প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ৩ ঘণ্টা আগে
আপডেট : ৩ ঘণ্টা আগে
বাংলামোটরে এনসিপির অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে শনিবার জরুরি সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেন দলের উত্তরাঞ্চলীয় মুখ্য সমন্বয়ক সারজিস আলম। ছবি: সংগৃহীত
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি যথাযথ মর্যাদায় সংরক্ষণ এবং এর চেতনা নতুন প্রজন্মসহ দেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে ‘দেশ গড়তে জুলাই জাগরণ’ শীর্ষক মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।
কর্মসূচির অংশ হিসেবে ‘গণভোট বাস্তবায়ন, কর্মসংস্থান এবং সীমান্ত সুরক্ষার দাবি’কে সামনে রেখে দেশের ৬৪ জেলার ১০০টি উপজেলা ও পৌরসভায় ‘জুলাই পদযাত্রা ২০২৬’ আয়োজন করবে দলটি। আগামীকাল রবিবার থেকে এ কর্মসূচি শুরু হবে।
রাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপির অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে শনিবার বিকালে আয়োজিত জরুরি সংবাদ সম্মেলনে কর্মসূচির ঘোষণা দেন দলের নেতারা। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন উত্তরাঞ্চলীয় মুখ্য সমন্বয়ক সারজিস আলম। এ সময় যুগ্ম সদস্য সচিব আলী আহসান জুনায়েদ, মাহিন সরকারসহ কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
লিখিত বক্তব্যে সারজিস আলম বলেন, ঐতিহাসিক রক্তস্নাত জুলাই আত্মত্যাগ, গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার এবং নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের প্রতীক। হাজারো শহীদের আত্মদান ও ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে অর্জিত এই ইতিহাসকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতেই মাসব্যাপী কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ৬ জুলাই থেকে উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলে একযোগে শুরু হবে ‘জুলাই পদযাত্রা ২০২৬’। উত্তরাঞ্চলের কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেবেন এনসিপির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম ও মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। দক্ষিণাঞ্চলের পদযাত্রার নেতৃত্বে থাকবেন মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ এমপি এবং দলের মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
এনসিপির মতে, ‘দেশ গড়তে জুলাই জাগরণ’ কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য হলো শহীদদের অবদান স্মরণ, গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা সমাজের সর্বস্তরে ছড়িয়ে দেওয়া এবং দেশ গঠনের অঙ্গীকারকে আরও সুদৃঢ় করা। এ উপলক্ষে ‘জুলাই পদযাত্রা ২০২৬’-এ দেশের সর্বস্তরের নাগরিক, তরুণ সমাজ, শিক্ষার্থী, সাংস্কৃতিক কর্মী ও পেশাজীবীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে দলটি।