× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

নিরাপত্তা ঝুঁকিতে তারেক রহমান

তানভীর হাসান

প্রকাশ : ৩০ নভেম্বর ২০২৫ ০৯:০০ এএম

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

দেশে ফিরে এলে চরম নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়তে পারেন তারেক রহমান। গুলশানে তার জন্য নির্ধারিত বাসভবনটিও নিরাপদ নয় বলে মনে করছেন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা। রয়েছে চোরাগোপ্তা হামলাসহ স্নাইপার শুটের শিকার হওয়ার আশঙ্কা। এই চরম নিরাপত্তাহীনতার ঝুঁকি সৃষ্টির পেছনে রয়েছে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে সক্রিয় একটি শক্তিশালী রাজনৈতিক দল এবং প্রতিবেশী একটি রাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা। বিএনপিকে নেতৃত্বশূন্য করার লক্ষ্যে এসব চক্র নানা অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এই অপচেষ্টার অংশ হিসেবে তারেক রহমানের ব্যক্তিগত অস্ত্রের লাইসেন্স প্রদান কার্যক্রমও আটকে রাখা হয়েছে। এসব বিষয় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে জানানোও হয়েছে। সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্রের সতর্কতার কারণে মা খালেদা জিয়ার চরম অসুস্থতার মধ্যেও তিনি দেশে ফিরতে পারছেন না। যদিও তিনি নির্ঘুম থেকে সার্বক্ষণিকভাবে চিকিৎসার খোঁজখবর রাখছেন। দায়িত্বশীল বিভিন্ন সূত্র এসব তথ্য জানিয়েছে। তবে এ ব্যাপারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দায়িত্বশীল পর্যায়ের কারও বক্তব্য বারবার চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি।

এরই মধ্যে গতকাল তারেক রহমানের একটি স্ট্যাটাস সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। সেখানে তিনি তিনি মন্তব্য করেছেন যে, ‘সংকটকালে মায়ের স্নেহ-স্পর্শ পাওয়ার তীব্র আকাঙ্ক্ষা যেকোনো সন্তানের মতো আমারও রয়েছে।’ পাশাপাশি তিনি বলেছেন, তবে এখনই দেশে ফেরার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ তার জন্য ‘অবারিত ও একক নিয়ন্ত্রণাধীন নয়’। এ স্ট্যাটাসকে কেন্দ্র করে আলোচনা এখনও অব্যাহত রয়েছে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের দেশে ফিরতে সমস্যা কোথায়, তা নিয়ে চলছে সাইবার যুদ্ধ। 

যা বলছেন বিশেষজ্ঞরা

এদিকে অপরাধ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তারেক রহমানের স্ট্যাটাসে সরকারের ওপর তার আস্থার ঘাটতির বিষয়টি প্রকাশ পেয়েছে। এ কারণে দ্রুত সেই আস্থাহীনতা দূর করে তার দেশে ফেরার পথ সুগম করে দেওয়া সরকারেরই দায়িত্ব। এদিকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফেরার ব্যাপারে সরকারের কোনো বিধিনিষেধ নেই বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। গতকাল শনিবার বিকালে প্রেস সচিব তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ কথা জানান।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল‍্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক এবং সমাজ ও অপরাধ বিশেষজ্ঞ ড. তৌহিদুল হক প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, ‘আমাদের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার বর্তমান অবস্থায় চিকিৎসকদের বা রাষ্ট্রের দেওয়া বক্তব্যে স্পষ্ট বোঝা গেছে, তিনি আসলে খুব একটা ভালো অবস্থায় নেই। এ ধরনের পরিস্থিতিতে অনেক কিছুই আইনগত বাধা-নিষেধেরে ঊর্ধ্বে থেকে বিবেচনা করতে হয়। তবে আমাদের বিশ্বাসের জায়গাটি দীর্ঘদিন ধরেই নানাভাবে অবিশ্বাসের রূপ নিয়েছে। রাজনৈতিকভাবে দমন বা নিয়ন্ত্রণে রাখার কারণে বা দমন-নিয়ন্ত্রণের সূত্রে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশের বাইরে আছেন। তিনি ইতোমধ্যেই বলেছেন, দেশে আসার বিষয়টি তার একার সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করে না। তার বিরুদ্ধে আগে যে মিথ্যা মামলাগুলো ছিল, সেগুলো এখন আর নেই। সে ক্ষেত্রে আইনগত বাধা না থাকলে অন্য কোনো বাধা যদি থেকে থাকে, সরকার সেগুলোর সমাধান দ্রুত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করে আস্থা-অনাস্থার বিষয়টির সমাধা করতে পারে। শুনেছি, সেটি করতে সরকারের সদিচ্ছাও রয়েছে। যদিও তারেক রহমানের বক্তব্যের সঙ্গে উপরোক্ত ভাষ্যের অমিল পাওয়া যাচ্ছে। এতদিন ধরে মানুষ যা-ই মনে করুক না কেন, গতকাল তারেক রহমানের দেওয়া বক্তব্যে পরিষ্কার, তার আসাটা শুধু তার ওপরই নির্ভর করছে না। যতক্ষণ পর্যন্ত সরকার সবুজ সংকেত না দেয়, ততক্ষণ তার আসা বাস্তবসম্মত হবে না।’ 

