ফেনী-১
ফেনী প্রতিবেদক
প্রকাশ : ৩০ ডিসেম্বর ২০২৩ ২৩:৩০ পিএম
ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে নৌকা প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করছেন আলাউদ্দিন আহমেদ চৌধুরী নাসিম। প্রবা ফটো
ফেনীর পরশুরাম, ছাগলনাইয়া ও ফুলগাজি উপজেলা নিয়ে গঠিত ফেনী-১ আসন। এই আসনের এমপি নির্বাচিত হয়ে পাঁচবার সংসদে গিয়েছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। সবশেষ ২০০৮ সালে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বদন্দ্বিতা করে ফেনী-১ আসনের এমপি হয়েছিলেন তিনি। এরপর দশম ও একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসনটিতে নতুন মুখ দেখা যায়। নৌকা প্রতীকে নির্বাচন করে ওই দুইবার এমপি নির্বাচিত হন ১৪ দলীয় জোটের শরিক জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সাধারণ সম্পাদক শিরীন আখতার। এবার তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন না। সম্ভাব্য এমপি হিসেবে দেখা হচ্ছে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আলাউদ্দিন আহমেদ চৌধুরী নাসিমকে।
স্থানীয় নেতাকর্মীদের ধারণা, নির্বাচিত হওয়ার জন্য কঠিন লড়াইয়ের মুখে আছেন আলাউদ্দিন আহমেদ চৌধুরী নাসিম। তার বিপরীতে প্রতিদ্বন্দ্বি আছেন পাঁচজন। তাদের মধ্যে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বি জাতীয় পার্টির প্রার্থী শাহরিয়ার ইকবাল ও তৃণমূল বিএনপির মো. শাহজাহান। তবে সবাইকে ছাড়িয়ে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণায় নিজেকে এগিয়ে রেখেছেন নাসিম। এ কারণেই তাকে ঘিরে নিজেদের আগামীর জনপ্রতিনিধি বানানোর স্বপ্ন বুনছেন ভোটাররা।
ভোটাররা জানান, তিনটি উপজেলার এপ্রান্ত থেকে ওপ্রান্ত চষে বেড়াচ্ছেন নাসিম। দ্বারে দ্বারে ভোটারদের কাছে নৌকা প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করছেন। প্রতিদিন সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত গ্রামে-গ্রামে গিয়ে ছুটে বেড়াচ্ছেন তিনি।

শনিবার ফুলগাজী উপজেলার দরবারপুর ইউনিয়নের জগতপুর ও বসন্তপুর এলাকায় গণসংযোগ করেন নাসিম। এ সময় ছোট-বড় সবার সঙ্গে হাঁসিমুখে কুশল বিনিময়, ভোটারদের চাওয়া-পাওয়ার কথা শুনেছেন তিনি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ও জেলা বিএমএ সভাপতি ডা. সাহেদুল ইসলাম ভূঞা কাওসার, ফুলগাজী উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবদুল আলিম, কৃষক লীগ সভাপতি ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আবুল আলম আজমীর, দরবারপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দিন মজুমদার প্রমুখ।
ভোটারদের উদ্দেশে নাসিম চৌধুরী বলেন, নির্বাচিত হওয়ার আগে প্রতিশ্রুতি দিতে চাই না। কিন্তু উন্নয়ন নিয়ে আপনাদের কোনো চিন্তা করতে হবে না। আমার কথা হলো, আপনারা ৭ জানুয়ারি দলবেঁধে ভোট দিতে যাবেন। যত বেশি ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবেন তত বেশি উন্নয়ন হবে। ভোট বেশি হলে এমপির ওজন বাড়ে।’