সুবল বড়ুয়া, চট্টগ্রাম অফিস
প্রকাশ : ০৩ নভেম্বর ২০২৩ ২০:৩০ পিএম
আপডেট : ০৩ নভেম্বর ২০২৩ ২০:৪১ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের ভাষ্যমতে জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। দেশের বড় দলগুলো এখনও পুরোপুরি ঐকমত্যে না এলেও সংবিধান অনুসারে যথাসময়ে নির্বাচন শেষ করতে মাঠ গোছাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সেই লক্ষ্যে মহানগরীসহ চট্টগ্রামের ১৬ আসনের ২ হাজার ২২টি ভোটকেন্দ্রের জন্য মজুদ করা হয়েছে ১৬ হাজার ৪৪০টি স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স। ২ হাজার ২২টি ভোটকেন্দ্রের ১৩ হাজার ৭৪১ ভোটকক্ষে মোট ৬৩ লাখ ৯৬৪ ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।
নির্বাচন কমিশনের তথ্যানুযায়ী, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের চেয়ে এবার ভোটকেন্দ্র, ভোটকক্ষ ও ভোটার তিনটিই বেড়েছে। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ছিল ১ হাজার ৯৫৮টি এবং ভোটকক্ষ ছিল ১১ হাজার ৮৫৪টি। এবার দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৬৪টি বেড়ে মোট ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ২ হাজার ২২টি এবং ১ হাজার ৮৮৭টি বেড়ে এবার মোট ভোটকক্ষের সংখ্যা ১৩ হাজার ৭৪১টি। এ ছাড়াও চট্টগ্রামের ১৬টি আসনে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন থেকে ৬ লাখ ৭৪ হাজার ৫৩১ জন বেড়ে এবার দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ভোটার ৬৩ লাখ ৯৬৪ জন।
এ প্রসঙ্গে চট্টগ্রামের সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. এনামুল হক প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, ‘চট্টগ্রামের ১৬ আসনের জন্য ২০২২টি ভোটকেন্দ্র চূড়ান্ত হয়েছে। আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রায় ৬৪ লাখ ভোটারের নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে চাহিদা অনুসারে স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সও চট্টগ্রামে এসে পৌঁছেছে। চট্টগ্রামের ১৬টি আসনের জন্য মোট ১৬ হাজার ৪৪০টি ব্যালট বাক্স মজুদ রয়েছে। এক কথায় ভোটকেন্দ্র, ভোটার তালিকা, নির্বাচনী প্যানেল প্রস্তুতসহ নির্বাচনের যাবতীয় প্রস্তুতি নিয়ে এখন পুরো নির্বাচন অফিস ব্যস্ত সময় পার করছে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী যখন যেটা নির্দেশনা আসছে তাই আপডেট করা হচ্ছে।
চট্টগ্রাম সিনিয়র জেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রামের ১৬ আসনে ২ হাজর ২২টি ভোটকেন্দ্র চূড়ান্ত করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রে ভোটকক্ষ রাখা হয়েছে ১৩ হাজার ৭৪১টি। মোট ৬৩ লাখ ৯৬৪ ভোটারের মধ্যে পুরুষ ভোটার ৩২ লাখ ৭৯ হাজার ৬২ জন এবং মহিলা ভোটার ৩০ লাখ ২১ হাজার ৯০২ জন।
চট্টগ্রামের ১৬ আসনের মধ্যে ২৭৮-চট্টগ্রাম-১ মিরসরাই আসনে ১০৬টি কেন্দ্রে ৭১৭টি ভোটকক্ষ, মোট ভোটার ৩ লাখ ৬৪ হাজার ৩০০ জন; ২৭৯-চট্টগ্রাম-২ ফটিকছড়িতে ১৪২টি কেন্দ্রে ৯৮১টি ভোটকক্ষ, মোট ভোটার ৪ লাখ ৫২ হাজার ২৭ জন; ২৮০-চট্টগ্রাম-৩ সন্দ্বীপে ৮৪টি কেন্দ্রে ৫২১টি ভোটকক্ষ, মোট ভোটার ২ লাখ ৩৯ হাজার ৭৮৪ জন; ২৮১-চট্টগ্রাম-৪ সীতাকুণ্ডে ১২৪টি কেন্দ্রে ৯৩৯টি ভোটকক্ষ, মোট ভোটার ৪ লাখ ২৬ হাজার ৮৯৬ জন; ২৮২-চট্টগ্রাম-৫ হাটহাজারীতে ১৪৬টি কেন্দ্রে ১ হাজার ৬১টি ভোটকক্ষ, মোট ভোটার ৪ লাখ ৭৫ হাজার ২৪ জন; ২৮৩-চট্টগ্রাম-৬ রাউজানে ৯৫টি কেন্দ্রে ৭০৭টি ভোটকক্ষ, মোট ভোটার ৩ লাখ ১৫ হাজার ৫৬২ জন; ২৮৪-চট্টগ্রাম-৭ রাঙ্গুনিয়ায় ১০৩টি কেন্দ্রে ৬৬২টি ভোটকক্ষ, মোট ভোটার ৩ লাখ ১১ হাজার ৬৪৭ জন; ২৮৫-চট্টগ্রাম-৮ বোয়ালখালী-চান্দগাঁও আসনে ১৮৪টি কেন্দ্রে ১ হাজার ১৪২টি ভোটকক্ষ, মোট ভোটার ৫ লাখ ১৬ হাজার ১২৮ জন; ২৮৬-চট্টগ্রাম-৯ কোতোয়ালিতে ১৪২টি কেন্দ্রে ৮৯৯টি ভোটকক্ষ, মোট ভোটার ৪ ১১ হাজার ৯৩৪ জন; ২৮৭-চট্টগ্রাম-১০ পাহাড়তলী-পাঁচলাইশ আসনে ১৪৮টি ভোটকেন্দ্রে ১ হাজার ৫৯টি ভোটকক্ষ, মোট ভোটার ৪ লাখ ৮৩ হাজার ৭০৫ জন; ২৮৮-চট্টগ্রাম-১১ বন্দর আসনে ১৫২টি ভোটকেন্দ্রে ১ হাজার ৬৬টি ভোটকক্ষ, মোট ভোটার ৫ লাখ ১০ হাজার ৫০৩ জন; ২৮৯-চট্টগ্রাম-১২ পটিয়া আসনে ১০৭টি কেন্দ্রে ৭৩২টি ভোটকক্ষ, মোট ভোটার ৩ লাখ ২৭ হাজার ৮১৫ জন; ২৯০-চট্টগ্রাম-১৩ আনোয়ারা-কর্ণফুলী আসনে ১১৮টি কেন্দ্রে ৮৩৩টি ভোটকক্ষ, মোট ভোটার ৩ লাখ ৫৫ হাজার ৩২ জন; ২৯১-চট্টগ্রাম-১৪ চন্দনাইশ ও সাতকানিয়া আংশিক আসনে ১০০টি কেন্দ্রে ৬৭৬টি ভোটকক্ষ, মোট ভোটার ২ লাখ ৮৭ হাজার ২১ জন; ২৯২-চট্টগ্রাম-১৫ সাতকানিয়া-লোহাগাড়া আসনে ১৫৭টি কেন্দ্রে ১ হাজার ৪৭টি ভোটকক্ষ, মোট ভোটার ৪ লাখ ৫৬ হাজার ১২৮ জন; ২৯৩-চট্টগ্রাম-১৬ বাঁশখালী আসনে ১১৪টি কেন্দ্রে ৬৯৯টি কক্ষ, মোট ভোটার ৩ লাখ ৬৭ হাজার ৪৫৮ জন।