প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১১:১৬ এএম
আল কুরআনের বাণী
আমি তওরাত অবতীর্ণ করেছি। এতে পথ-নির্দেশনা ও আলোর দিশা রয়েছে। যার মাধ্যমে আল্লাহর বিশ্বস্ত নবীরা ইহুদিদের বিচার মীমাংসা করত। আরও করত রাব্বানিগণ (চিকিৎসক) এবং বিচারকগণ। কেননা তারা ছিল ঐশী গ্রন্থের নির্দেশনাবলি পরিপালনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ও সাক্ষী। অতএব, তোমরা মানুষকে ভয় কর না, ভয় কর আমাকে। আমার অবতীর্ণ বাণীসমূহের বিনিময়ে ক্ষুদ্র কোনো সুবিধা ক্রয় কর না। আল্লাহ যা অবতীর্ণ করেছেন যারা তদনুযায়ী বিচারকার্য পরিচালনা করে না, তারাই অবিশ্বাসী।
আল-হাদিস থেকে
হজরত আব্বাস (রা.) কর্তৃক বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (স.) মৃত্যুশয্যায় থাকাকালীন হুজরার পর্দা তুলে দিলেন। লোকেরা এ সময় আবু বকরের পেছনে নামাজের কাতারে দাঁড়ানো ছিল। তিনি বলেন, হে লোকসকল! (আমার পর) আর নবুওয়াতের ধারা অবশিষ্ট থাকবে না। কিন্তু মুসলমানরা সত্যস্বপ্ন দর্শন করবে অথবা তাদের দেখানো হবে। সাবধান, আমাকে নিষেধ করা হয়েছে আমি যেন রুকু বা সিজদারত অবস্থায় কুরআন পাঠ না করি। তোমরা রুকু অবস্থায় মহান প্রভুর শ্রেষ্ঠত্ব ও মহত্ত্ব বর্ণনা করবে এবং সিজদারত অবস্থায় অধিক দোয়া পড়ার চেষ্টা করবে। কেননা, তোমাদের দোয়া কবুল হওয়ার উপযোগী।