প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০১ জুলাই ২০২৩ ২২:৩৯ পিএম
আপডেট : ০২ জুলাই ২০২৩ ১১:৫৬ এএম
ড. রেজা কিবরিয়া। সংগৃহীত ছবি
অভ্যন্তরীণ বিরোধের জেরে গণঅধিকার পরিষদের আহ্বায়ক ড. রেজা কিবরিয়াকে ইমপিচমেন্ট বা অভিশংসন করেছেন দলের সদস্য সচিব নুরুল হক নুরের অনুসারী নেতাকর্মীরা। তবে রেজা কিবরিয়ার দাবি, বহিষ্কৃত যুগ্ম আহ্বায়ক রাশেদ খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় কোরাম পূরণ হয়নি। ফলে এ অভিশংসন অবৈধ।
শনিবার (১ জুলাই) রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ দাবি করেন রেজা কিবরিয়া।
রেজা কিয়রিয়ার প্রেস সচিব ও গণঅধিকার পরিষদের সহ-দপ্তর সমন্বয়ক শাহাবুদ্দিন শুভ স্বাক্ষরিত ওই সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে রেজা কিবরিয়ার সভায় উপস্থিত না হওয়ার কারণ উল্লেখ করে বলা হয়, শনিবার বেলা ১১টায় পল্টনের প্রিতম জামান টাওয়ারে গণঅধিকার পরিষদের আহ্বায়ক ড. রেজা কিবরিয়ার আহ্বানে এক জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। রেজা কিবরিয়া তার বাবা সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এএমএস কিবরিয়ার মতো জীবননাশের হুমকি পেয়ে লাইভে এসে বক্তব্য দিয়ে পথিমধ্য থেকে ফিরে যান।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, পরবর্তীতে বহিষ্কৃত যুগ্ম আহ্বায়ক রাশেদ খানের সভাপতিত্বে একটি কোরামবিহীন সভা অনুষ্ঠিত হয় যা অবৈধ। সভায় ৪২ জন উপস্থিত ছিলেন এবং অনেকে রেজুলেশনে স্বাক্ষর করেননি। তার পরও ৮৬ জন উপস্থিত দেখিয়ে যে প্রেস রিলিজ দেওয়া হয়েছে তা মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। সভা চলাকালে নুরুল হক নুর ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করার নামে বহিরাগত লোকজন জড়ো করে একটা অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির পূর্বপরিকল্পনা করেন।
এর আগে বিকালে গণঅধিকার পরিষদের জরুরি সভায় দলের দুই তৃতীয়াংশের মতামতের ভিত্তিতে ড.রেজা কিবরিয়াকে ইমপিচমেন্ট করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন দলটির যুগ্ম আহ্বায়ক ও গণমাধ্যম সমন্বয়ক আবু হানিফ।
তিনি প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, গত এক সপ্তাহ আগে রেজা কিবরিয়াকে কারণ দর্শানোর নোটিস দেওয়া হয়েছিল। আজকের জরুরি মিটিংয়ে তিনি উপস্থিত হয়ে শোকজের জবাব দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তিনি মিটিংয়ে উপস্থিত হননি। তবে মিটিংয়ে যারা উপস্থিত ছিলেন তাদের মতামত পর্যালোচনা করে রেজা কিবরিয়াকে অভিশংসন করা হয়।
বেলা ১১টায় শুরু হয়ে জরুরি সভাটি শেষ হয় বিকাল সাড়ে ৪টায়। এতে সভাপতিত্ব করেন দলের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক রাশেদ খান আর সঞ্চালনা করেন সদস্য সচিব নুরুল হক নুর।