× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

সাক্ষাৎকার : আমীর হুমায়ুন মাহমুদ চৌধুরী

বন্দরের স্বার্থে কাস্টমসকে গতিশীল করতে হবে

হুমায়ুন মাসুদ

প্রকাশ : ০৩ ডিসেম্বর ২০২৫ ১৪:০৯ পিএম

চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সাবেক সভাপতি আমীর হুমায়ুন মাহমুদ চৌধুরী

চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সাবেক সভাপতি আমীর হুমায়ুন মাহমুদ চৌধুরী

প্রতিবছর দেশে বাড়ছে আমদানি-রপ্তানির পরিমাণ। আমদানি-রপ্তানি বৃদ্ধির কারণে অপরিহার্য হয়ে উঠেছে বন্দরের সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়ন। এই প্রেক্ষাপটে ভবিষ্যতের বন্দর কেমন হওয়া উচিত, তা নিয়ে প্রতিদিনের বাংলাদেশের সঙ্গে কথা বলেছেন চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সাবেক সভাপতি আমীর হুমায়ুন মাহমুদ চৌধুরী। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন হুমায়ুন মাসুদ

প্রশ্ন : দেশের অর্থনীতিকে গতিশীল করতে হলে বন্দর ব্যবস্থাপনা কেমন হওয়া উচিত?

উত্তর : আধুনিক বন্দরগুলোতে জাহাজ এসে বার্থিং নিয়ে পণ্য খালাস করে আবার পণ্য লোড করে ফিরে যেতে পারে ২৪ ঘণ্টা থেকে সর্বোচ্চ ৪৮ ঘণ্টা সময়ের মধ্যে। অথচ আমাদের বন্দরে লাগে ৫ থেকে ৬ দিন। দেশের অর্থনীতিকে গতিশীল করতে হলে জাহাজের এই টার্ন অ্যারাউন্ড টাইম কমিয়ে আনতে হবে। একটি জাহাজ পণ্য নিয়ে বন্দরে আসার পর যাতে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে খালাস করে রপ্তানিপণ্য নিয়ে চলে যেতে পারে সেটি নিশ্চিত করতে হবে।

প্রশ্ন : বলা হচ্ছে বিদেশি অপারেটর নিয়োগে বন্দরের সক্ষমতা বাড়বে। আপনি কী মনে করেন?

উত্তর : আমাদের এখানে কন্টেইনার হ্যান্ডলিং বাড়ছে। ৭-৮ লাখ একক থেকে এখন ৩২ লাখ এককে গিয়ে ঠেকেছে। প্রতিবছর আমাদের আমদানি-রপ্তানি বাড়ছে। তাই সামনে কন্টেইনার হ্যান্ডলিংও বাড়বে। সে অনুযায়ী আমাদের বন্দরের সক্ষমতা না বাড়লে আমরা পিছিয়ে পড়ব। শুধুমাত্র বন্দরের লিড টাইম কমিয়ে আনতে পারলেই আমাদের এখানে অনেক বিদেশি বিনিয়োগ আসবে। বন্দরের সক্ষমতা বাড়াতে হলে বন্দরকেন্দ্রিক অনেক বিনিয়োগ দরকার। যেটি বন্দরের একার পক্ষে সম্ভব না। তাই বন্দরের সক্ষমতা বাড়ানোর জন্য বিনিয়োগের প্রয়োজন আছে। তবে সেটি যাতে দেশের স্বার্থ জলাঞ্জলি দিয়ে না হয়, সেদিকেও দৃষ্টি রাখতে হবে।

প্রশ্ন : কাস্টমসের কারণে অনেক সময় আমদানি-রপ্তানি ব্যাহত হয়। বন্দরকে গতিশীল করতে কাস্টমসের কার্যক্রম কেমন হওয়া উচিত? 

উত্তর : আমদানি-রপ্তানির ধীরগতির পেছনে আমাদের এখানে বড় সমস্যা হচ্ছে কাস্টমসের কার্যক্রম। ডিজি কার্গোর নয়টি ক্লাসিফিকেশন আছে, ওইসব শ্রেণিতে পড়লেই বড় বন্দরগুলো পণ্যের চালানকে ডিজি কার্গো হিসেবে ট্রিট করে। আমাদের এখানে এই নিয়মটা খুব একটা নেই। না থাকার কারণে একজন এপ্রেইজার যদি বলে এখানে ডিজি কার্গো থাকতে পারে, এটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা দরকার, তখনই কার্গো আটকে যায়। কাস্টমসের কাজ শেষ না হওয়ার কারণে কন্টেইনারের শিপমেন্টেও দেরি হয়। তাই বন্দরের সক্ষমতা বাড়াতে হলে কাস্টমসের কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে হবে। যাতে কাস্টমসের কারণে পণ্যের আমদানি-রপ্তানি কখনও ব্যাহত না হয়।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা