঢাকা বিভাগের পরে যথাক্রমে ডেঙ্গু আক্রান্তÑ বরিশাল বিভাগে ৯৩১ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৮২৭ জন, খুলনা বিভাগে ৩৬২ জন, রাজশাহী বিভাগে ১৪০ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ১১২ জন, সিলেট বিভাগে ৩৭ জন ও রংপুর বিভাগে ২৯ জন। এসব বিভাগের মধ্যে সবচেয়ে বেশি রোগী পাওয়া যাচ্ছেÑ বরিশাল, পিরোজপুর, পটুয়াখালী, ভোলা, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, কক্সবাজারসহ কয়েকটি জেলায়। চলতি বছরের শুরু থেকে এ পর্যন্ত যে ছয় জনের মৃত্যু হয়েছে তাদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ৩ জন (ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনে ১ জন করে দুজন ও মানিকগঞ্জ জেলায় ১ জন), বাকি ৩ জনের মধ্যে ১ জন করে খুলনা, চট্টগ্রাম ও রাজশাহী বিভাগের বাসিন্দা। তবে দেশের সাত জেলায় (চুয়াডাঙ্গা, শরীয়তপুর, কুড়িগ্রাম, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড় এবং মৌলভীবাজার) এখন পর্যন্ত কোনো ডেঙ্গু রোগী পাওয়া যায়নি।

ডেঙ্গুর মারাত্মক ঝুঁকিতে ঢাকাসহ ৪ জেলা

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) ল্যাবের গবেষণায় দেখা গেছে, ডেঙ্গুর মারাত্মক ঝুঁকিতে ঢাকাসহ ৪ জেলা। ঝুঁকিতে থাকা অন্য জেলাগুলো বরিশাল, নরসিংদী ও কক্সবাজার। সেখানে ব্রুটো ইনডেক্সে এডিসের লার্ভার ঘনত্ব ৭৬ থেকে ৯৩ পর্যন্ত মিলেছে। গত এক মাস ধরে ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলা থেকে নমুনা সংগ্রহ করে জাবির গবেষণায়Ñ ৪৮ শতাংশ এডিসের লার্ভা মিলেছে ভবনের পার্কিং এবং বেজমেন্টে। ১৬ শতাংশ মিলেছে নির্মাণাধীন ভবনে। এর মধ্যে ঢাকার কিছু এলাকাতে এডিস মশার লার্ভার ঘনত্ব ব্রুটো ইনডেক্সে ৯৩। এ ছাড়া ব্রুটো ইনডেক্সে কক্সবাজার, বরিশাল এবং নরসিংদীতে লার্ভার ঘনত্ব ৭৬ থেকে ৯৩।

এদিকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ‘বর্ষা-পূর্ব এডিস মশার লার্ভা জরিপ’-এর তথ্যও বলছে- এডিসের লার্ভার উপস্থিতি সবচেয়ে বেশি পাওয়া গেছে বহুতল ভবনে (৩৫ দশমিক ২৩ শতাংশ)। আর ডিএসসিসির মোট ৭৫টি ওয়ার্ডের মধ্যে ৬৩টিই ঝুঁকিপূর্ণ। কারণ সেখানে মশার ঘনত্ব নির্দিষ্ট সূচকের চেয়ে বেশি মিলেছে। আর ২৭টি ওয়ার্ড সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ।

অন্যদিকে মশার ঘনত্ব নিয়ে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) সঙ্গে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের গবেষকদের করা যৌথ এক গবেষণায়ও দেখা গেছে, ওইসব এলাকার অধিকাংশ বহুতল ভবনে এডিসের লার্ভার ঘনত্ব অত্যন্ত বেশি, যা ডেঙ্গু সংক্রমণের বড় ঝুঁকিতে ফেলেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্রুটো ইনডেক্স (এডিস মশার লার্ভার ঘনত্ব পরিমাপের সূচক) ২০-এর বেশি হলেই সেটিকে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ধরা হয়। আর ঢাকার দুই সিটির বিভিন্ন ওয়ার্ডে এর চেয়ে দেড় থেকে দ্বিগুণ বেশি লার্ভার ঘনত্ব মিলছে। ফলে বর্তমান পরিস্থিতি জনস্বাস্থ্যের জন্য উদ্বেগজনক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। তবে ভবনের পার্কিং, বেজমেন্ট ও জমিয়ে রাখা পানির ড্রাম ও বালতির দিকে নজর দিলে ৭০ শতাংশ এডিস কমানো সম্ভব বলে জানিয়েছেন গবেষকরা।

