প্রবা ডেস্ক
প্রকাশ : ১৯ নভেম্বর ২০২২ ১৫:০২ পিএম
আপডেট : ১৯ নভেম্বর ২০২২ ১৬:০৩ পিএম
ওরিয়ন মহাকাশযান। ছবি: নাসা
ফ্লোরিডা থেকে ১৬ নভেম্বর এসএলএসের সফল উৎক্ষেপণের মধ্যে দিয়ে আর্টেমিস-১ মিশনের যাত্রা শুরু হয়। মিশনের শুরুতে শঙ্কা থাকলেও চাঁদের উদ্দেশে যাত্রা করার তৃতীয় দিনে (শুক্রবার) ওরিয়ন মহাকাশ যান কার্যক্ষমতার প্রত্যাশা ছাড়িয়ে গেছে।
নাসার কর্মকর্তার বরাতে এমনটাই জানিয়েছে টাইমস অফ ইন্ডিয়া।
মানুষবিহীন এই প্রথম পরীক্ষামূলক ফ্লাইট পাঠানোর মাধ্যমে যাচাই করে দেখা হচ্ছে মহাকাশযানটি চন্দ্রাভিযানের জন্য নিরাপদ কী না।
আর্টেমিস-১ মিশনের প্রধান মাইক সারাফিন শুক্রবার বলেছেন, 'আজ আমরা ওরিয়ন মহাকাশযানের কার্যকারিতা পর্যালোচনার জন্য মিলিত হয়েছি। এর কর্মক্ষমতা আমাদের প্রত্যাশার চেয়েও বেশি।'
হিউস্টনের জনস স্পেস সেন্টারের ওরিয়ন ম্যানেজার জিম গ্রেফে বলেছেন, 'মহাকাশযানের ১৩ ফুট দৈর্ঘ্যের চারটি সৌর প্যানেল সঠিকভাবে স্থাপিত হয়েছে এবং এটি প্রত্যাশার চেয়ে বেশি শক্তি সরবরাহ করছে।'
শুক্রবার পর্যন্ত ওরিয়নের অবস্থান ছিল পৃথিবী থেকে ৩ লাখ ২০ হাজার কিলোমিটার দূরে। এটি তার ৪টি ইঞ্জিনের মধ্যে প্রথমটি চালু করার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। সোমবার (২১ নভেম্বর) ইঞ্জিন চালু করার কথা রয়েছে।
সব কিছু ঠিক থাকলে, ২৫ দিনের বেশি সময়ের নির্ধারিত অপারেশন শেষ করে ১১ ডিসেম্বর প্রশান্ত মহাসাগরে অবতরণের কথা রয়েছে ওরিয়নের।
প্রত্যাশা করা হচ্ছে, ওরিয়নের ধরনের মহাকাশ যানটি সামনের আর্টেমিস-২ ও আর্টেমিস-৩ মিশনেও মানুষের চাঁদে যাওয়ার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হবে।
১৯৭২ সালে সবশেষ অ্যাপোলো মিশনের পর আর্টেমিস-৩ এ চাঁদে পা রাখবে মানুষ। এ মিশনে এবারই প্রথম একজন নারী ও একজন অশ্বেতাঙ্গ ব্যক্তি চাঁদের বুকে পা রাখবেন। চাঁদে এ পর্যন্ত পা রাখা ১০ জন নভোচারীর সবাই পুরুষ ও শ্বেতাঙ্গ ব্যক্তি।