প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১১ জানুয়ারি ২০২৩ ২১:৪৭ পিএম
আপডেট : ১১ জানুয়ারি ২০২৩ ২২:১১ পিএম
বুধবার রাজধানীর নয়াপল্টনে গণঅবস্থান কর্মসূচিতে বিএনপির নেতাকর্মীরা। প্রবা ফটো
মঞ্চে বক্তব্য দেওয়াকে কেন্দ্র করে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের দুই গ্রুপের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় গ্রুপের পাঁচজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। এদের মধ্যে বিএনপির নির্বাহী সদস্য ও স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদির ভূঁইয়া জুয়েলসহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদল নেতা সাইদুর ও মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা জসিম রয়েছেন।
বুধবার
(১১ জানুয়ারি) বিকালে নয়াপল্টনে দলটির গণঅবস্থান কর্মসূচি শেষে এ ঘটনা ঘটে।
ঘটনাস্থলে
বিএনপির কয়েকজন নেতাকর্মী জানান, নয়াপল্টনে বিএনপির গণঅবস্থান কর্মসূচিতে বক্তব্য দেওয়া
নিয়ে অনুষ্ঠানের সঞ্চালক ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্য সচিব রফিকুল আলম মজনুর
সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদির ভুঁইয়া
জুয়েলের। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কর্মসূচি শেষ করতে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম
আলমগীর অনুষ্ঠানের সঞ্চালককে বক্তার তালিকা ছোট করার নির্দেশনা দেন। এ সময় জুয়েল বিএনপির
ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেনকে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ করে দিতে
বলেন। একপর্যায়ে জুয়েল বক্তব্য দেন।
তারা
জানান, গণঅবস্থান শেষে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের ভেতরে যান বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের
নেতাকর্মীরা। এ সময় মজনু ও জুয়েলও বিএনপির মহাসচিবের কক্ষে প্রবেশ করেন। পরে মঞ্চে তর্কাতর্কির
জের ধরে উভয় নেতার অনুসারীদের মধ্যে সেখানেও কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে জুয়েলকে লাথি
ও কিলঘুষি দেন মজনুর অনুসারীরা। এরপর দলীয় কার্যালয় থেকে বেরিয়ে নয়াপল্টনে ভাসানী ভবনের
পাশে গেলে সেখানেও জুয়েলসহ তিন-চারজনকে আবারও রফিকুল আলম মজনুর অনুসারীরা ধাওয়া করে
কিলঘুষি দেয়।
এ
বিষয়ে জানতে চাইলে রফিকুল আলম মজনু বলেন, ‘সামান্য বিষয়ে কথা কাটাকাটি হয়েছে। এটা মঞ্চেই
থেমে যায়। পরে কী হয়েছে সেটি আমি জানি না।’
বিষয়টি নিয়ে আব্দুল কাদির ভুঁইয়া জুয়েলের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।