তিনি বলেন, ‘সবকিছুর ঊর্ধ্বে খালেদা জিয়ার একটি পজিটিভ ইমেজ রয়েছে। আর সে কারণেও রাজনীতিতে একটা অনুকূল পরিবেশ তৈরি করা উচিত।’ 

প্রসঙ্গত, ৫ আগস্টের পর থেকেই বিএনপির নেতাকর্মীসহ দেশবাসী তারেক রহমানের অধীর অপেক্ষায় রয়েছেন। তারা চাইছেন দ্রুত দেশে ফিরে তারেক রহমান সরাসরি দলের হাল ধরবেন। এমন প্রেক্ষাপটে বিএনপির এই শীর্ষ নেতার প্রত্যাবর্তনের বিষয়ে আগেভাগেই গোয়েন্দা তৎপরতা চালানো হয়। একপর্যায়ে দেখা যায়, তারেক রহমানের দেশে ফেরা ঠেকাতে একটি দল ও প্রতিবেশী রাষ্ট্রের একটি গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা তৎপর রয়েছে। ওই চক্রটি বিএনপিকে নেতৃত্বশূন্য করতে চাইছে। এ কারণে গুলশানের ১৯৬ নং বাসভবনকেও নিরাপদ মনে করছেন না গোয়েন্দারা। কারণ ওই বাসভবনের দুপাশে উঁচু ভবন রয়েছে। যেখান থেকে দূর নিয়ন্ত্রিত স্নাইপার রাইফেল দিয়ে শুট করা সম্ভব। জনসভা এবং পথসভায়ও তার ওপর হামলা হতে পারে বলে গোয়েন্দারা জানিয়েছেন। এ কারণে দেশের বাইরে থেকেই পুরো পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছেন বিএনপির এই শীর্ষ নেতা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে পুলিশের গোপন শাখার একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘সব সময়ই বড় রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাদের নিরাপত্তা ঝুঁকি থাকে। সে অনুযায়ী গোয়েন্দারা তাদের সতর্ক করে এবং ব্যবস্থাও নেয়। তারেক রহমানের বিষয়ে একটি রাজনৈতিক দল ও পাশের একটি গোয়েন্দা সংস্থার অপতৎপরতা দেখা গেছে। বিষয়টি তাকে জানানো হয়েছে। সেখানো কোনো ধরনের ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে তাও জানানো হয়েছে। বিষয়টি তিনি গুরুত্বসহকারে নিয়েছেন। এ বিষয়ে তিনি গোয়েন্দা সংস্থার ঊর্ধ্বতন একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে কথাও বলেছেন। এর মাঝে খালেদা জিয়ার কোনো ধরনের দুর্ঘটনা না ঘটলে ধারণা করা হচ্ছে, নির্বাচনের ৩-৪ দিন আগে তিনি দেশে ফিরবেন।’

তিনি বলেন, ‘গতকাল তারেক রহমানের স্ট্যাটাসের পর নড়েচড়ে বসে সরকার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। মামলা না থাকার পরও তার দেশে ফিরতে বাধা কোথায়, তা নিয়ে গোপন বৈঠকও হয়। সেখানে একটি রাজনৈতিক দল ও একটি প্রতিবেশী রাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থার অপতৎপরতার বিষয়টি সামনে আসে। কয়েক মাস আগেই একটি গোয়েন্দা সংস্থা এ ব্যাপারে সরকারকে সতর্ক করলেও তা এতদিন ফাইলচাপা ছিল। এ বিষয়ে পরবর্তী করণীয় ঠিক করতে আবারও বৈঠকের কথা রয়েছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দক্ষিণ এশিয়া এক অস্থির রাজনৈতিক ভূখণ্ড, যেখানে জাতীয় নেতাদের হত্যাকাণ্ড বা হত্যাচেষ্টার ঘটনা বারবার ঘটেছে। ১৯৪৮ সালে ভারতে মহাত্মা গান্ধী হত্যাকাণ্ড থেকে শুরু করে ইন্দিরা গান্ধী, রাজীব গান্ধী, পাকিস্তানে লিয়াকত আলী খান ও বেনজীর ভুট্টো হত্যাকাণ্ড, ইমরান খানকে হত্যাচেষ্টা, নেপালে রাজা বীরেন্দ্র, শ্রীলঙ্কায় সলোমন বন্দরনায়েক, রণসিংহে প্রেমাদাসা হত্যাকাণ্ড, আফগানিস্তানে মোহাম্মাদ দাউদ খান, নুর মোহাম্মদ তারাকি, মোহাম্মদ নাজিবুল্লাহ, বুরহানুদ্দিন রাব্বানি হত্যাকাণ্ডÑ এই তালিকা দীর্ঘ। এমন প্রেক্ষাপট তারেক রহমানের নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে। কেননা, বিশেষত নির্বাচন ও অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের সময়ে রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক পরিস্থিতি ও সহিংসতা আরও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।

