প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৩ ডিসেম্বর ২০২৩ ২১:৩৭ পিএম
দেশের গণতান্ত্রিক নির্বাচনী ব্যবস্থা ধ্বংস করেছে বিএনপি-জামায়াত। তারা সংবিধান, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশের বিরোধী।
শনিবার (২৩ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ প্রগতিশীল কলামিস্ট ফোরামের আয়োজনে ‘দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন : ভোটার ভাবনা’ শীর্ষক এক সেমিনারে শিক্ষাবিদ ও বিশিষ্টজনেরা এসব কথা বলেন।
জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী মিলনায়তনে সেমিনারটি হয়।
বাংলাদেশ প্রগতিশীল কলামিস্ট ফোরামের সভাপতি ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. হারুন অর রশিদ।
সেমিনার মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক জয়ন্ত আচার্য।
বিশেষ অতিথি ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. হুমায়ুন কবীর চৌধুরী, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় দর্শন বিভাগের অধ্যাপক ড. ফরিদ আহমেদ ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শরীফুল ইসলাম।
অধ্যাপক ড. হারুন অর রশিদ বলেন, বলেন, ‘বাংলাদেশের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে আগামী নির্বাচন সফল করতে হবে। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নস্যাৎ করতে বিরোধী পক্ষ উঠেপড়ে লেগেছে। তাদেরকে সমুচিত জবাব দিতে হবে। তারা জনগণের কাছে না গিয়ে বিদেশে ধর্না দিচ্ছে। তাদের আচরণ কোনো রাজনৈতিক দলের ভিতর পড়ে না। তারা নির্বাচনে বাধা তৈরি করছে।’
যারা বাংলাদেশের উন্নয়ন ও স্থিতিশীল অবস্থা বজায় রাখতে চান তাদের দলে দলে কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান তিনি, ‘গোয়েন্দা সংস্থা দিয়ে গঠিত বিএনপি এবং জাতীয় পার্টি এখন বড় কিংস পার্টি। বিএনপির সিদ্ধান্ত আসে লন্ডন থেকে। টেক ব্যাক বাংলাদেশ মানে দেশকে আবারও পাকিস্তান বানানোর প্রচেষ্টা। বিএনপি-জামায়াত সেটাই করে যাচ্ছে। তাদেরকে প্রতিহত করতে হবে। বাংলাদেশে প্রতিদ্বন্দ্বীতাপূর্ণ নির্বাচনী পরিবেশ বিরাজ করছে। প্রত্যেক নাগরিক ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।’
অধ্যাপক ড. হুমায়ুন কবীর চৌধুরী বলেন, ‘দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সফল করার জন্য প্রত্যেকে নিজ নিজ জায়গায় থেকে ভূমিকা পালন করবেন। সবার আন্তরিকতা একান্ত প্রয়োজন।’