প্রবা ডেস্ক
প্রকাশ : ০৫ অক্টোবর ২০২২ ১২:৫৪ পিএম
আপডেট : ০৫ অক্টোবর ২০২২ ১৫:৫৪ পিএম
আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা পরই রসায়নশাস্ত্রে চলতি বছরের নোবেল পুরস্কার ঘোষণা করা হবে। ধারণা করা হচ্ছে, ড্রু ওয়েইসমান, ক্যাটালিন কারিকো ও ইজিও রিজারদোর এ তিন বিজ্ঞানী রসায়নে নোবেল পেতে পারেন।
বিজ্ঞানবিষয়ক অনলাইন সাময়িকী ‘সিঅ্যান্ডসিএন’ জানিয়েছে, ২৯ সেপ্টেম্বর তারা প্রায় ৩ ঘণ্টার একটি অনলাইন সেমিনার বা ওয়েবিনার আয়োজন করে। এতে রসায়নে চলতি বছর কে বা কারা নোবেল পেতে পারেন, তা নিয়ে বিস্তর আলোচনা হয়েছে। আলোচনা হয়েছে রসায়নসহ বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে আগামীতে নোবেল দেওয়ার ধরন বদলে যাওয়ার সম্ভাবনা নিয়েও।
আলোচকদের ধারণা, চলতি বছর ড্রু ওয়েইসমান, ক্যাটালিন কারিকোর রসায়নে নোবেল জয়ের সম্ভাবনা বেশি। মূলত তাদের চেষ্টায় স্বল্প সময়ে ‘এমআরএনএ’ প্রযুক্তির করোনার টিকা উদ্ভাবন করা সম্ভব হয়েছে। অবশ্য গত বছরও এ দুই মার্কিন বিজ্ঞানী নোবেল পেতে পারেন বলে আশা করেছিলেন অনেকে। কিন্তু তা হয়নি।
কয়েক বছর ধরে ব্রিটিশ-আমেরিকান বিজ্ঞানী স্টুয়ার্ট ক্যানট্রিলের রসায়নে নোবেল পাওয়ার কথা শোনা যাচ্ছে। ‘চেমব্যার্ক’ নামের একটি প্ল্যাটফরমের সাম্প্রতিক এক টুইটার সমীক্ষায় দেখা গেছে, চলতি বছর স্টুয়ার্ট নোবেল পেতে পারেন বলে মনে করেন জরিপে অংশগ্রহণকারী প্রায় ৮০ শতাংশ মানুষ।
উল্লিখিত তিন বিজ্ঞানীর বাইরে যুক্তরাষ্ট্রেরে ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ওমর এম. ইয়াগি, তাইওয়ানের বংশোদ্ভূত মার্কিন জৈব-রসায়নবিদ চি-হুই ওংয়েওর এবার রসায়নে নোবেল পাওয়ার যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছ।
২০২১ সালে যৌথভাবে রসায়নে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন জার্মান বিজ্ঞানী বেঞ্জামিন লিস্ট ও ব্রিটিশ বিজ্ঞানী ডেভিড ম্যাকমিলান। অ্যাসিমেট্রিক অর্গানোক্যাটালাইসিস বা জৈব-অনুঘটন আবিষ্কারের জন্য তারা এ পুরস্কার পান। এ পদ্ধতিতে জৈব অণু তৈরি করা যায়।
সোমবার চিকিৎসাবিজ্ঞান ও শারীরতত্ত্বে নোবেল ঘোষণার মধ্য দিয়ে চলতি বছরের নোবেল পুরস্কারের ঘোষণা শুরু হয়। এ বিষয়ে এবার নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন সুইডেনের জিনবিজ্ঞানী সান্তে প্যাবো। বিলুপ্ত হোমিনদের জিনোম ও মানব জাতির বিবর্তন বিষয়ে গবেষণার জন্য এ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে প্যাবোকে।
মঙ্গলবার ঘোষণা করা হয় পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল বিজয়ীদের নাম। এবার পদার্থবিজ্ঞানে বিজয়ীরা হলেন- ফরাসি পদার্থবিজ্ঞানী অ্যালাইন অ্যাসপেক্ট, মার্কিন পদার্থবিজ্ঞানী জন এফ ক্লজার ও অস্ট্রিয়ার পদার্থবিজ্ঞানী অ্যান্টন জেলিঙ্গার। কোয়ান্টাম প্রযুক্তির একটি নতুন যুগের ভিত্তি স্থাপন করায় তাদের নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।
প্রবা/টিএ/জেও