প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০৯ মার্চ ২০২৫ ১৩:১০ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
পবিত্র রমজান মাসে রোজা রাখার পাশাপাশি বেশি বেশি নেক আমল করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ মাসে সৎকর্মের প্রতিদান কয়েকগুণ বৃদ্ধি করা হয়। তাই রোজাদারদের উচিত সময়কে যথাযথভাবে কাজে লাগানো এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনে মনোনিবেশ করা। রোজা রেখে উত্তম যেসব আমল করা উচিত-
কুরআন তিলাওয়াত
রমজান মাসকে কুরআনের মাস বলা হয়, কারণ এ মাসেই পবিত্র কুরআন নাজিল হয়েছে। তাই প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময় কুরআন তিলাওয়াতে ব্যয় করা উচিত।
অধিক পরিমাণে দোয়া করা
রোজা রেখে আল্লাহর কাছে দোয়া করলে তা কবুল হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। বিশেষ করে ইফতারের আগে ও সাহরির সময় দোয়া করার গুরুত্ব অনেক বেশি।
তাহাজ্জুদ ও নফল নামাজ পড়া
রমজানে রাতে ইবাদতের গুরুত্ব অনেক বেশি। তাই তারাবির পাশাপাশি তাহাজ্জুদ ও অন্যান্য নফল নামাজ আদায় করা উচিত।
ইস্তিগফার ও জিকির করা
যত বেশি সম্ভব আস্তাগফিরুল্লাহ, সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহু আকবার ইত্যাদি জিকির করা উচিত, যা আত্মাকে প্রশান্তি দেবে ও গুনাহ মাফ হবে।
দান-সদকা করা
রমজান হলো দান-সদকার শ্রেষ্ঠ সময়। যারা গরিব-দুঃখীদের সাহায্য করে, আল্লাহ তাদের সম্পদে বরকত দান করেন।
ধৈর্য ও সংযম বজায় রাখা
রোজা শুধু খাবার ও পানীয় থেকে বিরত থাকার নাম নয়, বরং কথা ও আচরণেও সংযমী থাকা জরুরি। কারও সঙ্গে রাগ বা ঝগড়া না করা উত্তম আমল।
আত্মীয়-স্বজনের খোঁজখবর নেওয়া
রমজান মাসে সম্পর্ক রক্ষা করা ও আত্মীয়দের খোঁজখবর নেওয়া অনেক সওয়াবের কাজ। তাই পরিবারের সদস্য ও আত্মীয়দের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখা উচিত।
গরিব ও অসহায়দের ইফতার করানো
যে ব্যক্তি রোজাদারকে ইফতার করায়, সে নিজেও রোজার সমান সওয়াব পায়। তাই সামর্থ্য অনুযায়ী গরিব ও অসহায়দের ইফতার করানো উত্তম আমল।
রমজান হলো আত্মশুদ্ধি ও আল্লাহর নৈকট্য লাভের মাস। এই মাসের প্রতিটি মুহূর্ত মূল্যবান, তাই যতটা সম্ভব বেশি ইবাদত ও সৎকর্মে নিজেকে নিয়োজিত রাখা উচিত। আল্লাহ আমাদের সবাইকে এই মাসের বরকত অর্জন করার তাওফিক দান করুন, আমিন