প্রবা ডেস্ক
প্রকাশ : ০৪ অক্টোবর ২০২২ ১৪:১০ পিএম
আপডেট : ০৪ অক্টোবর ২০২২ ১৫:৫৭ পিএম
নোবেল। ছবি : সংগৃহীত
নোবেল পুরস্কারের জন্য সংক্ষিপ্ত তালিকা তৈরি ও চূড়ান্ত বিজয়ীদের ভোটাভুটির বিষয়টি বিশ্বের অন্যতম
‘টপ সিক্রেট’। সংক্ষিপ্ত তালিকায় কারা ছিলেন ও বিচারকদের মধ্যে কে কার পক্ষে ভোট দিয়েছেন-তা ৫০ বছর ধরে জানা যায়নি। কিন্তু অনুমান করতে তো আর মানা নেই। মঙ্গলবার (৪ অক্টোবর) বাংলাদেশের
স্থানীয় সময় ৩টা ৪৫ মিনিটে রয়্যাল সুইডিশ
একাডেমি অব সাইন্সের পদার্থে
নোবেল বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করার কথা রয়েছে।
বার্তা
সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জ্যোতির্পদার্থবিদ্যা (অ্যাস্ট্রোফিজিক্স)
ও মহাবিশ্ববিজ্ঞানে (কসমোলজি) গত কয়েক বছর অনেকগুলো বিখ্যাত পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।
তাই এবার আলো নিয়ে কাজ করেছেন এমন কোনো ব্যক্তি বা যৌথভাবে একাধিক ব্যক্তি এবার পদার্থে
নোবেল পেতে পারেন।
আলো
নিয়ে কাজ করে সম্প্রতি যাঁরা বিশাল সাফল্য দেখিয়েছেন তাঁদের মধ্যে জন বি পেন্ড্রি অন্যতম। ব্রিটিশ এ বিজ্ঞানী আলোকে বাঁকা করে কোনো
বস্তুকে অদৃশ্য করার প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছেন। আলোকে বাঁকা ও বিভিন্ন উপাদান ব্যবহার
করে কার্যকরভাবে উৎপাদন করা যাবে পরিবেশবান্ধব বিদ্যুৎ। পেন্ড্রির এ উদ্ভাবনের নাম
‘ইনভিজিবিলিটি ক্লোক’ বা অদৃশ্য পর্দা নামে পরিচিত।
দ্বিতীয় প্রার্থীর তালিকায় রয়েছেন যৌথভাবে দুজন। তাঁরা হলেন কানাডার টরেন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সজীব জন এবং যুক্তরাষ্ট্রের বিজ্ঞানী এলি ইয়াবলোনোভিচ। তাঁরা আলোর প্রবাহকে নিয়ন্ত্রণ করার প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছেন। ১৯৮৭ সালে উদ্ভাবিত এ প্রযুক্তি ফোটোনিক স্ফটিক হিসেবে পরিচিত।
আরেক ব্রিটিশ বিজ্ঞানী হেনরি স্নেইথেরও পদার্থে নোবেল পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এ অধ্যাপক হাইব্রিড স্লোলার সেলের নতুন উপাদান ও অবকাঠামো উদ্ভাবন করেছেন।
গত
সোমবার চলতি বছরের প্রথম নোবেল পুরস্কার ঘোষণা করা হয়। চিকিৎসাশাস্ত্রে এবার নোবেল
পেয়েছেন সুইডিশ বিজ্ঞানী সান্তে প্যাবো। বিলুপ্তপ্রায় হোমিনিডস এবং মানব বিবর্তনের
জিনোম সম্পর্কিত আবিষ্কারের জন্য প্যাবোকে
নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়। আগামীকাল বুধবার রসায়নে নোবেল ঘোষণা
করার কথা রয়েছে।
প্রবা/টিএ/টিই