× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

তিন দিনের অবরোধ বনাম শান্তি সমাবেশ

হার্ডলাইনে রাজনীতি, উৎকণ্ঠায় মানুষ

প্রবা প্রতিবেদক

প্রকাশ : ৩১ অক্টোবর ২০২৩ ০৮:২৮ এএম

আপডেট : ৩১ অক্টোবর ২০২৩ ১০:৩৭ এএম

হার্ডলাইনে রাজনীতি, উৎকণ্ঠায় মানুষ

জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক পরিস্থিতি সহিংস রূপ নিয়েছে। রাজপথে ফিরেছে আগুনসন্ত্রাস, ঝরছে প্রাণ। দেশের প্রধান দুই রাজনৈতিক দল ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ এবং রাজপথের বিরোধী দল বিএনপি ও তার মিত্ররা মুখোমুখি অবস্থান নিয়েছে। সরকারের পতন ও নির্দলীয়-নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের এক দফা দাবিতে আন্দোলন করছে বিএনপি ও তার মিত্ররা। অপরদিকে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ওই দাবি নাকচ করে সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন করতে বদ্ধপরিকর। দাবি আদায়ে ধারাবাহিক কর্মসূচির পর গত শনিবার রাজধানীতে মহাসমাবেশ থেকে পরদিন হরতালের ডাক দেয় বিএনপি ও তার মিত্ররা। হরতাল শেষে আজ মঙ্গলবার থেকে টানা তিন দিনের অবরোধ কর্মসূচি শুরু করছে তারা। এর বিপরীতে আওয়ামী লীগও শান্তি ও উন্নয়ন সমাবেশের কর্মসূচি নিয়ে রাজপথে থাকার ঘোষণা দিয়েছে।

রাজনৈতিক দলগুলো যখন হার্ডলাইনে, তখন রাজনৈতিক কর্মসূচির নামে রাজপথে সহিংসতাকারীর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের হুঁশিয়ারি এসেছে পুলিশের পক্ষ থেকে। রাজপথে পিটিয়ে পুলিশ সদস্য হত্যাকারীদের তারা কোনো ছাড় দিতে চায় না। ইতোমধ্যে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শীর্ষস্থানীয় অন্য নেতাদের বাসাবাড়িতে অভিযান চলছে। দলটির গুরুত্বপূর্ণ নেতারা রয়েছেন পুলিশের নজরদারিতে। এই যখন পরিস্থিতি, তখন জনমনে উদ্বেগ, উৎকণ্ঠা ক্রমশই বাড়ছে। বছরের শেষদিক হওয়ায় জনগণের একটি বড় অংশের দুশ্চিন্তা শুরু হয়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে তাদের সন্তানদের পরীক্ষা নিয়ে। হরতাল-অবরোধ দীর্ঘ হলে পণ্য পরিবহন বিঘ্নিত হবে, বাড়বে নিত্যপণ্যের দাম এমন দুশ্চিন্তাও ছড়িয়েছে সাধারণের মধ্যে। কর্মসূচি অব্যাহত থাকলে খেটে খাওয়া শ্রমজীবী মানুষও চরম অনিশ্চতায় পড়বে।

গত শনিবার পুলিশের সঙ্গে বিএনপি নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ-সহিংসতার যে ঘটনা ঘটেছে, পরদিন রবিবারের হরতালেও তা অব্যাহত ছিল। বিএনপির সমাবেশস্থলে পিটিয়ে পুলিশের এক সদস্যকে হত্যার মধ্য দিয়ে সহিংসতা প্রকাশ্যে আসে। ওইদিন পেট্রোল ঢেলে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয় যাত্রীবাহী বাস ও হাসপাতালের সামনে রাখা অ্যাম্বুলেন্স। হামলার ঘটনা ঘটে যানবাহন ও সরকারি-বেসরকারি ভবনে। হামলা থেকে রেহাই পায়নি প্রধান বিচারপতির বাসভবন, জাজেজ কমপ্লেক্সের মতো কেপিআই স্থাপনাও। পুড়িয়ে দেওয়া হয় পুলিশের ক্যাম্প ও অফিস। হামলা চালানো হয় পুলিশ মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে। বিরোধী দলের মহাসমাবেশ এবং হরতাল ঘিরে ইতোমধ্যেই ছয়জনের প্রাণহানি ঘটেছে। 

