ইসমাইল মাহমুদ
প্রকাশ : ২৪ অক্টোবর ২০২৫ ১১:৪২ এএম
ছবি: সংগৃহীত
মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার ৩ নম্বর মুন্সীবাজার ইউনিয়নের ব্রাহ্মণগাঁও গ্রামস্থ হজরত শাহ কাজী খন্দকার (রহ.) মাজারসংলগ্ন টিলার ওপরে ছোট ও দৃষ্টিনন্দন এক মসজিদ রয়েছে। কালের সাক্ষী মসজিদটি সিলেট অঞ্চলের ইসলামিক ঐতিহ্যের অনন্য নিদর্শন। স্থানীয়দের ধারণা, মসজিদটি আনুমানিক ৩০০ বছর আগে নির্মিত। তবে ইতিহাসবিদদের মতে, গৌড় জনপদের মধ্যযুগের স্থাপনা এ মসজিদ। মসজিদটির দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ সমান ৬ ফুট। মসজিদটিতে ইমাম ও মুসল্লি মিলে একসঙ্গে নামাজ আদায় করতে পারেন পাঁচজন। বর্তমানে এ মসজিদে শুধু মাজার শরিফ জিয়ারতে আসা ব্যক্তিরা নফল নামাজ আদায় করেন।
এলাকার প্রবীণরা জানান, তৎকালীন সময়ে রাজনগর এলাকা গৌড় রাজার অধীন ছিল। পরে রাজ প্রথা ও জমিদারি প্রথা বিলুপ্তির পর মসজিদটি গভীর অরণ্যে হারিয়ে যায়। প্রায় শতবর্ষ আগে মাজারসংলগ্ন এলাকার টিলার গভীর অরণ্য আবাদের সময় মাটির নিচে পাওয়া যায় ইতিহাসের সাক্ষী এই মসজিদ। মসজিদটির ভেতরের অংশ আদিকালের চুন, সুরকি ও ইটের তৈরি হলেও বাইরে নতুন করে প্লাস্টার ও রঙের কাজ করা হয়েছে। কয়েক বছর পরপরই এভাবে সংস্কার করা হয় বলে জানান হজরত শাহ কাজী খন্দকার (রহ.) মাজার শরিফের খাদেম শেখ মো. আছকির মিয়া।
দৃষ্টিনন্দন ও দেশের অন্যতম ছোট এ মসজিদ দেখার জন্য দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে প্রতিদিনই অনেকে আসেন। ঐতিহ্যের স্মারক মসজিদটি প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের তালিকাভুক্ত করার দাবি এলাকাবাসীর।