প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ৪ ঘণ্টা আগে
আপডেট : ৩ ঘণ্টা আগে
বিজ্ঞানী তাহমিদ আহমেদ, মারজানা আক্তার এবং মোহাম্মদ আব্বাস উদ্দিন শায়োন। কোলাজ: প্রতিদিনের বাংলাদেশ
সিঙ্গাপুরভিত্তিক জনপ্রিয় বিজ্ঞান সাময়িকী এশিয়ান সায়েন্টিস্ট ২০২৬ সালের জন্য এশিয়ার শীর্ষ ১০০ বিজ্ঞানীর তালিকা প্রকাশ করেছে।
সম্প্রতি প্রকাশিত এই তালিকায় স্থান করে নিয়েছেন বাংলাদেশের তিন কৃতি গবেষক—মারজানা আক্তার, তাহমিদ আহমেদ এবং মোহাম্মদ আব্বাস উদ্দিন শায়োন।
এবারের তালিকার কনিষ্ঠতম বিজ্ঞানী হিসেবে আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন মারজানা আক্তার। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন এই শিক্ষার্থী পোলট্রি খাতে সম্পূর্ণ নতুন একটি ভাইরাস আবিষ্কার করে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন। এই আবিষ্কার বাংলাদেশের ভাইরাস গবেষণায় এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। মারজানা গত বছর জাতিসংঘের ইয়াং উইমেন ফর বায়োসিকিউরিটি ফেলোশিপের জন্য বিশ্বজুড়ে নির্বাচিত মাত্র ১০ জন তরুণীর মধ্যে একজন ছিলেন।
মা ও শিশুর অপুষ্টি দূরীকরণ, ডায়রিয়া প্রতিরোধ ও চিকিৎসায় দীর্ঘদিনের অবদানের জন্য পরিচিত তাহমিদ আহমেদও এই তালিকায় স্থান পেয়েছেন। তিনি বিশ্বখ্যাত গবেষণা প্রতিষ্ঠান আইসিডিডিআর,বি-এর প্রথম বাংলাদেশি নির্বাহী পরিচালক হিসেবে ২০২১ সাল থেকে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া তিনি ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় ও যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যুক্ত তাহমিদ আহমেদ জনস্বাস্থ্য গবেষণায় যুক্ত রয়েছেন।
পোশাকশিল্পে পরিবেশবান্ধব উৎপাদন পদ্ধতির উদ্ভাবক হিসেবে তালিকায় এসেছেন বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুটেক্স) সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ আব্বাস উদ্দিন শায়োন। তার বিশেষ প্রকল্প ‘ডিকার্বনাইজেশন ল্যাব ফর টেক্সটাইল প্রসেস ইনোভেশন’-এর লক্ষ্য পোশাক কারখানার কার্বন নির্গমন কমানো এবং পরিবেশ রক্ষা করা। পোশাক উৎপাদনে চিরাচরিত পদ্ধতির ক্ষতিকর প্রভাব কমাতে তার এই অসাধারণ প্রচেষ্টার জন্য ২০২৫ সালে তিনি গ্লোবাল চেঞ্জ অ্যাওয়ার্ডে বিশ্বের শীর্ষ ১০ উদ্ভাবকের মধ্যে স্থান করে নেন।
এশিয়ান সায়েন্টিস্ট ম্যাগাজিন ২০১৬ সাল থেকে প্রতি বছর বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখায় এশিয়ার সেরা গবেষকদের এই তালিকা প্রকাশ করে আসছে।