বিএনপি-জামায়াতের অবরোধ কর্মসূচি শুরু

বিএনপি-জামায়াত ও তাদের জোটসঙ্গীদের ডাকে আজ মঙ্গলবার থেকে আগামী বৃহস্পতিবার পর্যন্ত টানা তিন দিনের সর্বাত্মক অবরোধ কর্মসূচি শুরু হচ্ছে। বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী গতকাল সোমবার এক অনলাইন ব্রিফিংয়ে জানান, ৩১ অক্টোবর থেকে ২ নভেম্বর পর্যন্ত তিন দিনের এই অবরোধ পালিত হবে সারা দেশে সর্বাত্মকভাবে। এর আওতায় থাকবে রেল, সড়ক ও নৌপথ। তবে সংবাদপত্রের গাড়ি, অ্যাম্বুলেন্স এবং অক্সিজেন সিলিন্ডার পরিবহনের গাড়ি ও জরুরি ওষুধ পরিবহন অবরোধের আওতামুক্ত থাকবে।

গণতন্ত্র মঞ্চের শীর্ষ নেতা ও বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, ‘আমরা সর্বাত্মক অবরোধ কর্মসূচি দিয়েছি। এটার অর্থ হচ্ছে শহর ও নগরের সব যান চলাচল বন্ধ থাকবে।’

বিএনপির কর্মসূচি পালনে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে ঢাকার বাইরের জেলাগুলোকে ঢাকার সঙ্গে বিচ্ছিন্ন করে রাখার ওপর। দলটির তৃণমূলের নেতাকর্মীদের কাছে অবরোধ কর্মসূচি নিয়ে হাইকমান্ডের নির্দেশনার বিষয়ে দলটির গাজীপুর জেলা বিএনপির নেতা ও জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য কাজী ছাইয়েদুল আলম বাবুল প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, তাদের কাছে নতুন করে কোনো বার্তা আসেনি কেন্দ্র থেকে। তবে কর্মসূচিতে তো পরিষ্কার করেই বলা হয়েছে যে, অবরোধ হবে রেলপথ, নৌপথ ও রাজপথে। সুতরাং এখানে মূলত যোগাযোগ ব্যবস্থাটাই থাকবে অবরোধের আওতায়।’ তবে অফিস, আদালত, দোকানপাটের ব্যাপারে পৃথক করে কিছু বলা হয়নি বলে জানান তিনি।

বিএনপি ছাড়াও গণতন্ত্র মঞ্চ, ১২ দলীয় জোট, জাতীয়তাবাদী সমমনা জোট, এলডিপি, গণফোরাম-পিপলস পার্টি, গণতান্ত্রিক বাম ঐক্য, গণঅধিকার পরিষদ, লেবার পার্টি, এনডিএমসহ সরকার পদত্যাগের যুগপৎ আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত দলগুলো পৃথকভাবে এই অবরোধ কর্মসূচি করবে। বিএনপি ও তার মিত্রদের চলমান যুগপৎ আন্দোলনে না থাকলেও তাদের সঙ্গে মিল রেখে হরতালের পর এবার তিন দিনের সর্বাত্মক অবরোধের ডাক দিয়েছে জামায়াতও। বিএনপির ঘোষণার এক দিন পর গতকাল সোমবার দুপুরে জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এটিএম মাছুম এক বিবৃতিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান।

