দীপক দেব
প্রকাশ : ০৭ আগস্ট ২০২৩ ০০:৫১ এএম
আপডেট : ০৭ আগস্ট ২০২৩ ১১:২২ এএম
আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ফাইল ছবি
নৌকার বিজয় নিশ্চিত করতে তৃণমূলের নেতাদের এক হয়ে নির্বাচনের প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আগামী নির্বাচনকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, দল থেকে যাকেই মনোনয়ন দেওয়া হবে সবাই মিলে তার জন্য কাজ করবেন, আমাকে এ ওয়াদা করেন। মনে রাখবেন, আমি যাকে মনোনয়ন দেব, চুলচেরা বিশ্লেষণ করে ও বিশেষ কারণে দেব। তাকে জিতিয়ে আনতে হবে। আপনারা আমাকে হাত তুলে ওয়াদা করুন। এ সময় আওয়ামী লীগের তৃণমূলের নেতারা দলীয় সভাপতির সামনে দুই হাত তুলে দলীয় প্রার্থীর পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার ওয়াদা করেন।
রবিবার (৬ আগস্ট) গণভবনে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের বিশেষ বর্ধিত সভায় সমাপনী বক্তব্যে আওয়ামী লীগ সভাপতি তৃণমূলের নেতাদের উদ্দেশে আগামী নির্বাচন নিয়ে বিভিন্ন নির্দেশনা দেন। বৈঠকে উপস্থিত দলের একাধিক নেতা প্রতিদিনের বাংলাদেশকে এ কথা নিশ্চিত করেছেন।
আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে সকাল সাড়ে ১০টায় গণভবন প্রাঙ্গণে শুরু হয় এই বিশেষ বর্ধিত সভা। দলীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বক্তব্যের পর সারা দেশ থেকে আসা তৃণমূলের নেতারা বক্তব্য দেন। সেখানে দলীয় এমপিদের বিরুদ্ধে নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন না করা, টিআর-কাবিখা সঠিকভাবে কাজে না লাগানোর মতো বিষয় তুলে ধরেন কেউ কেউ। এ ছাড়া তৃণমূলের বিভিন্ন বিষয়ে কেন্দ্রীয় নেতাদের হস্তক্ষেপের কথাও উঠে এসেছে তাদের বক্তব্যে। এসব অভিযোগ ও আক্ষেপের কথা জানানোর পরও দলীয় সভাপতির সামনে সব ভেদাভেদ ও কোন্দল ভুলে ঐক্যবদ্ধ থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তৃণমূলের নেতারা। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দল মনোনীত প্রার্থীকে বিজয়ী করার প্রতিশ্রুতি দেন তারা।
তৃণমূলের নেতাদের উদ্দেশে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেন, এখন থেকেই নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে হবে। আমাদের একমাত্র শক্তি হচ্ছে জনগণ, জনগণের একমাত্র শক্তি হচ্ছে আওয়ামী লীগের শক্তি। জাতির পিতা শেখ মুজিব কোনোদিন কারও কাছে মাথা নত করেননি। নিজের জীবন কবুল করে এই দেশের মানুষের মুক্তি এনে দিয়েছেন। আমরা তাঁরই আদর্শের অনুসারী। আমরাও কারও কাছে মাথা নত করব না।
বিএনপি-জামায়াতের ২০১৩ সালের আন্দোলনের সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাদের আন্দোলন হলো আগুন দিয়ে মানুষ হত্যা করা, জনগণের জন্য কাজ করা না। তারা মনে করেছিল আগুন দিয়ে মানুষ পোড়ালে, গাছ কাটলে সরকার পড়ে যাবে। আওয়ামী লীগের শিকড় এত কাঁচা না। মানুষের সমর্থন না থাকায় ১০ ডিসেম্বর তারা কিছু করতে পারেনি।
খালেদা জিয়া ভোট চুরি করেছিল, আমরা তাকে উৎখাত করেছিলাম। আওয়ামী লীগের শক্তিশালী সংগঠন আছে বলেই তারা আন্দোলন করে কিছু করতে পারেনি। বরং তারাই ধীরে ধীরে মানুষের কাছে প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে।
তৃণমূলের নেতাদের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, প্রতিটি শ্রেণি-পেশার মানুষের জন্য আওয়ামী লীগই কাজ করেছে। আগে কেউ কোনোদিন এসব মানুষের কথা ভাবেনি, কিছু করেওনি। আমরা যে উন্নয়ন করেছি, পরিবর্তন এনেছি, সেই তথ্যগুলো আপনারা মানুষের কাছে পৌঁছে দেবেন। জনগণের কাছে আমরা দায়বদ্ধ।
দুপুরে খাবার ও নামাজের বিরতির পর বেলা ৩টায় ফের শুরু হওয়া এই বিশেষ বর্ধিত সভা চলে বিকাল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত। আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপের সঞ্চালনায় বিশেষ বর্ধিত সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন দলটির সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। এর আগে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত, গীতা থেকে পাঠ, বাইবেল ও ত্রিপিটক পাঠ করা হয়। এরপর উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
আওয়ামী লীগের এই বিশেষ বর্ধিত সভায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ ১৫ আগস্ট নিহত সকলের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
সভায় দলের উপদেষ্টা পরিষদ, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ, জাতীয় কমিটিসহ সারা দেশের ৭৮টি সাংগঠনিক জেলা ইউনিটের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক, উপজেলা, থানা ও পৌর ইউনিটের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক, দলীয় সংসদ সদস্য, সিটি করপোরেশনের মেয়র, জেলা সদরের পৌর মেয়র, উপজেলা চেয়ারম্যান ও সহযোগী সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকরা অংশ নেন। গণভবন প্রাঙ্গণে মোট সাড়ে ৩ হাজার মানুষের বসার ব্যবস্থা করা হয়।
প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনী বক্তব্যের পর তৃণমূলের নেতারা বক্তব্য দেন। সারা দেশের প্রায় অর্ধশত নেতা বক্তব্য রেখেছেন। এ সময় তারা নিজ নিজ সাংগঠনিক জেলার নানা সমস্যা তুলে ধরেন। তৃণমূল নেতাদের বক্তব্যের বড় অংশ জুড়েই ছিল গত সাড়ে ১৪ বছরে সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের ব্যাপক প্রশংসা।
এমপিদের বিরুদ্ধে যা বললেন নেতারা
পটুয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি কাজী আলমগীর বলেন, পটুয়াখালী জেলার তৃণমূলের আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা ভালো নেই। তাদের কথা, আমরা আমাদের সরকারের সুফল ঘরে তুলে নিতে পারিনি। নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের অনেকেই দলের দুস্থ ও গরিব নেতাকর্মীদের খোঁজ রাখে না। জেলার সব উপজেলায় সাংগঠনিক অবস্থা ভালো আছে। কিন্তু বাউফল উপজেলায় অনেকদিন যাবৎ বিরোধ চলছে। সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের গ্রুপিংয়ের কারণে প্রায়ই সেখানে মারামারির ঘটনা ঘটছে। নির্বাচনের আগেই এই সমস্যা সমাধানে দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের প্রতি অনুরোধ জানান তিনি।
সিরাজগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুস সামাদ তালুকদার দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনার উদ্দেশে বলেন, আওয়ামী লীগ নেতা ও জনপ্রতিনিধিরা আজকে আপনার সামনে কমিটমেন্ট করে যাবেন যে আমরা দলের ভিতরে কোনো বিভাজন করব না। নেতাকর্মীদের সঙ্গে সম্পর্ক বাড়াব। মানুষের সঙ্গে ব্যক্তিগত সম্পর্ক বাড়াব। কিন্তু এখান থেকে বের হয়েই দলবল নিয়ে গিয়ে এলাকায় গ্রুপিং করব, এটা যেন না হয়। যৌথভাবে সবাই দলের জন্য কাজ করব। আমি আমার আমিত্ব জাহির করব নাÑ এই কমিটমেন্ট দরকার। যাকেই মনোনয়ন দেবেন আমরা তার পক্ষেই কাজ করব। উপজেলাগুলোতে কমিটি করে আমরা কাজ করছি। কিন্তু দুর্ভাগ্য হচ্ছে, সেগুলোকে আমরা বেশি স্থায়ী রাখতে পারছি না। এ সময় আশ্রয়ণ প্রকল্পের নাম ‘বঙ্গবন্ধু আশ্রয়ণ পল্লী’ করার প্রস্তাব করেন তিনি।
যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলন জেলার এমপিদের কেউ কেউ সরকারের পক্ষ থেকে বরাদ্দ দেওয়া টিআর ও কাবিখা প্রকল্পের সঠিক ব্যবহার করেন না বলে অভিযোগ করেন।
পঞ্চগড় জেলায় ব্যাপক উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার সাদাত সম্রাট বলেন, বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর দিয়ে চারটি দেশের পণ্য আমদানি-রপ্তানি ও ইমিগ্রেশন চালু হওয়ায় এ অঞ্চলের মানুষ ব্যাপক উপকৃত হয়েছে। চা-বাগান জেলার অর্থনৈতিক উন্নয়নে আমূল পরিবর্তন এনেছে। তিনি বলেন, পঞ্চগড় এখন ভূমিহীন ও গৃহহীনমুক্ত জেলা। সাধারণ মানুষ তো প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া ঘর উপহার পেয়েছেন। বিএনপির অসচ্ছল নেতাকর্মীদের প্রতিও কোনো অবিচার করা হয়নি। শেখ হাসিনার উদারতায় তারাও ঘর পেয়েছেন। একজন বিএনপি নেতার বক্তব্য তুলে ধরে তিনি বলেন, উপকারভোগী বিএনপি নেতারাও ব্যক্তিগত আলাপে বলেন, দেশ চালানোর জন্য শেখ হাসিনার বিকল্প নেই। তাদেরকে যখন জিজ্ঞাসা করা হয়Ñ বিএনপি নেতারা কেন সরকার ও শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আন্দোলন করে, সমালোচনা করে, তারা তখন জবাব দেন, মঞ্চে উঠে বক্তৃতা করে মাইকে সরকারের সমালোচনা আর বিপক্ষে না বললে বিএনপির তো রাজনীতি থাকে না। তাই বিএনপির নেতারা সরকারকে গালিগালাজ করেন। তবে উপকারভোগী বিএনপি নেতাকর্মীরা আগামীতে নৌকায় ভোট দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বলেও জানান সম্রাট।
ফেনী ও দিনাজপুরে বিএনপির ভোট কমেছে
ফেনী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সংসদ সদস্য নিজাম হাজারী বলেন, খালেদা জিয়ার জন্মস্থান হওয়ায় ফেনী এক সময় বিএনপির ঘাঁটি ছিল। সাড়ে ১৪ বছরে জেলার প্রতিটি এলাকায় উন্নয়নের ছোঁয়া লেগেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের ফলে জেলায় ভোটের চিত্রও বদলে গেছে। ফেনী এখন আর বিএনপির ঘাঁটি নেই। ফেনী এখন আওয়ামী লীগের ঘাঁটি। ফেনীতে সাংগঠনিক কোনো দুর্বলতা নেই। দিনাজপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলতাফুজ্জামান মিতা বলেন, খালেদা জিয়ার বেড়ে ওঠা দিনাজপুরে। ফলে বিএনপি সেখানে কিছু ভোট পেত। গত সাড়ে ১৪ বছরে জেলায় ব্যাপক উন্নয়ন হওয়ায় সেখানে বিএনপির ভোট এখন অনেক কমে গেছে। আওয়ামী লীগের ভোট বেড়েছে কয়েকগুণ। দিনাজপুর জেলা সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী বলে উল্লেখ করেন তিনি। দিনাজপুরের একজন সংসদ সদস্য জেলা আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে বক্তব্য দিয়ে আসছেন বলে তিনি অভিযোগ করেন। তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান মিতা।
ত্যাগী, জনপ্রিয় ও সাবেক ছাত্রনেতাদের মনোনয়ন দেওয়ার দাবি
জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বিজন কুমার দাস আগামীতে প্রার্থী চূড়ান্ত করার সময় সাবেক ছাত্রলীগ ও জনপ্রিয়দের অগ্রাধিকার দেওয়ার অনুরোধ জানান। নির্বাচনের আগেই জেলার সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনগুলোর মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি দেওয়ার অনুরোধ জানান তিনি। কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি রুহুল আমিন বলেন, সব ভেদাভেদ ও কোন্দল দূর করে আগামী জাতীয় নির্বাচনেও জেলার ৬টি আসনেই নৌকার বিজয় হবে। জরিপের ভিত্তিতে জনপ্রিয় নেতাদের মনোনয়ন দেওয়ার দাবি জানান তিনি। এ সময় তিনি প্রধানমন্ত্রীকে একটি দেশাত্মবোধক গান গেয়ে শোনান। হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আলমগীর চৌধুরী আগামী নির্বাচনে ছাত্রলীগ থেকে উঠে আসা নেতাদের দলীয় মনোনয়ন দেওয়ার পাশাপাশি দলের কাজে লাগানোর দাবি জানান।
লালমনিরহাটে লাঙ্গলের বদলে নৌকার মনোনয়ন দাবি
লালমনিরহাট জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মতিয়ার রহমান লালমনিরহাটে আগামীতে লাঙ্গলের পরিবর্তে নৌকা মার্কার মনোনয়ন দেওয়ার দাবি জানান। এ সময় জেলার উন্নয়নচিত্র তুলে ধরেন তিনি। জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, লালমনিরহাট তো লালে লাল হয়ে গেছে। অনেক কিছু দিয়েছি।
বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট তালুকদার মোহাম্মদ ইউনুস বলেন, অনেকেরই এমপি হওয়ার স্বপ্ন থাকতে পারে। সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ হলো আমাদেরকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।
শত ফুল ফোটার পথ বন্ধ করে দেন প্রভাবশালী নেতারা
গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি আজমত উল্লা খান বলেন, নেত্রী আপনি তো বলেন, শতফুল ফুটুকÑ সেখান থেকে আমি ভালোটা বেছে নেব। কিন্তু অনেক বড় নেতা হস্তক্ষেপ করে শতফুল ফোটার পথ বন্ধ করে দিচ্ছেন।
বর্ধিত সভায় আরও বক্তব্য রাখেনÑ সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমান চৌধুরী, বরগুনার তালতলী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান রেজবি-উল কবির, নেত্রকোণার কলমাকান্দা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইসলাম উদ্দিন, চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম মোস্তফা বিশ্বাসসহ সারা দেশের জেলা, মহানগর ও উপজেলা পর্যায়ের প্রায় অর্ধশত নেতা।
‘শত সংগ্রামে অজস্র গৌরবে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে’ শীর্ষক এই বিশেষ বর্ধিত সভায় যোগ দিতে তৃণমূলের নেতাকর্মীরা সকাল ৯টা থেকেই গণভবনে প্রবেশ করতে শুরু করেন। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মঞ্চে আসেন শেখ হাসিনা।