প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৩ জানুয়ারি ২০২৩ ১৪:৫৪ পিএম
আপডেট : ০৩ জানুয়ারি ২০২৩ ১৫:২৯ পিএম
সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের মৃত্যুর্বাষিকীতে শ্রদ্ধা জানায় দল ও পরিবারের সদস্যরা। ছবি : প্রবা
আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধা জানিয়েছে দল ও পরিবারের সদস্যরা।
মঙ্গলবার (৩ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর বনানীতে মরহুমের কবরস্থানে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়।
সকালে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদের নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় নেতারা শ্রদ্ধা জানান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, সদস্য শাহাবুদ্দনি ফরাজী, মারুফ আক্তার পপি, পারভীন জাহান কল্পনা, সৈয়দ আশরাফের ছোট বোন সংসদ সদস্য জাকিয়া পারভিন লিপিসহ অন্যরা।
পরিবারের সদস্য, আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম স্মৃতি পরিষদসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতারা শ্রদ্ধা নিবেদনে অংশ নেন।
ড. হাছান মাহমুদ সৈয়দ আশরাফকে স্মরণ করে বলেন, আজকে আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকী। তিনি ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা। জাতীয় চার নেতার অন্যতম এবং বঙ্গবন্ধুর অবর্তমানে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন যিনি ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেছিলেন সেই সৈয়দ নজরুল ইসলামের সুযোগ্য পুত্র তিনি।
হাছান মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দুবারের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছিলেন সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম। তার মৃত্যুটা আমাদের কাছে ছিল অপ্রত্যাশিত, অল্প বয়সেই তিনি মৃত্যুবরণ করেছেন। দলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে তিনি একজন সৎ পরিশীলিত মানুষ ছিলেন। লোভ-লালসার পেছনে তিনি কখনো ছোটেননি। রাজনীতিকে ব্রত হিসেবেই নিয়েছিলেন। তার কাছে নতুন প্রজন্মের রাজনীতিবিদদের অনেক কিছু শেখার আছে। আমি তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করি।
সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম ১৯৫২ সালের ১ জানুয়ারি ময়মনসিংহে জন্মগ্রহণ করেন। ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন তিনি। ছাত্রলীগের বৃহত্তর ময়মনসিংহ শাখার সাধারণ সম্পাদক, কেন্দ্রীয় সহ-প্রচার সম্পাদকসহ দুই দফায় দলের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
সৈয়দ আশরাফ পরপর পাঁচবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী এবং পরে জনপ্রশাসনমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে ২০১৯ সালের ৩ জানুয়ারি থাইল্যান্ডের একটি হাসপাতালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।