ডেঙ্গুর ঝুঁকিতে ডিএসসিসির ৬৩ ওয়ার্ড, চরম ঝুঁকিতে ২৭টি

নগর ভবনে গত বৃহস্পতিবার প্রকাশিত ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ‘বর্ষা-পূর্ব এডিস মশার লার্ভা জরিপ’-এর তথ্য অনুযায়ী, ৭৫টি ওয়ার্ডের মধ্যে ৬৩টিতেই এডিস মশার ঘনত্ব নির্ধারিত সূচকের চেয়ে বেশি পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ২৭টি ওয়ার্ডকে ডেঙ্গুর জন্য ‘চরম ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে বলে জানান ডিএসসিসির প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম। ডিএসসিসি ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার ৩৬ জন কর্মীর মাধ্যমে গত ১২ থেকে ২৩ মে পর্যন্ত জরিপটি পরিচালিত হয়। ডাটা সংগ্রহের নির্ভুলতা নিশ্চিত করতে আধুনিক ‘কোবো টুলবক্স’ ব্যবহৃত হয়। জরিপ শেষে ব্রুটো ইনডেক্স, হাউজ ইনডেক্স, কন্টেইনার ইনডেক্স এবং পিউপা ইনডেক্সের মাধ্যমে ফলাফল প্রকাশ করা হয়, যা ভবিষ্যতে ডেঙ্গুর ‘হটস্পট’ চিহ্নিত করতে সহায়ক হবে। ২ হাজার ২৫০টি বাড়ি থেকে তথ্য সংগৃহীত ওই জরিপে দেখা গেছে, পরিদর্শন করা বাড়িগুলোর মধ্যে ২৮১টিতে এডিস মশার লার্ভা ও পিউপা পাওয়া গেছে। লার্ভার উপস্থিতি সবচেয়ে বেশি পাওয়া গেছে বহুতল ভবনে (৩৫ দশমিক ২৩ শতাংশ)। এরপর রয়েছে স্বতন্ত্র বাড়ি (২৭ দশমিক ৭৬ শতাংশ), নির্মাণাধীন ভবন (১৭ দশমিক ৪৪ শতাংশ) এবং সেমিপাকা বাড়ি (১৪ দশমিক ৫৯ শতাংশ)। এডিস মশার প্রজননস্থল হিসেবে সবচেয়ে বেশি শনাক্ত হয়েছে মেঝেতে জমে থাকা পানি (১২ দশমিক ২৬ শতাংশ)। এ ছাড়া বালতিতে ১০ দশমিক ৩৪ শতাংশ এবং প্লাস্টিকের ড্রামে ৮ দশমিক ৮৯ শতাংশ প্রজননক্ষেত্র পাওয়া গেছে।

ডেঙ্গু মোকাবিলায় সরকারের প্রস্তুতি

গত ২ জুন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন ডেঙ্গু চিকিৎসার ব্যয় কমাতে বেসরকারি হাসপাতালগুলোকে ১০ শতাংশ বেড ফাঁকা রাখা, পরীক্ষায় ৮০ শতাংশ ছাড় এবং চিকিৎসকের ফি না নেওয়ার নির্দেশ দেন। এ ছাড়া ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সরকার সারা দেশে কঠোরভাবে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা, কারও বাসার ছাদ বা আশপাশ অপরিচ্ছন্ন থাকলে এবং সেখানে মশার লার্ভা পাওয়া গেলে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে জরিমানা করার সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথাও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বাড়াতে গত শনিবার (৬ জুন) থেকে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনসহ দেশের সব বিভাগীয় ও জেলা শহরে একযোগে সচেতনতামূলক র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ আয়োজন থেকে মাইকিং, গণসচেতনতামূলক প্রচারণা, উঠান বৈঠক, কমিউনিটি সভা এবং সাংস্কৃতিক উপস্থাপনার মাধ্যমে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসম্পৃক্ততা ও সচেতনতামূলক আন্দোলন বাড়ানো হবে বলেও জানানো হয়, যা আগামী ৩ মাস অব্যাহত থাকবে। তবে এখনই ডেঙ্গুর টিকাতে সরকারের সায় নেই বলেও জানিয়েছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

এদিকে ডিএসসিসি থেকে জানানো হয়েছে, জরিপের ফলাফলের ভিত্তিতে গত ৭ জুন থেকে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ২৭টি ওয়ার্ডে পাঁচ দিনব্যাপী বিশেষ ক্র্যাশ প্রোগ্রাম চালানো শুরু হয়েছে। স্বাস্থ্য ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সমন্বয়ে পরিচালিত এ কর্মসূচি পরবর্তী সপ্তাহে মাঝারি ঝুঁকিতে থাকা আরও ৩৬টি ওয়ার্ডে সম্প্রসারণ করা হবে। ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে গত ৬ জুন ধানমন্ডির রবীন্দ্র সরোবরে একটি সচেতনতামূলক র‌্যালিরও আয়োজন করা হয়। পরে পর্যায়ক্রমে নগরীর অন্যান্য এলাকাতেও একই ধরনের কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে।

তবে সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে অনুজীববিজ্ঞানী ও জনস্বাস্থ্য গবেষক, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মাহবুবুল হাসান সিদ্দিকী বলেছেন, বাংলাদেশে ডেঙ্গু ব্যবস্থাপনায় যারা আছে, যেমন স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, আইইডিসিআর, সিটি করপোরেশনÑ সবার ফোকাস মশার দিকে। শুধু মশাকে টার্গেট করে ডেঙ্গু ব্যবস্থাপনা এলে ভুল টার্গেট। পৃথিবীর কোনো দেশ পুরোপুরি মশা নির্মূল করতে পেরেছে বলে জানা যায়নি। বাংলাদেশের আবহাওয়াই মশার জন্য উপযোগী। মশা সংখ্যায় এত বেশি এবং এত ব্যাপক জায়গায় জন্ম নিচ্ছে যে শুধু মশক ব্যবস্থাপনায় জোর দিয়ে ডেঙ্গু নির্মূল সম্ভব নয়। মশা নিধনের চলমান কার্যক্রমগুলো সবচেয়ে বেশি জোর দিয়ে সেসব জায়গায় পরিচালনা করা উচিত, যেখানে ভাইরাসের অস্তিত্ব আছে। আর এটি করা উচিত ডেঙ্গু মৌসুমের একেবারে শুরুর দিকে, ভাইরাসটি ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ার আগেই।

শেয়ার করুন-

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা