প্রব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২ ঘণ্টা আগে
বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সুপ্রীম কোর্টের এডভোকেট ড. খন্দকার মারুফ হোসেন। ফাইল ছবি
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়া ও চীন সফরের ফলে দেশের অর্থনীতিতে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে আশা ব্যক্ত করেছেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ড. খন্দকার মারুফ হোসেন।
কুমিল্লার দাউদকান্দিতে ইলিয়টগঞ্জ রা.বি হাইস্কুল মাঠে শনিবার এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতাকালে এসব কথা বলেন তিনি।
এর আগে ইলিয়টগঞ্জ হাইস্কুল আল আকসা জামে মসজিদের নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন তিনি।
ড. খন্দকার মারুফ হোসেন বলেন, মালয়েশিয়া ও চীন আমাদের পরীক্ষিত বন্ধু এবং বাংলাদেশের উন্নয়নের অন্যতম অংশীদার। প্রধানমন্ত্রী হিসাবে তারেক রহমানের এটিই তার প্রথম রাষ্ট্রীয় সফর। কুটনৈতিকভাবে এই সফর খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই সফরের ফলে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার চালু এবং চীন ও মালয়েশিয়ার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গতিশীল নেতৃত্বে দ্রুতই ঘুরে দাঁড়াবে বাংলাদেশ। তিনি ফ্যাসিস্ট সরকারের রেখে যাওয়া ধ্বংসস্তুপ থেকে দেশকে দ্রুত উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যেমনিভাবে ‘তলাবিহীন ঝুড়ি’র দেশকে ব্যাপক উন্নয়ন ও উৎপাদনের মাধ্যমে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়েছেন। দেশকে বিশ্ব দরবারে মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। বেগম খালেদা জিয়া গণতন্ত্র সুসংহত এবং সর্বক্ষেত্রে যুগান্তকারী উন্নয়ন করেছেন। তাদের সুযোগ্য সন্তান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও তাঁর পিতা-মাতার আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে একইভাবে বাংলাদেশকে একটি উন্নত সমৃদ্ধ গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসাবে গড়ে তুলতে সক্ষম হবেন।
তিনি আরও বলেন, “আমি মনেপ্রাণে বিশ্বাস করি, বর্তমান ও আগামীর রাজনীতিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অতীব গুরুত্বপূর্ণ। তার কোনো বিকল্প নেই, তার হাত ধরেই দেশ উন্নত ও সমৃদ্ধ হবে। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই জনগণের স্বপ্ন পূরণে সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে।
“দেশের স্বার্থরক্ষায় বিএনপি সরকার সর্বদাই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে নিরলসভাবে কাজ করছে। বিএনপি যখনই ক্ষমতায় থাকে, সকল ধর্মের মানুষ নিজ নিজ ধর্মীয় ও সংস্কৃতির আচার অনুষ্ঠান নির্বিঘ্নে নিরাপদে পালন করতে পারে”।
বিগত সকল ক্ষেত্রে এক অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছিলো।
বিএনপির এই নেতা বলেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের সময়ে ধর্মীয় নেতা এবং প্রখ্যাত আলেম ওলামাদের আয়নাঘরে বন্দি রেখে অমানুষিক নির্যাতন করেছে, মিথ্যা মামলায় তাদের কারান্তরীণ রেখেছে। পবিত্র কুরআন তাফসির মাহফিল অনুষ্ঠান করতে দেয়নি।
ইলিয়টগঞ্জ হাইস্কুল ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ডা.মো.মোশাররফ হোসেনের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন,
কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আলহাজ্ব আবুল হাশেম, দাউদকান্দি উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক এম.এ লতিফ ভূঁইয়া, সদস্য সচিব ভিপি জাহাঙ্গীর আলম, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আলহাজ জসিম উদ্দিন আহমেদ, যুগ্ম আহ্বায়ক এনামুল হক সফর তালুকদারসহ আরও অনেকেই।