প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ৩১ অক্টোবর ২০২৫ ১৬:২৬ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
আল কুরআনের বাণী
নিশ্চয়ই! যারা স্বীয় ধর্মের মধ্যে নানা মতের সৃষ্টি করেছে এবং বিভিন্ন দলে বিভক্ত হয়েছে, তাদের কোনো দায়িত্ব আদৌ তোমার নয়। তাদের বিষয় আল্লাহর নিকট সমর্পিত। আল্লাহ তাদেরকে তাদের কৃতকর্ম সম্পর্কে অবহিত করবেন।
আল-হাদিস থেকে
হজরত আবু যর গিফারী (র.) কর্তৃক বর্ণিত। নবী করিম (স.)-এর কিছু সাহাবি তার কাছে আগমন করে বললেন, ইয়া রাসুলুল্লাহ, ধন সম্পদের মালিকরা তো সব সওয়াব প্রাপ্ত হচ্ছে। কেননা আমরা যেভাবে নামাজ পড়ি তারাও সেভাবেই পড়ে। আমরা যেভাবে রোজা রাখি তারাও তাই করে। কিন্তু তারা তাদের অতিরিক্ত সম্পদ দান করে সওয়াব লাভ করে, অথচ আমাদের পক্ষে তা সম্ভব হয় না। নবী করিম (স.) বলেন, আল্লাহতায়ালা কি তোমাদের এমন অনেক কিছু দান করেননি; যা সদকা করে তোমরাও সওয়াব পেতে পার? আর তা হলো প্রত্যেক তাসবীহ (সুবহানাল্লাহ) একটি সদকা, প্রত্যেক তাকবীর (আল্লাহ আকবার) একটি সদকা, প্রত্যেক আলহামদুলিল্লাহ বলা একটি সদকা, প্রত্যেক লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ বলা একটি সদকা, প্রত্যেক ভালো কাজের আদেশ ও উপদেশ দান করা একটি সদকা এবং দোষণীয় কাজ থেকে নিষেধ করা ও বাধা প্রদান করা একটি সদকা। এমনকি তোমাদের শরীরের অংশে অংশে সদকা রয়েছে। অর্থাৎ আপন স্ত্রীর সঙ্গে সহবাস করাও একটি সদকা। সাহাবীরা বলেন, ইয়া রাসুলুল্লাহ, আমাদের কেউ তার কাম প্রবৃত্তিকে চরিতার্থ করবে আর এতেও তার সওয়াব হবে? তিনি বলেন, তোমরা বল দেখি, তোমাদের কেউ তা হারাম কাজে (যিনা) ব্যবহার করলে কি তা গুনাহ হতো না? অনুরূপভাবে যখন সে তা হালালভাবে ব্যবহার করবে, তাতে তার সওয়াবই প্রাপ্ত হবে।