× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

বায়ুদূষণও অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়ার তীব্রতা বৃদ্ধির কারণ

প্রবা প্রতিবেদন

প্রকাশ : ০৮ আগস্ট ২০২৩ ১৫:১০ পিএম

আপডেট : ০৮ আগস্ট ২০২৩ ১৬:০৬ পিএম

প্রতিবছর ৩০ লাখ মানুষ প্রাণ হারায় বায়ুদূষণের কারণে। ছবি : সংগৃহীত

প্রতিবছর ৩০ লাখ মানুষ প্রাণ হারায় বায়ুদূষণের কারণে। ছবি : সংগৃহীত

বিভিন্ন ধরনের শ্বাসযন্ত্রজনিত সমস্যাসহ ফুসফুসের ক্যানসার, হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে যাওয়া, ব্রেইন স্ট্রোকসহ অনেক রোগেই বায়ু দূষণের প্রভাব রয়েছে। এটি সবারই কম আর বেশি জানা। কিন্তু নতুন এক গবেষণা দেখাচ্ছে, বিশ্বব্যাপী ক্রমবর্ধমান অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণেরও (অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স) প্রাথমিক কারণ বায়ুদূষণ।

চিকিৎসা সাময়িকী দ্য ল্যানসেট প্ল্যানেটারি হেলথ-এ সোমবার (৭ আগস্ট) প্রকাশিত এক গবেষণাপত্রে বলা হয়েছে, প্যাথোজেনিক ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগগুলোর মধ্যে অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধ ক্ষমতা বায়ুদূষণ বৃদ্ধির সঙ্গে যুক্ত হতে পারে-যা বিশ্বের মানুষের জন্য ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণের ঝুঁকি বৃদ্ধি করছে এবং ব্যাকটেরিয়াকে অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী হতে সহায়তা করছে। আর এই সমস্যা মোকাবিলায় বায়ুদূষণ কমিয়ে আনার কোনো বিকল্প নেই। এ অবস্থায় বিশ্বব্যাপী সরকারগুলোকে একত্রে কাজ করার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে গবেষণাপত্রটিতে।

শুধু অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়াজনিত সমস্যাই বায়ু দূষণ বৃদ্ধি করছে, এমন নয়। বায়ু দূষণ নিজেই একটি বড় সমস্যা। আন্তর্জাতিক গবেষণা বলছে, প্রতিবছর বায়ুদূষণের কারণে মৃত্যু হয় প্রায় ৩০ লাখ মানুষের। আর বায়ুদূষণের মাত্রা যদি  এক শতাংশও কমানো সম্ভব হয়, তার প্রভাব পড়বে ব্যাপক।

সমীক্ষা বলছে, অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়া একটি গুরুতর বৈশ্বিক সমস্যা। শুধু ২০১৯ সালেই বিশ্বব্যাপী প্রায় ১২ লাখ ৭০ হাজার মানুষের অকাল মৃত্যু হয়েছে। যেখানে ২০১৬ সালে সংখ্যাটি ছিল ৭ লাখ। অর্থাৎ অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্টেন্সের মতো গুরুতর বৈশ্বিক সমস্যা বৃদ্ধির গতি নাটকীয়ভাবে বাড়ছে।  

যদিও অ্যান্টিবায়োটিকের অপব্যবহার ও অত্যধিক ব্যবহার আন্টিবায়োটিক রেজিস্টেন্সের প্রধান কারণ। এর ফলেই মূলত অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়া ও অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী জিনের দ্রুত বিস্তার (মানুষ, প্রাণী ও প্রকৃতিতে) হচ্ছে।

উন্নত বিশ্বের অধিকাংশ দেশেই নীতিমালা মেনে অ্যান্টিবায়োটিক মেডিসিন ব্যবহার করা হয়। অনেক ক্ষেত্রেই অনুন্নত দেশে এই ধরনের নীতিমালা মানা হয় না। এমনকি পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী অনেক ক্ষেত্রেই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ ব্যবহার করেন।

আর মাইক্রোবায়োলজি টেস্টিং অনুন্নত দেশে পর্যাপ্ত হয় না বিধায়, এএমআর বোঝার ক্ষেত্রে অনুন্নত দেশে ডেটাস্বল্পতা জটিলতার সৃষ্টি করে।   

তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে ব্যাকটেরিয়ার অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী ক্ষমতা বৃদ্ধির সঙ্গে কোভিড-১৯ মহামারিতে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া এবং অ্যান্টিবায়োটিক চিকিৎসা বৃদ্ধির সঙ্গে কতটা সম্পর্ক রয়েছে, তা নিয়ে আরও বিস্তর গবেষণার আহ্বান জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।   

 

সূত্র : এনডিটিভি 

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা