অস্ত্র নিয়ে ধস্তাধস্তির ঘটনায়
বরিশাল অফিস
প্রকাশ : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ২০:৫৪ পিএম
আপডেট : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ২১:০৫ পিএম
(বায়ে) জাপা নেতাকর্মীরা ও শ্রমিক লীগ পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেল করেছে। প্রবা ফটো
সড়কে জাতীয় পার্টি (জাপা) ও
শ্রমিক লীগ নেতার পিস্তল নিয়ে ধস্তাধস্তির ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তাপ ছড়াচ্ছে বরিশালের
রাজনীতির অঙ্গনে। পাল্টাপাল্টি অভিযোগের পর এবার সংবাদ সম্মেলন করছে উভয় পক্ষ।
সোমবার
(৪ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় শহীদ আবদুর রব সেরনিয়াবাত প্রেস ক্লাবে জাতীয় পার্টি জেলা
ও মহানগর শাখা এবং বিকাল ৪টায় শ্রমিক লীগ মহানগর শাখা সংবাদ সম্মেলন করে।
রবিবার
নগরীর পোর্টরোড এলাকার ভূমি অফিসের সামনের জাতীয় পার্টির জেলা শাখার আহ্বায়ক ও সিটি
করপোরেশনের দুই নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর অ্যাডভোকেট এ কে এম মুরতজা আবেদীন এবং জাতীয়
শ্রমিক লীগের মহানগর শাখার সাধারণ সম্পাদক রইজ আহম্মেদ মান্নার মধ্য অস্ত্র নিয়ে ধস্তাধস্তির
ঘটনায় দুই সংগঠন পৃথক এ সম্মেলনের আয়োজন করে।
জাতীয়
পার্টির পক্ষ থেকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার উল্লেখ করে মান্নাকে দ্রুত গ্রেপ্তারের
দাবি জানিয়েছে জাপা। অন্য দিকে মহানগর আওয়ামী লীগ ও শ্রমিক লীগ নেতারা বলেছেন, রবিবারের
ঘটনা মান্না ও মুরতজা একান্ত ব্যক্তিগত বিরোধের বহিঃপ্রকাশ। এখানে আওয়ামী লীগ কিংবা
শ্রমিক লীগের কোনো সম্পর্ক নেই। তবে শ্রমিক লীগের পক্ষ থেকে দলের সাধারণ সম্পাদক মান্নাকে
গুলি করে হত্যা চেষ্টাকারী মুরতজা আবেদীনের বিচারের দাবি জনিয়েছেন তারা।
জাপার
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য একেএম মোস্তফা। তিনি
শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক রইস আহমেদ মান্নার শাস্তির দাবি করে বলেন, ‘জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির
ভাইস- চেয়ারম্যান ও বরিশাল জেলা জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক ও বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের
পরপর পাঁচবারের নির্বাচিত কাউন্সিলর অ্যাডভোকেট এ কে এম মুরতজা আবেদীনের ওপর শ্রমিক
লীগ মহানগরের সাধারণ সম্পাদক রইজ আহম্মেদ মান্না ও তার সহগযোগিরা পূর্বপরিকল্পিত হামলা
চালিয়েছে। একপর্যায়ে মুরতজা আবেদীনের লাইসেন্স করা পিস্তল ছিনতাইয়ের চেষ্টা করে। যা
মুরতজা আবেদীনের দেওয়া ভিডিওতে পরিস্কার। মুরতজা আবেদীনের ওপর পূর্বপরিকল্পিত হামলা
করার পরও মান্না মিথ্যা বানোয়াট তথ্য দিয়ে প্রশাসনসহ বরিশালবাসীকে বিভ্রান্ত করেছে।’
অন্যদিকে শ্রমিক লীগের সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক বেল্লাল হোসেন শিশির। তিনি বলেন, ‘বরিবার পোর্টরোড ভূমি অফিসের সামনে মুরতজা আবেদীন পরিকল্পিতভাবে আমাদের সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক রইজ আহম্মেদ মান্নাকে জনসমক্ষে গুলি করে হত্যার চেষ্টা করে। স্থানীয় জনগণ প্রতিহত করে ও পরে মুরতজা আবেদীনকে পিস্তলসহ পুলিশে সোপর্দ করে। সূর্যের মত পরিস্কার ঘটনাটি অন্য খাতে প্রবাহিত করার জন্য মুরতজা আবেদীন প্রশাসন, সংবাদ মাধ্যমসহ অন্যান্য মহলে বিভিন্ন বিভ্রান্তিকর মিথ্যা তথ্য প্রদান করে রাজনৈতিক মহলের ধোয়াশা তৈরী করার চেষ্টায় আছেন।’