× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

শিক্ষার্থীর চোখে প্রিয় ক্যাম্পাস

প্রবা প্রতিবেদক

প্রকাশ : ১৬ নভেম্বর ২০২৫ ১৫:২৪ পিএম

আপডেট : ২৭ নভেম্বর ২০২৫ ১৫:৫৮ পিএম

শিক্ষার্থীর চোখে প্রিয় ক্যাম্পাস

ব্র্যাকে শেখানো হয় ন্যায়, মূল্যবোধ ও নেতৃত্বের গুণাবলি 

সাদনান নাহিয়ান খান, তৃতীয় বর্ষ, আইন বিভাগ, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি

বাংলাদেশের অন্যতম সেরা ও বিশ্বমানের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ পাওয়া আমার জীবনের একটি বড় অর্জন। ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি শুধু একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নয়, এটি উৎকর্ষতার প্রতীক। বিশেষ করে ব্র্যাক ল’ স্কুল; যা শুধু এদেশের নয়, দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম সেরা আইন অনুষদ হিসেবে স্বীকৃত। প্রতি বছর বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে শিক্ষার্থীরা এখানে আইন বিষয়ে পড়তে আসেন, যা আমাদের একাডেমিক পরিবেশকে আরও সমৃদ্ধ করে। ব্র্যাক ল’ স্কুলের শিক্ষকরা জ্ঞান, দক্ষতা ও অভিজ্ঞতায় অনন্য। তাদের দিকনির্দেশনা ও সহযোগিতা আমাদের প্রতিদিন অনুপ্রাণিত করে।

ব্র্যাক ল’ স্কুলের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো এর গবেষণা ভিত্তিক শিক্ষা কাঠামো। এখানে শিক্ষার্থীদের আইন নিয়ে গভীরভাবে ভাবতে, বিশ্লেষণ করতে এবং গবেষণার মাধ্যমে নিজের মতামত তৈরি করতে উৎসাহিত করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিক লাইব্রেরি, বিশ্বের সেরা জার্নাল ও অনলাইন রিসোর্সে অ্যাকসেস পড়াশোনার অনুশীলন ও মানকে নিয়ে গেছে অনন্য উচ্চতায়। এ ছাড়া নিয়মিত মুট কোর্ট প্রতিযোগিতা, সেমিনার, ওয়ার্কশপ এবং বিশিষ্ট আইনজীবী, বিচারক ও গবেষকদের অতিথি বক্তৃতা আমাদের বাস্তব আইনি জ্ঞানকে আরও গভীর করে। এসব আয়োজন আমাদের শুধু বইয়ের জ্ঞানেই সীমাবদ্ধ রাখে না, বরং বাস্তব জীবনের আইনি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুত করে।

ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় ল’ স্কুলের পরিবেশ প্রাণবন্ত, সহনশীল ও জ্ঞানচর্চার জন্য উপযোগী। এখানে শুধু আইন শেখানো হয় না; শেখানো হয় ন্যায়, মূল্যবোধ ও নেতৃত্বের গুণাবলি। আমার কাছে ব্র্যাক ল’ স্কুল মানে এক এমন জায়গা, যেখানে ভবিষ্যতের ন্যায়বিচারক ও আইনজীবীদের স্বপ্ন গড়ে ওঠে।

সাদনান নাহিয়ান খান, তৃতীয় বর্ষ, আইন বিভাগ, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি

ক্যাম্পাসের প্রাণবন্ত পরিবেশ আমাদের অনুপ্রাণিত করে

দাহেকা আঞ্জুম, চতুর্থ বর্ষ, ইংরেজি বিভাগ, আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ

আমার কাছে আমার বিশ্ববিদ্যালয় কেবল একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নয়, এটি আমার বেড়ে ওঠার পরিসর, আমার দ্বিতীয় ঘর। আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ (AIUB)-এর ক্যাম্পাসে প্রবেশ করলেই যে উজ্জ্বল, প্রাণবন্ত পরিবেশটি চোখে পড়ে, তা প্রতিদিন আমাকে নতুন করে অনুপ্রাণিত করে। বিশ্বমানের অবকাঠামো ও শৃঙ্খলাবদ্ধ পরিবেশ এই বিশ্ববিদ্যালয়কে আলাদা পরিচয় দিয়েছে। এখানে ইংরেজি বিভাগে পড়াশোনা করার অভিজ্ঞতা আমার এক বড় অর্জন— ভাষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও মানবিক মূল্যবোধকে নতুনভাবে চিনে নেওয়ার গভীর সুযোগ। প্রতিটি ক্লাসরুম আলোচনা, প্রতিটি লেকচার এমনকি একেকটি সাহিত্যিক বিতর্কও আমাদের ভাবনার দিগন্তকে প্রসারিত করে।

