প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৮ জুলাই ২০২৩ ০০:৫০ এএম
আপডেট : ১৮ জুলাই ২০২৩ ১২:০৯ পিএম
জাতীয় প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দিচ্ছেন নুরের গণঅধিকারের নেতারা। প্রবা ফটো
নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধন না দেওয়ার প্রতিবাদে নির্বাচন কমিশন অভিমুখে গণপদযাত্রা কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে নুরুল হক নুরের গণঅধিকার পরিষদ। আজ মঙ্গলবার বিকাল ৪টায় কর্মসূচি হবে বলে জানিয়েছেন দলটির উচ্চতর পরিষদের সদস্য আবু হানিফ। এদিন গণঅধিকার পরিষদের কার্যালয়ের সামনে থেকে গণপদযাত্রা শুরু হবে। পল্টনের বক্স কালভার্ট রোডের প্রীতম জামান টাওয়ারের সামনে থেকে শুরু করে মগবাজার, কারওয়ান বাজার হয়ে নির্বাচন কমিশন ভবন অভিমুখে যাবেন গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীরা।
সোমবার (১৭ জুলাই) জাতীয় প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধন না পাওয়া দলগুলোর নেতারা। নাগরিক ঐক্য, আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি), লেবার পার্টি, বাংলাদেশ হিউম্যানিস্ট পার্টি (বিএইচপি), ডেমোক্রেটিক পার্টি, বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টি (বিএমজেপি), বাংলাদেশ পিপলস পার্টি (বিপিপি), বাংলাদেশ সনাতন পার্টি ও বাংলাদেশ লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি -বিএলডিপির নেতাদের সঙ্গে সংবাদ সম্মেলনে যোগ দেন নুরুল হক নুর ও রেজা কিবরিয়ার অনুসারীরা।
সেখানে নুরুল হক নুর নিজ দলের নিবন্ধন না পাওয়ায় ইসি কার্যালয় ঘেরাও কর্মসূচির কথা জানান।পরে অন্যরাও তাতে সুর মেলান।
তার আগে সোমবার সকালে পল্টনের প্রীতম জামান টাওয়ারে গণঅধিকার পরিষদের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে গণঅধিকার পরিষদ।
তাতে গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান বলেন, এক দফা আন্দোলনের ঘোষণা এবং দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে রাজি না হওয়ায় গোয়েন্দা সংস্থা ও সরকারের প্রেসক্রিপশনে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে আজ্ঞাবহ, মেরুদণ্ডহীন নির্বাচন কমিশন।
নির্বাচন কমিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে—গণঅধিকার পরিষদ ১০০ উপজেলায় দলের কার্যালয় থাকার কথা উল্লেখ করলেও ৩০টি উপজেলায় কার্যালয় দেখাতে পারেনি।
রাশেদ খান বলেন, আসলে এটি সঠিক তথ্য নয়। আমাদের ১০০টির বেশি কার্যালয় আছে। ৫৪ জেলা কমিটি, ২ শতাধিক উপজেলা কমিটি রয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার আমাদের আদালতে যেতে বলেছেন। নিবন্ধন না দিয়ে আদালতের বারান্দায় বারান্দায় ঘোরানোর পাঁয়তারা করছেন।
তিনি নির্বাচন কমিশন ঘেরাও করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকারের পরিবর্তন ঘটাতে হবে। এরপর নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন করে নিবন্ধন আদায় করে নেবে গণঅধিকার পরিষদ। নিবন্ধনের জন্য আমরা আর সময় নষ্ট করব না। এখন ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনই আমাদের সামনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
গণঅধিকার পরিষদের উচ্চতর পরিষদের সদস্য অ্যাডভোকেট নুরে এরশাদ সিদ্দিকী বলেন, গণঅধিকার পরিষদকে নিবন্ধন না দেওয়ার বিষয়টি পুরোটাই রাজনৈতিক ও অবিবেচনাসুলভ সিদ্ধান্ত। আমরা সিনিয়র আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলে উচ্চ আদালতে আইনি প্রতিকার চাইব।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন গণঅধিকার পরিষদের উচ্চতর পরিষদের সদস্য শাকিলউজ্জামান, ফাতেমা তাসনিম, শহিদুল ইসলাম ফাহিম, আবদুল জাহেরসহ আরও অনেকে।