রংপুর ব্যুরো
প্রকাশ : ২৪ ডিসেম্বর ২০২২ ১৮:২০ পিএম
নগরীর স্টেশন বাজার এলাকায় গণসংযোগে মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা। মঙ্গলবার দুপুরে তোলা ছবি। প্রবা
রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনের আর মাত্র তিন দিন বাকি। বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থী না থাকায় তাদের ভোট পাওয়ার আশা করছেন জাতীয় পার্টির প্রার্থী সদ্য বিদায়ী মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা। বলেন, ‘বিএনপি-জামায়াত যেহেতু নির্বাচনে অংশ নেয়নি, আমি সিটি কর্পোরেশনে মেয়রের দায়িত্ব পালনকালে দল-মতনির্বিশেষে সকলকে সহযোগিতা করেছি। রাজনৈতিক কারণে বিএনপি-জামায়াতের ভোট পাবে না আওয়ামী লীগ। সেই ভোট আমি পাব বলে আমার বিশ্বাস। আমি সকল মানুষকে নিয়ে সুন্দর নগরী গড়তে বিগত সময়ে কাজ করেছি। আগামীতেও কাজ করে যেতে চাই।’
ভোটের সময় ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে জোর প্রচারণা চলছে নগরীর অলি-গলি, পাড়া-মহল্লায়। গণসংযোগে দম ফেলার ফুরসত নেই প্রার্থীদের। নগরের সেবক হিসেবে সুযোগ দিতে ভোটারদের কাছে ভোট প্রার্থনা করছেন তারা।
তবে ভোটের মাঠে বিএনপি না থাকায় এবার তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা লক্ষ করা যাচ্ছে না বলে মনে করছেন রংপুর মহানগর সুজনের সভাপতি অধ্যক্ষ খন্দকার ফখরুল আনাম বেঞ্জু।
তিনি বলেন, ‘বিএনপি অংশ না নেওয়ায় নির্বাচন জমে ওঠেনি। জামায়াত-বিএনপি যেহেতু নির্বাচনে নেই, তাই এ থেকে জাপা প্রার্থীই বেশি সুবিধা পেতে পারে।’
এবার নির্বাচনে মেয়র পদে ৯ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। জাতীয় পার্টি থেকে মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা (লাঙ্গল), আওয়ামী লীগের প্রার্থী অ্যাডভোকেট হোসনে আরা লুৎফা ডালিয়া (নৌকা), আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার লতিফুর রহমান মিলন (হাতি), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমিরুজ্জামান পিয়াল (হাতপাখা), জাসদের শফিয়ার রহমান (মশাল), জাকের পার্টির খোরশেদ আলাম (গোলাপ ফুল), বাংলাদেশ কংগ্রেসের আবু রায়হান (ডাব), খেলাফত মজলিসের তৌহিদুর রহমান মন্ডল (দেয়ালঘড়ি) ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মেহেদী হাসান বনি (হরিণ) প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
আগামী ২৭ ডিসেম্বর রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোট হওয়ার কথা।
নির্বাচনে মেয়র পদে ৯, সাধারণ কাউন্সিলর পদে ১৮৩ ও সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ৬৮—মোট ২৬০ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সিটি করপোরেশনের ৩৩ ওয়ার্ডে মোট ভোটার ৪ লাখ ২৬ হাজার ৪৬৯ জন।