প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৫ এপ্রিল ২০২৩ ২০:০৯ পিএম
আপডেট : ১৫ এপ্রিল ২০২৩ ২০:১৬ পিএম
বর্তমানে বাংলাদেশে অস্থির রাজনীতি ও সংঘাতময় পরিস্থিতি বিরাজ করছে। এ পরিস্থিতি বন্ধ করতে নিরপেক্ষ নির্বাচন দরকার। সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মধ্য দিয়েই অস্থিরতা ও সংঘাতের রাজনীতি বন্ধ হবে।
শনিবার (১৫ এপ্রিল) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ের একটি কনভেনশন হলে ন্যাশনাল পিপলস পার্টির (এনপিপি) নেতৃত্বাধীন জোট ‘গণতন্ত্র বিকাশ মঞ্চ’ আয়োজিত আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিলে বক্তারা এসব কথা বলেন।
এনপিপির চেয়ারম্যান ও গণতন্ত্র বিকাশ মঞ্চের সমন্বয়ক আলহাজ্ব শেখ ছালাউদ্দিন ছালু সভাপতিত্ব করেন।
তিনি বলেন, ‘বর্তমানে দেশের মানুষ খুব একটা ভালো নেই। সকল জিনিসের দাম ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। যদিও পরিসংখ্যানে দেখানও হচ্ছে দেশে অতি দারিদ্র্যের হার কমেছে। তাই প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমার আবেদন, ভর্তুকি দিয়ে হলেও নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে রাখুন।
শেখ ছালাউদ্দিন ছালু বলেন, আমাকে একটি নিবন্ধিত দলের মহাসচিব বলেছেন, দেশের রাজনীতির মান এত নিচুতে নেমে গেছে যে, এখন আর রাজনীতি করতে ইচ্ছে করে না। বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেব ‘ভুয়া এমপি পরিচয়’ দিয়ে জেলে যাওয়া লোকের ইফতার পার্টিতে প্রধান অতিথি হয়ে যোগদান করে। তাহলে বুঝেন বিএনপির রাজনীতি এখন কোন অবস্থানে গেছে।
তিনি বলেন, দেশের মানুষের মধ্যে রুচি, মূল্যবোধ ও নৈতিকতার দুর্ভিক্ষ দেখা দিয়েছে। আমি কারোর সমালোচনা বা কাউকে কটাক্ষ করে বলছি না, যেটা সত্য সেটাই বলছি।
এ সময় তিনি বঙ্গবাজার, নিউ সুপার মার্কেটসহ ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে যে ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তাদের যেনো সহজ শর্তে ঋণ প্রদান করা হয়।
গণতন্ত্র বিকাশ মঞ্চের সদস্য সচিব এ কে এম মহিউদ্দিন আহাম্মেদ বলেন, নির্বাচনে অংশগ্রহণের লক্ষ্যই হলো গণতন্ত্রকে বিকাশ করা ও সংঘাতের রাজনীতি পরিহার করা। সাম্যের ও সম্প্রীতির রাজনীতি প্রতিষ্ঠা করার জন্য গণতন্ত্র বিকাশ মঞ্চ ৩০০ আসনেই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে।
তিনি বলেন, বিএনপি এবং জাতীয় পার্টির দাবি ছিল ইভিএম বাদ দিয়ে ব্যালট বক্সের মাধ্যমে ভোট করা। যে কারণেই হোক নির্বাচন কমিশন বিএনপি এবং জাতীয় পার্টির দাবি মেনে নিয়েছে। তাই আমরা আশা করব, বিএনপি নির্বাচনে অংশ গ্রহণ এবং সুষ্ঠু করার পদ্ধতি নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে আলোচনা করবে।
আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ন্যাশনাল পিপলস পার্টির মহাসচিব ইদ্রিস চৌধুরী, ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-ন্যাপ ভাসানীর চেয়ারম্যান আব্দুল হাই সরকার, বাংলাদেশ ইসলামী ঐক্য ফ্রন্টের সভাপতি হাফেজ মাওলানা মুফতি শাহাদাৎ হুসাইন ও ডেমোক্রেটিক পার্টি বাংলাদেশের চেয়ারম্যান অ্যাড. জাহাঙ্গীর হোসেন খানসহ মঞ্চের নেতাকর্মীরা।