AIUB-এর শিক্ষকরা কেবল পাঠদানেই সীমাবদ্ধ নন; তারা পরামর্শদাতা, প্রেরণাদাতা এবং আমাদের একাডেমিক ও ব্যক্তিগত যাত্রার সহযাত্রী। তাদের আন্তরিকতা, সৌহার্দ্যময় শিক্ষাদান ও একাগ্র সহমর্মিতা আমাকে শিখিয়েছে কীভাবে জ্ঞান কেবল বইয়ে সীমাবদ্ধ নয়, বরং তা জীবনের প্রতিটি স্তরে প্রভাব ফেলে। ক্যাম্পাসের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, সাহিত্য উৎসব, স্বেচ্ছাসেবী কর্মকাণ্ড ও ক্লাব কার্যক্রম আমার বিশ্ববিদ্যালয় জীবনকে দিয়েছে এক বহুমাত্রিক অভিজ্ঞতা। এই কর্মকাণ্ডগুলো শুধু দক্ষতা বাড়ায়নি, বরং মানবিকতা, সহযোগিতা ও নেতৃত্বের মানসিকতা গড়ে তুলেছে। আজ যখন ক্যাম্পাসের করিডোরে হেঁটে যাই, মনে হয়, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু আমার ডিগ্রি অর্জনের জায়গা নয়; এটি আমার আত্মপরিচয়ের জন্মভূমি। এখানেই আমি শিখেছি, শিক্ষা মানে শুধুই পেশাগত সাফল্য নয়; এটি হলো নিজেকে ও সমাজকে একসঙ্গে গড়ে তোলার এক অবিরাম যাত্রা।

দাহেকা আঞ্জুম, চতুর্থ বর্ষ, ইংরেজি বিভাগ, আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ


শিক্ষকরা কেবল একাডেমিক গাইড নন, অনুপ্রেরণা

হুমায়রা কবির, দ্বিতীয় বর্ষ, বিবিএ ডিপার্টমেন্ট, ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি

এইচএসসি শেষে আমার জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলোর একটি ছিল ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ (IUB)Ñএ ভর্তি হওয়া। এখানে এসে বুঝেছি, শিক্ষা শুধু বইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, এটি নিজেকে চিনে নেওয়ার, স্বপ্ন গড়ে তোলার এবং ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত হওয়ার এক যাত্রা। বিবিএ বিভাগে পড়া আমাকে শুধু ব্যবসায়িক শিক্ষা দেয়নি; দিয়েছে বাস্তব জীবনের প্রস্তুতি। এখানে শেখানো হয় কীভাবে নেতৃত্ব দিতে হয়, দলগতভাবে কাজ করতে হয়, আর কৌশলগত চিন্তা দিয়ে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হয়। আমাদের শিক্ষকরা কেবল একাডেমিক গাইড নন; তারা আমাদের অনুপ্রেরণা, যাদের দিকনির্দেশনায় শেখা মানে জ্ঞান ও বাস্তবতার সমন্বয়। IUB-এর বিশেষত্ব হলো এর আধুনিক শিক্ষা কাঠামো ও বৈশ্বিক মানের একাডেমিক পরিবেশ। এখানে রয়েছে সুসজ্জিত লাইব্রেরি, ডিজিটাল ল্যাব, উদ্যোক্তা সহায়তা কেন্দ্র (Entrepreneurship Support Hub) এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামের সুযোগ। শিক্ষার্থীরা তাই শুধু দেশে নয়, আন্তর্জাতিক পরিসরেও নিজেদের প্রতিভা প্রকাশের সুযোগ পান। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ক্লাব, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও প্রতিযোগিতাগুলো শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস ও যোগাযোগ দক্ষতা গড়ে তোলে। এখানে ক্লাসের বাইরের প্রতিটি দিনও শেখার নতুন সুযোগ এনে দেন, যা আমাদেরকে পরিপূর্ণ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলে।

হুমায়রা কবির, দ্বিতীয় বর্ষ, বিবিএ ডিপার্টমেন্ট, ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি

এখানে শিক্ষা ও স্বপ্ন একসঙ্গে বেড়ে ওঠে 

মাইশা মালিহা, চতুর্থ বর্ষ, বিবিএ বিভাগ, ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি (EWU) 

ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটিতে পড়াশোনা করা আমার জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান অভিজ্ঞতা। এখানকার আধুনিক লাইব্রেরি, ল্যাব, ডিজিটাল রিসোর্স এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও উদ্যোক্তা কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের বহুমাত্রিক বিকাশে সহায়তা করে। ক্লাব, প্রতিযোগিতা এবং সেমিনারগুলো আমাদের ব্যক্তিত্বকে সমৃদ্ধ করে, যোগাযোগ দক্ষতা বাড়ায় এবং বাস্তব জীবনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুত করে।

এখানে শিক্ষার্থীরা কেবল জ্ঞান অর্জন করেন না, বরং শেখেন কীভাবে সেই জ্ঞান বাস্তবে প্রয়োগ করে নিজেদের ও সমাজের জন্য ইতিবাচক পরিবর্তন আনা যায়। বিবিএ বিভাগে পড়াশোনা আমাকে শুধু ব্যবসায়িক তত্ত্ব শেখায়নি; বরং শেখায় কৌশলগত চিন্তাভাবনা, দলগত কাজের গুরুত্ব এবং বাস্তব জীবনের জন্য প্রস্তুতি। প্রতিটি ক্লাস, প্রতিটি প্রজেক্ট আমাদের ব্যবসায়িক জ্ঞানের সঙ্গে বাস্তব দক্ষতা অর্জনের সুযোগ দেয়। আমার চোখে ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি এমন একটি প্রতিষ্ঠান, যেখানে শিক্ষা এবং স্বপ্ন একসঙ্গে বেড়ে ওঠে এবং প্রতিটি শিক্ষার্থী নিজের ভবিষ্যৎকে নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করার সুযোগ খুঁজে পান।

মাইশা মালিহা, চতুর্থ বর্ষ, বিবিএ বিভাগ, ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি (EWU) 

বৈশ্বিক দৃষ্টিভঙ্গি তৈরিতে সাহায্য করে এ ক্যাম্পাস

জাহিদ হাসান নিরব, তৃতীয়  বর্ষ, কম্পিউটার সায়েন্স ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্ট, নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি

NSU আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে কানেক্টেড এবং এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রাম, গবেষণা ও গ্লোবাল প্রজেক্টের সুযোগ দেয়, যা শিক্ষার্থীদের বৈশ্বিক দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করতে সাহায্য করে। এখানে শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করা হয় নিজেদের এক্সপ্লোর করতে, উদ্যোগী হতে এবং ব্যক্তিগত ও পেশাদার জীবন দুটোতেই বিকশিত হতে। শক্তিশালী আলুমনি নেটওয়ার্ক, ক্যারিয়ার কাউন্সেলিং এবং ইন্টার্নশিপ সাপোর্ট শিক্ষার্থীদের সফল ভবিষ্যতের পথে পরিচালিত করে। সাংস্কৃতিক উৎসব, স্টুডেন্ট ক্লাব, বিতর্ক, ওয়ার্কশপ এবং উদ্যোক্তা প্রোগ্রামগুলো ক্যাম্পাসে এক ব্যস্ত ও আনন্দময় পরিবেশ তৈরি করে। এখানে ক্লাসের বাইরেও শেখার নতুন সুযোগ আছে। এখানে পড়াশোনা মানে শুধু বই মুখস্থ করা নয়। ক্লাসগুলো শিক্ষার্থীদের চিন্তাশীল হতে, সমস্যার সমাধান করতে এবং বাস্তব জীবনের সঙ্গে জ্ঞানকে মিলিয়ে কাজে লাগাতে শেখায়। আমি NSU বেছে নিয়েছিলাম কারণ এখানে পড়াশোনার সঙ্গে সঙ্গে নিজেকে চ্যালেঞ্জ করার সুযোগ আছে। নতুন বন্ধু বানানো, প্রজেক্টে কাজ করা, নিজের নেতৃত্বের স্কিল বাড়ানো— সবকিছু একসঙ্গে হয়। সত্যিই বলতে গেলে, NSU হলো এমন একটি জায়গা, যেখানে শুধু ডিগ্রি নয়, নিজের সম্ভাবনা এবং স্বপ্নকেও বাস্তবে রূপ দেওয়ার সুযোগ পাওয়া যায়।

জাহিদ হাসান নিরব, ৩য় বর্ষ, কম্পিউটার সাইন্স ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্ট, নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি




শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা