প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২০ জুন ২০২৩ ২০:১৭ পিএম
আপডেট : ২১ জুন ২০২৩ ১৫:১৩ পিএম
নুরুল হক নুর ও রাশেদ খান। সংগৃহীত ফটো
গঠনতন্ত্র লঙ্ঘন করে সভা আয়োজন, অবৈধভাবে ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মনোনয়ন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নেতাদের বিরুদ্ধে উস্কানিমূলক পোস্ট দিয়ে দলে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির দায়ে গণ অধিকার পরিষদের সদস্য সচিব নুরুল হক নুরকে কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির পদ থেকে সাময়িক অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
একই সঙ্গে এ প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করায় কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির ১ নং যুগ্ম আহ্বায়ক রাশেদ খানকেও সাময়িক অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। উভয়কে দলের দপ্তর বরাবর আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (২০ জুন) সন্ধ্যায় গণধিকার পরিষদের আহ্বায়ক রেজা কিবরিয়া স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এ ছাড়া দলের পরবর্তী নির্বাহী সংসদের সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত সদস্য সচিব হিসেবে কোটা সংস্কার আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা আহ্বায়ক ও গণ অধিকার পরিষদের অন্যতম প্রধান উদ্যোক্তা হাসান আল মামুনকে ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গণ অধিকার পরিষদের গঠনতন্ত্র, ২১ দফা কর্মসূচি, লক্ষ্য উদ্দেশ্য ও মূলনীতিবিরোধী কাজ করা, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সংবিধান, মানি লন্ডারিং আইন ও সন্ত্রাসবিরোধী আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ ওঠা, ইসরায়েলসহ বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ, অনৈতিক আর্থিক লেনদেন, গঠনতন্ত্র লঙ্ঘন করে সভা আয়োজন ও অবৈধভাবে ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মনোনয়ন করা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নেতাদের বিরুদ্ধে উস্কানিমূলক পোস্ট দিয়ে দলে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির দায়ে গণ অধিকার পরিষদের সদস্য সচিব মো. নুরুল হক নুরকে (ভিপি নুর) কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির পদ থেকে সাময়িক অব্যাহতি দেওয়া হলো। একই সঙ্গে এ প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করায় কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির ১ নং যুগ্ম আহ্বায়ক মো. রাশেদ খানকে সাময়িক অব্যাহতি দেওয়া হলো। উভয়কে দলের দপ্তর বরাবর আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেওয়া হলো।
আরও পড়ুন: রেজা-নুর দ্বন্দ্বে টালমাটাল গণ অধিকার পরিষদ
বিজ্ঞপ্তিতে দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধি এবং নির্দলীয় ও নিরপেক্ষ নির্বাচনকালীন সরকার গঠনের আন্দোলন বেগবান করার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় নুরুল হক নুর বলেন, ‘রেজা কিবরিয়া দেশের বাইরে থেকে এমন মনগড়া সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না। আর গণ অধিকার পরিষদে তার কোনো ভিত্তি নেই। গণ অধিকার পরিষদ তরুণদের প্রতিষ্ঠিত সংগঠন। গণ অধিকার পরিষদ প্রতিষ্ঠিত হওয়ার আগে ছাত্র, যুব, শ্রমিক, প্রবাসীসহ পেশাজীবী সহযোগী সংগঠন তৈরি হয়েছে। তাতে রেজা কিবরিয়ার বিন্দুমাত্র অবদান নেই। সুতরাং তিনি গণ অধিকার পরিষদের সংগঠকদের কীভাবে অব্যাহতি দেন?’