শান্তি ও উন্নয়নের সমাবেশ নিয়ে মাঠে থাকবে আ.লীগ 

বিএনপির ডাকা অবরোধ ঠেকাতে শান্তি ও উন্নয়নের সমাবেশ নিয়ে মাঠে থাকবে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। সরকার পতনের বিরোধীদের আগের কর্মসূচির পাল্টা কর্মসূচি নিয়ে মাঠে থাকার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে দলটির পক্ষ থেকে। যেকোনো ধরনের নাশকতা এড়াতে ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে ও গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে অবস্থান নেওয়ার পাশাপাশি সরকারের উন্নয়ন প্রকল্পগুলোতেও সতর্ক অবস্থান নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে কর্মসূচি নিয়ে মাঠে থাকলেও বিএনপির হাতে কোনো সুযোগ তুলে না দিতে নেতাকর্মীদের ধৈর্য ধরে পরিস্থিতি মোকাবিলা করার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রের পক্ষ থেকে।

দলের একাধিক নেতার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বিএনপি-জামায়াত অবরোধের নামে সরকারের উন্নয়ন প্রকল্পগুলোতে যাতে কোনো ধরনের নাশকতা চালাতে না পারে, সেজন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি দলীয় নেতাকর্মীদেরও সতর্ক অবস্থান নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল, বঙ্গবন্ধু টানেল, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ সরকারের মেঘা প্রকল্পগুলোতে সতর্ক অবস্থানে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

গতকাল সোমবার রাজধানীর ২৩ বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের যৌথ সভায় আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বিএনপি-জামায়াতের নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের পূর্বঘোষণা অনুযায়ী শান্তি ও উন্নয়ন সমাবেশ চলমান রাখার ঘোষণা দেন। নেতাদের উদ্দেশ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, আওয়ামী লীগ শান্তিপূর্ণ অবস্থানে থাকবে, সতর্ক থাকবে। বিএনপির অবরোধ কর্মসূচির পাল্টাপাল্টি কর্মসূচিতে আওয়ামী লীগ যাবে না। বরাবরের মতোই পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত শান্তি সমাবেশ করবে। অবরোধের নামে বিএনপি যাতে উন্নয়ন স্থাপনা নষ্ট করতে না পারে, সেজন্য সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। 

আওয়ামী লীগের ঢাকা বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, ‘বিএনপির ডাকা হরতালের মতোই অবরোধের মধ্যেও সতর্ক অবস্থানে থাকব আমরা। কোথাও কেউ যেন নাশকতা করতে না পারে, এজন্য সব জায়গায় সতর্ক অবস্থান নিতে বলা হয়েছে। তবে কেউ যাতে বিএনপি-জামায়াতের উস্কানিতে পা না দেয়, সে বিষয়ে সতর্ক থাকতেও বলা হয়েছে। সরকারের বড় বড় উন্নয়ন প্রকল্পগুলোতে কেউ যেন নাশকতা চালাতে না পারে, এজন্য অবরোধের মধ্যে নেতাকর্মীদের সতর্ক অবস্থান নিতেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 

হার্ডলাইনে থাকবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

বিএনপি ও জামায়াতের ডাকা দেশব্যাপী তিন দিনের অবরোধ কর্মসূচিকে ঘিরে সহিংসতা দমনে ‘হার্ডলাইনে’ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আইনশৃঙ্খলা-বিষয়ক বিশেষ সভা এবং পুলিশ সদর দপ্তরে অনির্ধারিত সভা করে দেশব্যাপী নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। সমন্বয় করা হচ্ছে আন্তঃবাহিনীগুলোর মধ্যে নিরাপত্তা প্রস্তুতি। সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা। কোথাও কোনো ধরনের নাশকতা সৃষ্টির চেষ্টা করলে ছাড় দেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তারা। নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে শিল্পাঞ্চল ও কেপিআই স্থাপনাগুলোতে। বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে নিয়মিত পুলিশের পাশাপাশি প্রস্তুত রয়েছে আর্মড ‍পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন), বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), র‌্যাব ও আনসার সদস্যরা।

