প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০১ অক্টোবর ২০২৩ ১০:৪২ এএম
আপডেট : ০১ অক্টোবর ২০২৩ ১১:৩৫ এএম
ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন।
বর্ষীয়ান রাজনীতিক বিএনপির স্থায়ী কমিটির সিনিয়র সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের ৭৮তম জন্মদিন আজ রবিবার। ১৯৪৬ সালের ১ অক্টোবর কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি উপজেলার গয়েশপুর গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ও চেয়ারম্যান, গবেষক, ভূবিজ্ঞানী ড. মোশাররফ হোসেন লেখক এবং কলামিস্ট হিসেবেও সুপরিচিত।
ড. মোশাররফ দেশের স্বাস্থ্য খাতে ব্যাপক উন্নয়ন, তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন প্রণয়নসহ নানা ক্ষেত্রে অবদানের জন্য স্বর্ণপদক অর্জনের পাশাপাশি বিভিন্ন সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন। তিনি তার জেলায় একটি নতুন উপজেলা তিতাস প্রতিষ্ঠাসহ হাজার কোটি টাকার যুগান্তকারী উন্নয়ন করেছেন।
ড. মোশাররফ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৬৮ সালে এমএসসি ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১৯৬৯ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভূতত্ত্ব বিভাগে প্রভাষক পদে যোগ দেন। ১৯৮৭ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত এই বিভাগে পালন করেন চেয়ারম্যানের দায়িত্ব। ১৯৯১ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পদত্যাগ করেন।
মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষে বিশ্বজনমত সৃষ্টির জন্য খন্দকার মোশাররফ ১৯৭১ সালে বিলাতপ্রবাসী বাঙালিদের সংগঠিত করেন এবং ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক হিসেবে বলিষ্ঠ নেতৃত্ব দেন। ‘প্রবাসে বিশ্বজনমত গঠন’ ক্যাটাগরিতে ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা’ হিসেবে তার নাম গেজেটভুক্ত।
ড. মোশাররফ কুমিল্লা-২ আসন থেকে চারবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি ১৯৯১-৯৬ মেয়াদে বিএনপি সরকারের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদমন্ত্রী, ১৯৯৬ সালে স্বল্পমেয়াদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং ২০০১-০৬ মেয়াদে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের লেখা বইয়ের মধ্যে রয়েছে ‘মুক্তিযুদ্ধে বিলাত প্রবাসীদের অবদান’, ‘প্লাবণভূমিতে মৎস্য চাষ : দাউদকান্দি মডেল’, ‘ফখরুদ্দীন-মইন উদ্দিনের কারাগারে ৬১৬ দিন’, ‘রাজনীতির হালচাল’, ‘জরুরী আইনে সরকারের দুই বছর (২০০৭ ও ২০০৮)’, ‘করোনাকালে বাংলাদেশ : সংক্রমণের দশ মাস’, ‘আমার রাজনীতির রোজনামচা’ ইত্যাদি। তিনি ২ পুত্র ও ১ কন্যাসন্তানের জনক।