দিলীপ মজুমদার
প্রকাশ : ০৩ অক্টোবর ২০২৫ ১১:০৯ এএম
শাহ সুজা মসজিদ কুমিল্লার ৩৬৫ বছরের পুরনো মুসলিম স্থাপত্যের নিদর্শন। সম্রাট শাহজাহানের দ্বিতীয় ছেলে বাংলার সুবেদার শাহ সুজার নামে ১৬৫৮ খ্রিস্টাব্দে কুমিল্লার গোমতী নদীর তীরে নির্মাণ করা হয় এই মসজিদ। গবেষকদের ধারণা, শাহ সুজা ত্রিপুরা রাজ্য জয় স্মরণীয় করতে মসজিদটি নির্মাণ করেন।
সাড়ে তিনশ বছরেরও পুরনো মসজিদটি উত্তর-দক্ষিণে লম্বা। মসজিদের দৈর্ঘ্য ১৭.৬৮ মিটার, প্রস্থ ৮.৫৩ মিটার ও প্রাচীরগুলো ১.৭৫ মিটার পুরু। মসজিদের চার কোণে ৪টি অষ্টকোনাকার বুরুজ রয়েছে। এগুলো কার্নিশের বেশ ওপরে উঠে গেছে এবং এর শীর্ষে রয়েছে ছোট গম্বুজ। মসজিদে ছয়টি মিনার রয়েছে। গম্বুজের শীর্ষে পদ্মফুলের নকশা ও তার ওপরে রয়েছে কলসি। গম্বুজের চারদিকে রয়েছে পদ্ম পাপড়ির মারলন নকশা। মসজিদের ফটক ধবধবে সাদা রঙের।
মসজিদের পূর্ব প্রাচীরে ৩টি এবং উত্তর ও দক্ষিণ প্রাচীরে একটি করে খিলানযুক্ত প্রবেশ পথ রয়েছে। বিভিন্ন সময়ে মসজিদটির সংস্কার ও সম্প্রসারণ করা হয়েছে। স্থানীয় ইতিহাস গবেষক অধ্যাপক আহসানুল কবীর বলেন, ‘মসজিদটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব অনেক। একে যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা এর নান্দনিক এবং ঐতিহাসিক গুরুত্ব সমুন্নত রাখার দায়িত্ব রাষ্ট্রের।’