× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

মিল্কিওয়ে ছায়াপথের হৃদয়ের সন্ধান

প্রবা ডেস্ক

প্রকাশ : ২৯ ডিসেম্বর ২০২২ ১১:৫৬ এএম

আপডেট : ২৯ ডিসেম্বর ২০২২ ১৪:২৬ পিএম

পৃথিবীর অবস্থান মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সিতে। ছবি : সংগৃহীত

পৃথিবীর অবস্থান মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সিতে। ছবি : সংগৃহীত

এই বিশাল মহাবিশ্বের ক্ষুদ্র অংশ একেকটি গ্যালাক্সি (ছায়াপথ)। অথচ এই গ্যালাক্সিই কতই না বিশাল। পৃথিবীর অবস্থান যেই গ্যালাক্সিতে, তাকে বলা হয় মিল্কিওয়ে। আর এই মিল্কিওয়েরও হৃদয় আছে, যার জন্ম সময়ের একেবারে শুরুর দিকে।

সম্প্রতি দ্য অ্যাস্ট্রোফিজিক্যাল জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণায় বিজ্ঞানীরা বলছেন, আমাদের মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির হৃৎপিন্ড খুঁজে পেয়েছেন তারা। অর্থ্যাৎ মিল্কিওয়ের কেন্দ্রে একটি প্রাচীন গ্যালাকটিক কোর খুঁজে পাওয়া গেছে। গ্যালাকটিক কোরের এই ক্লাস্টারে সূর্যের মতো প্রায় ১৮ হাজার নক্ষত্র রয়েছে। আর যেই গ্যালাকটিক কোরকে মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির হৃৎপিণ্ড বলা হচ্ছে, তার জন্ম হয়েছে, এই গ্যালাক্সির জন্মের একেবারে শুরুর দিকে। অর্থ্যাৎ মিল্কিওয়ে ছায়াপথের শৈশবের সময়।

গবেষকরা অত্যাধুনিক নিউরাল নেটওয়ার্কের মতো প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে মিল্কিওয়ের প্রায় ২০ লাখ উজ্জ্বল দৈত্যাকার নক্ষত্র বিশ্লেষণ করে এই ছায়াপথের সবচেয়ে সঠিক ত্রিমাত্রিক মানচিত্র তৈরি করেছেন।

আর এই মানচিত্রের আলোকেই গবেষকরা এই প্রথমবারের মতো মিল্কিওয়ে ছায়াপথের অতীতের কিছু অংশ আবিষ্কারের কথা এত জোর দিয়ে বলছেন।

১৮ হাজার নক্ষত্রগুলো সেই সময়ের থেকেই ছিল যখন আলাদা ছায়াপথ হিসেবে মিল্কিওয়ের জন্ম হয়নি। এটি ছিল প্রোটো গ্যলাক্সির সংস্করণ (প্রাইমেভাল গ্যালাক্সি, বা গ্যাসের মেঘ, যা একটি গ্যালাক্সিতে পরিণত হওয়ার পথে রয়েছে) যা একটি বড় গ্যালাক্সির জন্ম দিয়েছিল। অর্থ্যাৎ গবেষকেরা এমন এক নক্ষত্রের ক্লাস্টারের কথা বলছেন, যা থেকেই মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সি বিকশিত হয়েছে।

জার্মানির ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক ইনস্টিটিউট ফর অ্যাস্ট্রোনমির জ্যোতির্বিজ্ঞানী হ্যান্স-ওয়াল্টার রিক্সের নেতৃত্বে থাকা গবেষণা দলটি এটিকে বলছে, ‘দরিদ্র পুরোনো হৃৎপিণ্ড’। অর্থ্যাৎ মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সিতে থাকা এই ক্লাস্টারটি একসময় এই গ্যালাক্সির জন্ম দিলেও এখন তার খুব একটা ভূমিকা নেই।

গবেষকরা এই গবেষণা কাজে ইউরোপীয় স্পেস এজেন্সির (ইএসএ) গায়া (মহাকাশে থাকা স্পেস অবজারভেটরি) ল্যাবরেটরির থেকে সংগৃহীত তথ্য ব্যবহার করেছেন যা বছরের পর বছর ধরে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করছে। গায়া ল্যাবরেটরী মহাবিশ্বের নক্ষত্রগুলো সম্পর্কে বিজ্ঞানীদের ধারণা দেয়।

প্রায় ১ হাজার ৩৮০ কোটি বছর আগে এই মহাবিশ্বের জন্ম। আদিম এই মহাবিশ্ব প্রধানত হাইড্রোজেন নিয়ে গঠিত, যেখানে সামান্য হিলিয়ামও ছিল। নক্ষত্রগুলো যখন তৈরি হতে শুরু করে, তখন তাদের উত্তাপ পরমাণুগুলোকে ভেঙে হাইড্রোজেন হিলিয়ামে, হিলিয়াম কার্বনে, এভাবে ভারী উপাদান তৈরি করতে শুরু করে।

১৮ হাজারের নক্ষত্রের ক্লাস্টারটি যে ২০ লাখ নক্ষত্রের মধ্যে রয়েছে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, তাদের বয়স ও ধাতবতা একই রকম। আর এদের জন্ম সময়ের মোটামোটি শুরুর দিকে। অর্থ্যাৎ ১ হাজার ২৫০ কোটি বছর আগে। সময়ের যত প্রান্তে নক্ষত্রের জন্ম হয়, তত এর মধ্যে ধাতব থাকে। 

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা