প্রবা ডেস্ক
প্রকাশ : ০৪ অক্টোবর ২০২২ ১৭:৩৯ পিএম
আপডেট : ০৫ অক্টোবর ২০২২ ১১:৩৯ এএম
অ্যালাইন অ্যাসপেক্ট, জন এফ ক্লজার ও অ্যান্টন জেলিঙ্গার।
নোবেল কমিটি পদার্থে ২০২২ সালের নোবেল বিজয়ী হিসেবে অ্যালাইন অ্যাসপেক্ট, জন এফ ক্লজার ও অ্যান্টন জেলিঙ্গারের নাম ঘোষণা করেছে। কোয়ান্টাম মেকানিক্স তথা বেল ইনেকুয়ালিটির পরীক্ষালব্ধ প্রমাণ ও কোয়ান্টাম অ্যান্টেঙ্গেলমেন্ট ত্রয়ী গবেষণার জন্য তারা পদার্থবিজ্ঞানে এ বছর এ পুরস্কার জিতেছেন।
সিএনএন জানিয়েছে, বিজয়ীরা কোয়ান্টাম তথ্য ব্যবহার করে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়েছেন। তারা দেখিয়েছেন, দুটি আলোর কণা আলাদা থাকলেও তারা একই রকম আচরণ করে এবং একে অন্যকে প্রভাবিত করে।
তাদের আবিষ্কারগুলো জন স্টুয়ার্ট বেলের কাজকে সম্প্রসারিত করেছে এবং এর উপপাদ্য কোয়ান্টাম মেকানিক্স সম্পর্কে বৈজ্ঞানিক বিশ্বের চিন্তা পরিবর্তন করেছে।
রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্সেস বলেছে, এ তিনজনের গবেষণা ‘কোয়ান্টাম প্রযুক্তির একটি নতুন যুগের ভিত্তি স্থাপন করেছে।’
আমেরিকান ইনস্টিটিউট অব ফিজিক্সের সিইও মাইকেল মোলোনি সিএনএনকে বলেছেন, ‘তাদের গবেষণা এটি নিশ্চিত করেছে যে, কোয়ান্টাম মেকানিক্সের বাস্তবিক বিশ্বের অ্যাপ্লিকেশনগুলোয় উপযোগিতা রয়েছে। এটি শুধু এ তত্ত্ব নয় যে, যার দ্বারা কোয়ান্টাম জগতের সব বিরোধী স্বভাব ব্যাখ্যা করা যায়। এটি দেখিয়েছে যে, কিছু ভবিষ্যদ্বাণী পরিমাপ করে আমরা কোয়ান্টাম কম্পিউটিং ও কোয়ান্টাম ক্রিপ্টোগ্রাফির মতো অ্যাপ্লিকেশনগুলোর দ্বারস্থ হতে পারি।’
মোলোনি বলেছিলেন, ‘ত্রয়ীর আবিষ্কারগুলো সম্ভাব্যভাবে আমাদের বিশ্বকে সত্যিকারের ব্যবহারিক জিনিসগুলোর পরিপ্রেক্ষিতে পরিবর্তন করতে চলেছে। এ গবেষণা আবহাওয়ার পূর্বাভাস থেকে শুরু করে সবকিছুতে সাহায্য করবে। এখানে বিভিন্ন ধরনের অনেক গণনা রয়েছে যা আমরা কোয়ান্টাম তথ্যবিজ্ঞানের মাধ্যমে করতে পারি, যা আমরা ক্লাসিক্যাল কম্পিউটারের মাধ্যমে করতে পারি না।’
এই বিজয়ীরা কয়েক দশক ধরে শিক্ষাবিদদের মধ্যে অত্যন্ত সম্মানিত। অ্যানালিটিক্স কোম্পানি ক্ল্যারিভেট মঙ্গলবার (৪ অক্টোবর) বলেছে, ‘আমাদের নির্বাচন তাদের পরীক্ষামূলক যাচাইকরণের সুস্পষ্ট গুরুত্বকে স্বীকৃতি দিয়েছে। কোয়ান্টাম মেকানিক্সের দূরত্বে ভুতুড়ে ক্রিয়া একটি ঘটনা যা আমাদের কল্পনাকে প্রভাবিত করে।’
অ্যাসপেক্ট, ক্লজার ও জেলিঙ্গার যথাক্রমে ফ্রান্স, ক্যালিফোর্নিয়া এবং অস্ট্রিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনজন বিজ্ঞানী পুরস্কারের অর্থ ১০ মিলিয়ন সুইডিশ ক্রোনা ভাগ করে নেবেন।
প্রবা/জিজি/জেও