বিভিন্ন ব্যারাকে প্রস্তুত রয়েছে রিজার্ভ পুলিশের সদস্যরা। যাতে স্বল্পসময়ের নোটিসে তারা মুভমেন্ট করতে পারে। সোমবার মধ্যরাত থেকেই দেশের সবগুলো মহাসড়ক ও রাজধানীতে মোতায়েন করা হয়েছে বিজিবি সদস্য। সারা দেশে টহল শুরু করেছে র‌্যাবের ৩০০টি টিম। রেললাইন, রেলস্টেশন, বাসস্টেশন ও সড়কপথ রক্ষায় দেশের ১ হাজার ৩৭১টি স্থানকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করে ১২ হাজার ১৪৫ জন আনসার সদস্য মোতায়েন রাখা হবে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পুলিশ, বিজিবি, র‌্যাব ও আনসার বাহিনীর সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।

তিন দিনের অবরোধ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তাব্যবস্থা সম্পর্কে আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন বলেন, ‘দেশের মানুষের জানমাল ও ও রাষ্ট্রীয় সম্পদ রক্ষাসহ সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে যা যা করা দরকার, পুলিশ তা-ই করবে। অবরোধের নামে বিশৃঙ্খলা ‍সৃষ্টি করে, সড়ক বা রেলপথে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে নাশকতা সৃষ্টির চেষ্টা করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।’ 

পুলিশ সদর দপ্তরের ডিআইজি (অপারেশন) আনোয়ার হোসেন জানান, ‍সারা দেশে ‍পুলিশকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। কেউ যাতে কোনো অরাজকতা সৃষ্টি করতে না পারে, সেজন্য মাঠপর্যায়ের পুলিশকে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে নিরাপত্তা প্রস্তুতি কার্যকরে বিশেষ বার্তা দেওয়া হয়েছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বিশেষ সভা

অবরোধ কর্মসূচিকে ঘিরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বিভিন্ন সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তাদের নিয়ে আইনশৃঙ্খলা-বিষয়ক বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পরবর্তী করণীয় পদক্ষেপ ও আন্তঃবাহিনী সমন্বয় করে সবকটি সংস্থাকে নিরাপত্তা-বিষয়ক বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া রবি ও শনিবার সংঘটিত সহিংস কর্মকাণ্ডের পর্যালোচনা, সম্ভাব্য পরবর্তী করণীয় বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। সভায় শিল্পাঞ্চল, কেপিআইভুক্ত স্থাপনা এলাকায় আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। পাশাপাশি স্বার্থান্বেষীমহল যাতে গার্মেন্টসহ শ্রমিকদের উস্কানি দিয়ে কোনো ধরনের অস্থিরতা তৈরি করতে না পারে, সে বিষয়ে বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. মোস্তাফিজুর রহমান। সভায় আইজিপি, ডিএমপি কমিশনার, র‌্যাব মহাপরিচালক, এসবি প্রধান, শিল্প পুলিশের প্রধান, হাইওয়ে পুলিশ প্রধান, রেলওয়ে পুলিশ প্রধান ও সবগুলো গোয়েন্দা সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। 

বাস-ট্রাক চালানোর ঘোষণা

বিরোধী দলের অবরোধ চলাকালে আজ মঙ্গলবার থেকে পরবর্তী তিন দিন বাস, ট্রাকসহ সব ধরনের যানবাহন চালানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি। গতকাল সোমবার মালিক-শ্রমিকদের যৌথ সভা শেষে এই ঘোষণা দেওয়া হয়। সমিতির মহাসচিব খন্দকার এনায়েত উল্যাহ বলেন, সভায় সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মঙ্গলবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সব ধরনের যানবাহন চলবে। এর আগে হরতালের দিনও আমরা পরিবহন চালানোর ঘোষণা দিয়েছিলাম। কিন্তু যাত্রী না থাকায় দূরপাল্লার বাস ছেড়ে যায়নি।


শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা