প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০৩ জুলাই ২০২৩ ১৫:১২ পিএম
আপডেট : ০৩ জুলাই ২০২৩ ১৫:৩৫ পিএম
শিল্পীর চোখে ইউক্লিড। ছবি: সংগৃহীত
মহাবিশ্বের দৃষ্টিকাড়া সব গ্রহ, নক্ষত্র, ছায়াপথ শত শত বছর ধরে মানুষকে মুগ্ধ করে আসছে। কিন্তু যেসব উপাদান দিয়ে মহাবিশ্ব তৈরি, এসব তার মাত্র ৫ শতাংশ। বাকিটা ডার্ক এনার্জি ও ডার্ক ম্যাটার। অথচ এটা নিয়ে বিজ্ঞানীরা এখনও কোনো কূলকিনারা করতে পারেননি।
এবার তা করতে একটি বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থা (ইসা)। সহযোগিতায় ছিল যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা (নাসা)।
ডার্ক এনার্জি ও ম্যাটারের রহস্য ভেদ করতে ইসা মহাকাশে একটি টেলিস্কোপ উৎক্ষেপণ করেছে। টেলিস্কোপটির নাম ইউক্লিড। যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেপ ক্যানাভেরাল থেকে একটি ফ্যালকন-৯ রকেটে করে উৎক্ষেপণ করা টেলিস্কোপটি পৃথিবীর ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১০ লাখ মাইল দূরে অবস্থান করবে। সেখান থেকে এটি মহাবিশ্বের একটি থ্রি-ডি ম্যাপ তৈরি করবে। ম্যাপটিতে ডার্ক এনার্জি ও ম্যাটারের বণ্টন বোঝার চেষ্টা করা হবে।
ইউক্লিড প্রকল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট যুক্তরাজ্যের ল্যাঙ্কাস্টার বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যোতির্বিজ্ঞানী আইসোবেল হুক বিবিসিকে বলেন, ডার্ক এনার্জি ও ম্যাটার সম্পর্কে আমাদের সরাসরি কোনো জ্ঞান নেই। তবে এর অস্তিত্ব নিয়ে আমরা নিশ্চিত। মহাকর্ষীয় প্রভাব থেকে এটা আমরা বুঝতে পারি। কিন্তু তা কাগজে-কলমে প্রকাশ করতে পারি না। কারণ এটা ধরা-ছোঁয়া যায় না। অথচ মহাবিশ্বের উপাদানের ৭০ শতাংশ ডার্ক এনার্জি, ২৫ শতাংশ ডার্ক ম্যাটার। আর বাকিটা সৌরজগৎ, গ্রহণ-নক্ষত্র ছায়াপথ।
১২০ কোটি ডলারে তৈরি ইউক্লিড টেলিস্কোপটি মহাশূন্যে অন্তত ছয় বছর থাকবে। এটা মহাবিশ্বে একটা দুইমুখী ম্যাপ তৈরি করবে।
সূত্র : বিবিসি, গার্ডিয়ান