এমন পরিস্থিতিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দুটি বুলেটপ্রুফ গাড়ি কেনার অনুমতি দিয়েছে। একটি তারেক রহমানের নিজের ব্যবহারের জন্য, অন্যটি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জন্য। এ ছাড়া আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারের অনুমতির জন্যও বিএনপি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেছে। এতে একটি শটগান ও দুটি পিস্তলের লাইসেন্স চাওয়া হয়েছে। যদিও এখনও অনুমোদন মেলেনি, তবে নিরাপত্তা-সংক্রান্ত এসব উদ্যোগে সরকারের সহায়তাকে ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন দলীয় নেতারা।

প্রসঙ্গত, ২০০৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর ওয়ান-ইলেভেন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় চিকিৎসার জন্য স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমান ও মেয়ে জায়মা রহমানকে নিয়ে লন্ডনে যান তারেক রহমান। এরপর থেকে তিনি সেখানেই অবস্থান করছেন। তবে দূরত্ব কখনোই তাকে রাজনীতি থেকে বিচ্ছিন্ন করতে পারেনিÑ লন্ডন থেকেই তিনি বিএনপির কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন এবং এখন প্রস্তুত হচ্ছেন দেশে ফিরে সরাসরি নেতৃত্ব দিতে।

তারেক রহমানের স্ট্যাটাস : ‘সংকটকালে মায়ের স্নেহ-স্পর্শ পাওয়ার তীব্র আকাঙ্ক্ষা যেকোনো সন্তানের মতো আমারও রয়েছে’ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। গতকাল শনিবার বাংলাদেশ সময় সকাল পৌনে ৯টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তারেক রহমান এ কথা বলেন। অনেকেই মনে করছেন, মায়ের শারীরিক অবস্থা বিবেচনা করে দ্রুত তিনি দেশে ফিরতে পারেন।

গতকাল সকালে তারেক রহমান তার অসুস্থ মায়ের জন্য দোয়া করা অব্যাহত রাখতে সবার প্রতি আহ্বান জানিয়ে ফেসবুকে যে পোস্ট দেন, তা পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে ধরা হলোÑ

‘বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া গুরুতর অসুস্থ ও সংকটাপন্ন অবস্থায় হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যায় রয়েছেন। তার রোগমুক্তির জন্য দলমত-নির্বিশেষে দেশের সকল স্তরের নাগরিক আন্তরিকভাবে দোয়া অব্যাহত রেখেছেন। মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা তার রোগমুক্তির জন্য দোয়ার সাথে সাথে চিকিৎসার সর্বতো সহায়তার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন।’

‘দেশ-বিদেশের চিকিৎসক দল বরাবরের মতো তাদের উচ্চমানের পেশাদারত্ব ছাড়াও সর্বোচ্চ আন্তরিক সেবা প্রদান অব্যাহত রেখেছেন। বন্ধুপ্রতিম একাধিক রাষ্ট্রের পক্ষ থেকেও উন্নত চিকিৎসাসহ সম্ভাব্য সকল প্রকার সহযোগিতার আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করা হয়েছে।

‘সর্বজন শ্রদ্ধেয় বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি সকলের আন্তরিক দোয়া ও ভালোবাসা প্রদর্শন করায় জিয়া পরিবারের পক্ষ থেকে সকলের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও গভীর কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। একই সাথে বেগম খালেদা জিয়ার আশু রোগমুক্তির জন্য সকলের প্রতি দোয়া অব্যাহত রাখার ঐকান্তিক অনুরোধ জানাচ্ছি।’

‘এমন সংকটকালে মায়ের স্নেহ-স্পর্শ পাবার তীব্র আকাঙ্ক্ষা যেকোনো সন্তানের মতো আমারও রয়েছে। কিন্তু অন্য আর সকলের মতো এটা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে আমার একক সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ অবারিত ও একক নিয়ন্ত্রণাধীন নয়। স্পর্শকাতর এই বিষয়টি বিস্তারিত বর্ণনার অবকাশও সীমিত। রাজনৈতিক বাস্তবতার এই পরিস্থিতি প্রত্যাশিত পর্যায়ে উপনীত হওয়ামাত্রই স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে আমার সুদীর্ঘ উদ্বিগ্ন প্রতীক্ষার অবসান ঘটবে বলেই আমাদের পরিবার আশাবাদী।’

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা